Advertisement

Meerut blue drum murder: ফাঁসির সাজা শোনার পর জেলে কীভাবে রাত কাটাল মুসকান ও সাহিল? রাতে খাবারও খায়নি

মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার পর কারাগারে মুসকান ও সাহিলের পরিচয় নথিভুক্ত করা হবে তাঁদের নির্দিষ্ট বন্দি নম্বরের ভিত্তিতে। সাহিলের বন্দি নম্বর ৩৯৫/২০২৬ এবং মুসকানের ৩৯৬/২০২৬। কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এই নম্বর দিয়েই তাঁদের পরিচয় চিহ্নিত করা হবে।

মুসকান রাস্তোগি, সৌরভ রাজপুত (মুসকানের স্বামী) ও সাহিল শুক্লা (মুসকানের প্রেমিক)মুসকান রাস্তোগি, সৌরভ রাজপুত (মুসকানের স্বামী) ও সাহিল শুক্লা (মুসকানের প্রেমিক)
Aajtak Bangla
  • মেরঠ,
  • 15 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:00 AM IST
  • রাতভর জেগেছিল সাহিল ও মুসকান
  • মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা মুসকানের
  • স্বামীকে নৃশংস ভাবে খুন ও নীল ড্রাম

প্রেমিকের সঙ্গে মিলে স্বামীকে খুন করে টুকরো টুকরো করে কেটে নীল ড্রামে ভরে বালি, জল, সিমেন্ট গুলে ঢেলে দিয়েছিল। সিমেন্ট দিয়েই সিল করে দেওয়া হয় ড্রামের মুখ। ২০২৫ সালের মার্চের এই ঘটনা গোটা দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। কতটা নৃশংস হতে পারে একজন, শুধুমাত্র প্রেমিককে সম্পূর্ণ নিজের করে পেতে স্বামীকে এই ভাবে হত্যা করা! 

রাতভর জেগেছিল সাহিল ও মুসকান

সেই মুসকান রস্তোগি ও সাহিল শুক্লার ফাঁসির সাজা হয়েছে বুধবার। মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশের পরেই সাহিল ও মুসকান, দুজনেই ছটফট করছে বলে জেল সূত্রে খবর। রাতভর দুজনেই জেগে ছিল। এমনকী রাতের খাবারও দুজনে খায়নি। আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবারও দুজনে সকালের খাবার খায়নি। ফাঁসির সাজার পরে মুসকান ও সাহিল এখন কয়েদি নম্বর পেয়েছে। তাদের আর নাম ধরে ডাকা হবে না। মুসকান যে জেলে রয়েছে, তার নম্বর ১২ (B) ও সাহিলের জেল কুঠরির নম্বর ১৫। দুজনকেই জেলের নম্বর লেখা আলাদা পোশাক দেওয়া হয়েছে। সাহিলকে দেওয়া হয়েছে সাদা কুর্তা ও পাজামা ও মুসকান পেয়েছে একটি সাদা রঙের শাড়ি ও ক্রিম রঙের শ্যুট। 

এ বার নাম নয়, বন্দি নম্বরেই পরিচয়

মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার পর কারাগারে মুসকান ও সাহিলের পরিচয় নথিভুক্ত করা হবে তাঁদের নির্দিষ্ট বন্দি নম্বরের ভিত্তিতে। সাহিলের বন্দি নম্বর ৩৯৫/২০২৬ এবং মুসকানের ৩৯৬/২০২৬। কারাগারের নিয়ম অনুযায়ী, পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ায় এই নম্বর দিয়েই তাঁদের পরিচয় চিহ্নিত করা হবে।

মুসকান রাস্তোগি ও সাহিল শুক্লা

মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা মুসকানের

এই মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হওয়ার পর মুসকানের চিন্তার অন্যতম কারণ হয়ে উঠেছে তার মেয়ের ভবিষ্যৎ। মেয়ের দেখভাল ও লালনপালন কী ভাবে হবে, তা নিয়ে মুসকান উদ্বিগ্ন বলে জেল সূত্রের খবর। মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার পর ব্যক্তিগত জীবন ও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে তার দুশ্চিন্তা আরও বেড়েছে। সৌরভ রাজপুত খুনের মামলায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা ঘোষণার পর এখন পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে মুসকান ও সাহিলকে। 

Advertisement

স্বামীকে নৃশংস ভাবে খুন ও নীল ড্রাম

২০২৫ সালের ৩ মার্চ মেরঠে মার্চেন্ট নেভি অফিসার সৌরভ রাজপুতকে খুন করে মুসকান। তারপর প্রেমিক সাহিল শুক্লার সঙ্গে মিলে দেহ টুকরো করে। তারপর তা একটি নীসল ড্রামে ভরে বালি, সিমেন্ট, জল দিয়ে সিল করে দেয়। সৌরভ ও মুসকানের প্রেম করেই বিয়ে হয়েছিল। মুসকানকে সময় দিতে সৌরভ চাকরিও ছেড়েছিলেন। পরে লন্ডনের একটি বেকারিতে চাকরি নেন। তিন বছর ধরে সেখানেই ছিলেন। কিছুদিন পরেই সৌরভ জানতে পারেন, তাঁরই বন্ধু সাহিলের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছে স্ত্রী মুসকান। যা নিয়ে অশান্তি চরম পর্যায়ে পৌঁছয়। ডিভোর্সের পথে এগিয়েও, সন্তানের কথা ভেবে পিছিয়ে আসেন সৌরভ। এরপর মেয়ের জন্মদিনে বাড়ি এসেছিলেন। মুসকান বুঝতেই দেয়নি, তার মাথায় মারাত্মক প্ল্যান রয়েছে। স্বামীর সঙ্গে মুসকান রাতে পার্টি করে। নাচতেও দেখা যায়। এর পরেই সৌরভকে রাতে খুন করে মুসকান। এরপর সাহিলের সঙ্গে মিলে দেহ টুকরো করে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement