Advertisement

চুলের মুঠি ধরে হেনস্থা, হাত ধরে টানাটানি; এবার সমস্তিপুরে নাবালিকাকে টানাহ্যাঁচড়া যুবকদের

সমস্তিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা জগতসিংহপুর ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

নাবালিকাকে হেনস্থা নাবালিকাকে হেনস্থা
Aajtak Bangla
  • সমস্তিপুর ,
  • 24 Sep 2026,
  • अपडेटेड 1:41 PM IST
  • ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন অনেকে
  • তবে কেউ সেই যুবতীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি

বিহারের জামুইয়ে নাবালিকা হেনস্থার ঘটনার রেশ এখনও কাটেনি। এবার সেই একই রাজ্যের সমস্তিপুরে নাবালিকার সঙ্গে দুর্ব্যবহারের অভিযোগ। ঘটনার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় দ্রুত ভাইরাল হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, কর্পূরীগ্রাম থানার জগৎসিংহপুর গ্রামের বাঁধ বাইপাস রোডে প্রায় এক সপ্তাহ আগের এই ঘটনা। ভিডিওটির সূত্র ধরে ঘটনাস্থল শনাক্ত হওয়ার পর মাত্র ছয় ঘণ্টার মধ্যে চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, এক নাবালক ও নাবালিকা বাইকে করে বাঁধের কাছে গিয়েছিল। সেখানে তাঁরা নিজেদের মধ্যে কথা বলছিল। অভিযোগ, সেই সময় কয়েকজন স্থানীয় যুবক তাঁদের ঘিরে ধরে। প্রথমে নাবালককে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। তিনি পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। এরপরই নাবালিকার উপর চড়াও হন অভিযুক্তরা। 

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নাবালিকা বারবার আপত্তি জানালেও অভিযুক্তরা তাঁকে ঘিরে ধরে হেনস্থা করছে। তাঁর মুখের ছবি তোলার চেষ্টা করছে। এমনকী সেই যুবতীর হাত ধরে টানাটানি করা হয়। চুলের মুঠি ধরতেও দেখা যায়। অভিযোগ, নাবালিকার কাছে বারবার তাঁর বাড়ির ঠিকানা জানতে চাওয়া হয়। ওই নাবালিকা সঙ্গে থাকা যুবককে নিজের ভাই বলে জানালেও অভিযুক্তরা তাঁকে ছাড়েনি। 

ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন অনেকে। তবে কেউ সেই যুবতীকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি। বরং ফোনে রেকর্ডিং করতেই ব্যস্ত ছিলেন। পরে সেই ভিডিওই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ভিডিওতে দেখা তরুণীকে প্রাথমিকভাবে নাবালিকা বলে মনে হয়েছে। সেই ভিত্তিতে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা, পকসো আইন এবং তথ্যপ্রযুক্তি আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার নম্বর 117/26।

সমস্তিপুর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা জগতসিংহপুর ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা। তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

ঘটনার পর সমস্তিপুর পুলিশের তরফে সাধারণ মানুষের কাছে বিশেষ আবেদনও জানানো হয়েছে। পুলিশ স্পষ্ট করে দিয়েছে, কোনওভাবেই নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করা যাবে না। তাঁর ছবি, ভিডিও বা এমন কোনও তথ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করা উচিত নয়, যার মাধ্যমে তাঁর পরিচয় প্রকাশ পেতে পারে বা তিনি মানসিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।

Advertisement

পুলিশের বক্তব্য, নাবালিকার পরিচয় প্রকাশ করে এমন কোনও পোস্ট বা কনটেন্ট ছড়ানো আইনত অপরাধ। তাই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারকারীদের সতর্ক থাকার আবেদন জানিয়েছে পুলিশ।

Read more!
Advertisement
Advertisement