Advertisement

Murder Case: নিশা নামে মেসেঞ্জারে চ্যাট, মহিলা সেজে লিভ ইন, সহবাস, রাজকোট খুনে SHOCKING তথ্য

ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে গত ২৫ জুন। রাজকোটের গ্রামে রেললাইনে একটি পচাগলা দেহ পাওয়া যায়। দেহটিতে শাড়ি পরা ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুন সন্দেহ হতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে দেয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখে উঠে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা পীযূষ কুমার খারওয়ার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়।

রাজকোট খুনের মামলায় ধৃত পীযূষ ও ডানদিকে চন্দনরাজকোট খুনের মামলায় ধৃত পীযূষ ও ডানদিকে চন্দন
Aajtak Bangla
  • রাজকোট,
  • 02 Jul 2026,
  • अपडेटेड 3:56 PM IST
  • কীভাবে ভাবে পীযূষ জানতে পারে সে মহিলা ভেবে পুরুষের সঙ্গে লিভ ইন করছে?
  • এতদিন নারী বলে বিশ্বাস করেছিল, তিনি আসলে একজন পুরুষ
  • পীযূষ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল

ফেসবুক মেসেঞ্জারে চ্যাট শুরু হয়েছিল। নিশা নামে এক মহিলা। ইনস্টাগ্রামে তাঁর নাম ছিল পুনম। পরে তাঁর দেহ উদ্ধার হল রেললাইনে। প্রথমে পুলিশ ভাবল, নিছকই দুর্ঘটনা। ময়নাতদন্তে দেখা গেল, মাথায় একাধিক গভীর ক্ষত। কোনও ভারী জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বারবার।

এরপরেই স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে খুনের তদন্ত শুরু করে পুলিশ। সম্প্রতি গুজরাতের রাজকোটের খুনের যে মামলা দেশজুড়ে ব্যাপক চর্চায়, সেই মামলায় ধৃতকে পুলিশি জেরায় উঠে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য। ওই ঘটনায় পীযূষ  নামে ২০ বছরের এক যুবককে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। জেরায় সে জানাল, নিশা ও পুনম নামে যে মহিলার সঙ্গে সে চ্যাট করত, তিনি আসলে পুরুষ ছিলেন। তাঁর নাম ছিল আসলে চন্দন। লিভ ইন রিলেশনও ছিল তাঁদের। লিভ ইন করার সময়েও জানতে পারেনি।

কীভাবে ভাবে পীযূষ জানতে পারে সে মহিলা ভেবে পুরুষের সঙ্গে লিভ ইন করছে?

ঘটনাটি প্রথম নজরে আসে গত ২৫ জুন। রাজকোটের গ্রামে রেললাইনে একটি পচাগলা দেহ পাওয়া যায়। দেহটিতে শাড়ি পরা ছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্টে খুন সন্দেহ হতেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে দেয়। সিসিটিভি ফুটেজ ও অন্যান্য দিক খতিয়ে দেখে উঠে উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা পীযূষ কুমার খারওয়ার নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়। চন্দন ওরফে নিশা ওরফে পুনমকে সে-ই মাথা থেঁতলে খুন করে রেললাইনের ধারে দেহ ফেলেছিল বলে জেরায় স্বীকার করে। 

এতদিন নারী বলে বিশ্বাস করেছিল, তিনি আসলে একজন পুরুষ

পুলিশের দাবি, চন্দনকে নারী ভেবেই পীযূষ তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিল। পরে দু'জন একসঙ্গে থাকতেও শুরু করে। তবে ঘনিষ্ঠ হওয়ার ক্ষেত্রে চন্দন বারবার ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা বলে শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে যেতেন। সম্পর্কে বড় মোড় আসে, যখন একদিন পীযূষ নাকি চন্দনকে দাড়ি কামাতে দেখে। তখনই তার সন্দেহ হয় এবং তিনি জানতে পারে, যাঁকে এতদিন নারী বলে বিশ্বাস করেছিল, তিনি আসলে একজন পুরুষ। পুলিশের দাবি, চন্দন সমলিঙ্গের সম্পর্কের উদ্দেশ্যেই নিজের পরিচয় গোপন করেছিলেন।

Advertisement

পীযূষ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল

এই ঘটনার পর থেকেই দু'জনের মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া শুরু হয়। পীযূষ সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে চাইছিল বলে তদন্তকারীদের দাবি। পুলিশ জানিয়েছে, পীযূষ কাজের সূত্রে হায়দরাবাদ, উত্তরপ্রদেশ, রাজস্থান হয়ে পরে গুজরাতের রাজকোট জেলায় চলে গেলেও, চন্দন নাকি বিভিন্ন জায়গায় তাঁর পিছু নিতেন এবং সম্পর্ক বজায় রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান।

শেষ পর্যন্ত ২১ জুন রাজকোটের পদভালা গ্রামের একটি কারখানায় দু'জনের মধ্যে তীব্র বচসা হয় বলে অভিযোগ। তদন্তকারীদের দাবি, এরপর পীযূষ চন্দনকে রেললাইনের ধারে একটি নির্জন জায়গায় নিয়ে যান এবং বড় বড় পাথর দিয়ে আঘাত করে তাঁকে খুন করেন। পরে দেহটি পাথর চাপা দিয়ে লুকিয়ে রাখারও চেষ্টা করা হয়।

Read more!
Advertisement
Advertisement