Advertisement

Office Murder: ব্রেকআপ করায় অফিসে ঢুকল এক্স! ৪০ সেকেন্ডে ৩০ বার ছুরির কোপ

অফিসে ঢুকে সহকর্মী-প্রাক্তন প্রেমিকাকে ছুরিকাঘাতে খুনের অভিযোগ প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে। তারপর নিজেও আত্মঘাতী হওয়ার চেষ্টা করেন। গুরুতর জখম অভিযুক্ত এখনও হাসপাতালে। জিজ্ঞাসাবাদের অপেক্ষায় পুলিশ।

অফিসে ঢুকে সহকর্মী-প্রাক্তন প্রেমিকাকে ছুরিকাঘাতে খুনের অভিযোগ প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে।অফিসে ঢুকে সহকর্মী-প্রাক্তন প্রেমিকাকে ছুরিকাঘাতে খুনের অভিযোগ প্রাক্তন প্রেমিকের বিরুদ্ধে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 08 Jun 2026,
  • अपडेटेड 9:31 PM IST
  • প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল কয়েক মাস আগেই।
  • ব্রেক আপ মেনে নিতে পারেননি যুবক।
  • অফিসের মধ্যেই সহকর্মী তরুণীকে পরপর ছুরির কোপ মেরে খুন করেন।

প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে গিয়েছিল কয়েক মাস আগেই। তার পরেও ব্রেক আপ মেনে নিতে পারেননি যুবক। অভিযোগ, অফিসের মধ্যেই সহকর্মী তরুণীকে পরপর ছুরির কোপ মেরে খুন করেন। ঘটনার পর নিজেকেও আঘাত করেন। পঞ্জাবের মোহালির এই চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনায় এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিযুক্ত। পুলিশ তাঁর জবানবন্দির অপেক্ষায়।
ঘটনাটি ঘটেছে মোহালির ফেজ-১১ এবং সেক্টর ৬৬ এলাকার একটি মার্কিন লজিস্টিক সংস্থার অফিসে। নিহত তরুণীর নাম ডিম্পল। বয়স ২৮ বছর। তিনি সংস্থার ডিসপ্যাচ বিভাগে কাজ করতেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ৪ জুন সন্ধ্যা প্রায় ৭টা নাগাদ অফিসে নিজের ডেস্কে কাজ করছিলেন ডিম্পল। সেই সময় আচমকাই পিছন থেকে তাঁর উপর হামলা চালায় এক ব্যক্তি। অভিযোগ, ধারালো অস্ত্র নিয়ে এসে প্রথমে ডিম্পলের গলায় আঘাত করে সে।

প্রাণ বাঁচাতে চেয়ার ছেড়ে পালানোর চেষ্টা করেন তরুণী। কিন্তু অভিযুক্ত তাঁর পিছু নেয়। অফিসের মধ্যেই ফের তাঁকে ধরে এলোপাথাড়ি ছুরি মারতে শুরু করে। পরিস্থিতি সামাল দিতে সহকর্মীরা এগিয়ে এলে তাঁদেরও ভয় দেখানো হয় বলে অভিযোগ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, এক সহকর্মী প্রথমে হামলাকারীর হাত থেকে ছুরি কেড়ে নিলেও সে আরও একটি ছুরি বের করে ফের হামলা চালায়। গলা ও বুকে পরপর আঘাত করা হয় ডিম্পলকে। তদন্তকারীদের অনুমান, মাত্র ৩০ থেকে ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে ২৫ থেকে ৩০ বার ছুরির কোপ মারা হয়েছিল।

এর পর ডিম্পল মাটিতে লুটিয়ে পড়লে অভিযুক্ত নিজেকেও ছুরি দিয়ে আঘাত করে। অফিসজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে দু’জনকেই হাসপাতালে নিয়ে যায়। তবে হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই ডিম্পলের মৃত্যু হয়। অভিযুক্তের চিকিৎসা শুরু হয়।

কে এই অভিযুক্ত?
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তের নাম হরজিন্দর সিং মান ওরফে হ্যারি। তিনি এবং ডিম্পল দু’জনেই পটিয়ালার বাসিন্দা। গত তিন বছর ধরে একই সংস্থায় কাজ করতেন।

তদন্তে উঠে এসেছে, একসঙ্গে কাজ করতে করতেই তাঁদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছিল। পরে সেই সম্পর্ক প্রেমে পরিণত হয়। তবে প্রায় ছয় মাস আগে তাঁদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়।

Advertisement

পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, বিচ্ছেদের পরও সম্পর্ক পুনরায় শুরু করতে চেয়েছিলেন হ্যারি। কিন্তু ডিম্পল তাতে রাজি ছিলেন না। সেই কারণেই এই হামলা হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা।

বিয়ের কথা চলছিল ডিম্পলের
পরিবারের দাবি, ডিম্পল ও হ্যারির সম্পর্ক সম্পর্কে তাঁদের কোনও ধারণাই ছিল না। জানা গিয়েছে, ঘটনার দিন রাতেই ডিম্পলের পটিয়ালায় ফেরার কথা ছিল। পরিবার তাঁর বিয়ের সম্বন্ধ নিয়ে আলোচনা শুরু করেছিল।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই বিষয়টি জানতে পেরেই অভিযুক্ত খুনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন
ঘটনার পর অফিসের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পরিবারের অভিযোগ, যথাযথ নিরাপত্তা থাকলে ধারালো অস্ত্র নিয়ে কেউ অফিসে প্রবেশ করতে পারত না।

মোহালি পুলিশ জানিয়েছে, খুনের তদন্তের পাশাপাশি নিরাপত্তা সংক্রান্ত গাফিলতির অভিযোগও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

এখনও হাসপাতালে অভিযুক্ত
পুলিশের দাবি, ঘটনার পর নিজের গলা ও বুকে একাধিক বার আঘাত করেছিলেন হ্যারি। সেই কারণে তাঁর অবস্থাও আশঙ্কাজনক ছিল। তবে চিকিৎসকদের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, তিনি আপাতত বিপন্মুক্ত। যদিও এখনও হাসপাতাল থেকে ছুটি পাননি। আরও কয়েক দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।

তদন্তকারীদের মতে, এই ঘটনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর এখনও অজানা। ডিম্পলের মৃত্যুর কারণে ঘটনার পূর্ণ বিবরণ জানার সুযোগ নেই। ফলে অভিযুক্ত সুস্থ হয়ে ওঠার পর তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। 

Read more!
Advertisement
Advertisement