Advertisement

TMC কর্মীর কাছে ১০ লক্ষ টাকা দাবি, অস্বীকার করায় মারধর, অভিযুক্ত নবদ্বীপের BJP-র মণ্ডল সভাপতি সহ ৩

টাকা দিতে অস্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তৃণমূল কর্মী শংকর দেবনাথ চিকিৎসাধীন  জেলা হাসপাতালে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপে। 

তৃণমূল কর্মী শঙ্কর দেবনাথতৃণমূল কর্মী শঙ্কর দেবনাথ
স্বপন কুমার মুখার্জি
  • নবদ্বীপ,
  • 30 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:18 PM IST

এক তৃণমূল কর্মীর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করার অভিযোগ উঠল বিজেপির মণ্ডল সভাপতি- সহ বিজেপির অন্য পদাধিকারীদের বিরুদ্ধে। ওই টাকা দিতে অস্বীকার করায় সংশ্লিষ্ট তৃণমূল কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ ওঠে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তৃণমূল কর্মী শংকর দেবনাথ চিকিৎসাধীন  জেলা হাসপাতালে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার নবদ্বীপে। 

আক্রান্তের পরিবারের অভিযোগ, রবিবার, ২৮ জুন দুপুরে মাজদিয়া স্কুল মাঠ সংলগ্ন এলাকায় শংকর দেবনাথের বাড়িতে চড়াও হয় বিজেপির মণ্ডল সভাপতি- সহ আরও বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। শংকর দেবনাথকে ঘর থেকে বের করে মারধর করার অভিযোগ ওঠে বিজেপি নেতৃত্বের বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে মহেশগঞ্জ গ্রামীণ স্বাস্থ্য কেন্দ্র  ও পরে সেখান থেকে শক্তিনগর জেলা হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয় আহত শংকর দেবনাথকে। স্থানীয় হাসপাতালে দাদাকে দেখতে গিয়ে ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে শংকর দেবনাথের ভাই শীবেন্দ্র দেবনাথ। তাঁকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ ওঠে। ইতিমধ্যেই নবদ্বীপ থানায় মণ্ডল সভাপতি সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করে শীবেন্দ্র দেবনাথ। 

যদিও এই ঘটনার দায় অস্বীকার করেন বিজেপির মণ্ডল সভাপতি মধুসূদন সেন। বিজেপির মণ্ডল সভাপতি জানান, নির্বাচনের আগে থেকেই এলাকায় সাধারণ মানুষকে হুমকি দিত শঙ্কর দেবনাথ। শঙ্কর দেবনাথ তৃণমূলের ছত্রছায়া থেকে একচ্ছত্র আধিপত্য দেখাতেন বলে অভিযোগ। জানা গিয়েছে কয়েক বছর আগে এক বিজেপি কর্মীকে মারধরের ফলে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় শঙ্কর দেবনাথ সহ তিন জনের নাম জড়ায়। 

বেশ কয়েক মাস জেল খেটে এসেছিলেন শঙ্কর। রাজ্য পরিবর্তন হতেই সেই মৃত ব্যক্তির পরিবারের আর্থিক সাহায্যর জন্য শঙ্কর- সহ আরও দুই অভিযুক্তের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করা হয়েছিল। আর তা দিতে অস্বীকার করায় বচসায় জড়িয়ে পড়েন শংকর। ১০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়ায় বিধায়কের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছিল বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে। মণ্ডল সভাপতি মধুসূদন সেনের আরও অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দারা ওই এলাকা ছেড়ে অন্যত্র চলে যাওয়ার কথা বলেছিলেন শঙ্কর দেবনাথকে। গ্রামবাসীদের সঙ্গেই ঝামেলা হয়েছিল বলে দাবি মণ্ডল সভাপতির। তাঁরা ঝামেলা মেটাতে গিয়েছিল আর তাতেই তাঁদের নামে এইরকম মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছেন নবদ্বীপ থানার পুলিশ।

Advertisement

TAGS:
Read more!
Advertisement
Advertisement