Advertisement

Bank Fraud Case: ICICI ব্যাঙ্কের চেতলা ব্রাঞ্চের ডেপুটি ম্যানেজার গ্রাহকের ৭ লাখ ৮০ হাজার চুরি করল কীভাবে? গ্রেফতার

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবার মমতা কুমারীর নামে অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি তাঁর পদের অপব্যবহার করেছেন। ব্যাঙ্কের কাছে গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত সব তথ্যই থাকে। সেই তথ্য জোগাড় করে এক গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। এছাড়াও আরেক গ্রাহকের সই জাল করে চেকের মাধ্যমে ফিক্সড ডিপোজিট থেকে ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সরিয়েছে।

আইসিআইসিআই-এর প্রাক্তন ডেপুটি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার গ্রেপ্তারআইসিআইসিআই-এর প্রাক্তন ডেপুটি ব্রাঞ্চ ম্যানেজার গ্রেপ্তার
Aajtak Bangla
  • 10 Aug 2026,
  • अपडेटेड 9:01 AM IST
  • গ্রাহকের ক্রেডিট থেকে খরচ ও সই জাল
  • মমতার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি
  • ৪৮ ঘণ্টার ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে রাজ্যে আনা হয়েছে

প্রায় ৮ লক্ষ টাকা জালিয়াতির অভিযোগে গ্রেফতার করা হল ICICI ব্যাঙ্কের এক ডেপুটি ম্যানেজারকে। মমতা কুমারী নামে ওই মহিলা  ICICI ব্যাঙ্কের চেতলা শাখায় ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তদন্তে জানা গিয়েছে, এক গ্রাহকে ঠকিয়ে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা হাতিয়েছেন মমতা কুমারী।

গ্রাহকের ক্রেডিট থেকে খরচ ও সই জাল

২০২৩ সালের ডিসেম্বরে প্রথমবার মমতা কুমারীর নামে অভিযোগ দায়ের হয়। অভিযোগ ছিল, তিনি তাঁর পদের অপব্যবহার করেছেন। ব্যাঙ্কের কাছে গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড সংক্রান্ত সব তথ্যই থাকে। সেই তথ্য জোগাড় করে এক গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ড থেকে ১ লক্ষ টাকা খরচ করেছেন। এছাড়াও আরেক গ্রাহকের সই জাল করে চেকের মাধ্যমে ফিক্সড ডিপোজিট থেকে ৬ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা সরিয়েছে।

মমতার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি

এই জালিয়াতির অভিযোগ সামনে আসতেই স্ক্যানারে চলে আসেন মমতা কুমারী। তদন্ত শুরু হতেই দেখা যায়, মমতার বয়ানে একাধিক অসঙ্গতি। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকে তদন্ত। মমতা কুমারীর বাড়ি উত্তরপ্রদেশের বালিয়ায়। তদন্তের মধ্যেই তিনি পালিয়ে যান উত্তরপ্রদেশ। পুলিশ তাঁকে ট্র্যাক করতে থাকে। এরপর ৮ অগাস্ট তাঁকে গ্রেফতার করা হয়।

৪৮ ঘণ্টার ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে রাজ্যে আনা হয়েছে

গ্রেফতারের পর মমতা কুমারীকে ট্রানজিট রিমান্ডে পশ্চিমবঙ্গে নিয়ে আসা হয়। ৪৮ ঘণ্টার ট্রানজিট রিমান্ডে তাঁকে রাজ্যে আনা হয়েছে। আজ তাঁকে আলিপুর আদালতে পেশ করার কথা। তদন্তের স্বার্থে তাঁকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানাতে পারে পুলিশ। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য, প্রতারণার পুরো প্রক্রিয়া কীভাবে চালানো হয়েছিল, ঘটনায় আরও কেউ জড়িত কি না এবং আত্মসাৎ করা টাকা কোথায় রয়েছে, তা খুঁজে বের করা। সেই সঙ্গে জাল নথি ও চেক ব্যবহারের বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ জানিয়েছে, তদন্ত এখনও চলছে। আদালতের নির্দেশের পর পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement