
তিরুঅনন্তপুরমে পুলিশের অভিযানে অবৈধভাবে বসবাসকারী দুই বাংলাদেশি মহিলা গ্রেফতার হয়েছেন। কেরল পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়, যেখানে একটি যৌনচক্রেরও হদিস মেলে।
পুলিশ জানায়, অ্যান্টি টেরোরিজম স্কোয়াড কেরলের কাছ থেকে সন্দেহজনক কার্যকলাপের খবর পাওয়ার পর কাজাকুট্টম থানার পুলিশ কারিয়াভাট্টম এলাকার একটি ভাড়া বাড়িতে হানা দেয়। বুধবার রাতে চালানো ওই অভিযানে ২ বাংলাদেশি মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। এবং আরও ৬ জনকে আটক করা হয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, অভিযুক্তরা প্রায় এক মাস ধরে ওই এলাকায় বসবাস করছিলেন। এবং তাঁদের কাছে ভারতে থাকার কোনও বৈধ নথি ছিল না। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, তাঁরা একটি সংগঠিত পতিতাবৃত্তি চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হল, যে বাড়িটি ভাড়া নেওয়া হয়েছিল, সেটি নেওয়ার সময় চক্রের সদস্যরা নিজেদের ‘ডাক্তার’ পরিচয় দিয়ে সন্দেহ এড়ানোর চেষ্টা করেছিল। এই ভুয়ো পরিচয়ের আড়ালেই চলছিল অবৈধ কার্যকলাপ।
ঘটনার পর পুলিশ দুটি পৃথক মামলা দায়ের করেছে, একটি অবৈধভাবে ভারতে বসবাসের অভিযোগে এবং অন্যটি পতিতাবৃত্তি সংক্রান্ত কার্যকলাপের অভিযোগে। ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ এখন এই চক্রের বিস্তৃতি, দালালদের ভূমিকা এবং আরও কারা এর সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি কেরলে অবৈধভাবে বসবাসকারী বিদেশি নাগরিকদের বিরুদ্ধে নজরদারি আরও কড়া করা হয়েছে। জাল নথি ব্যবহার করে বসবাসের অভিযোগে ইতিমধ্যেই একাধিক অভিযান চালানো হয়েছে, এবং এই ঘটনাও সেই বৃহত্তর তৎপরতারই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে।