Advertisement

Tarun Tejpal Case: গোয়ায় ধর্ষণই করেছিল তেহলকার তরুণ, ১০ বছরের সশ্রম হাজতবাসে তেজপাল

২০১৩ সালের নভেম্বরের তেহলকা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালের বিরুদ্ধে এক মহিলা কর্মী অভিযোগ করেন, গোয়ার একটি রিসর্টে লিফটে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তেহলকা ম্যাগাজিনের একটি ইভেন্টে ওই ঘটনা ঘটে।

তরুণ তেজপাল - ফাইল ছবিতরুণ তেজপাল - ফাইল ছবি
Aajtak Bangla
  • মুম্বই,
  • 06 Aug 2026,
  • अपडेटेड 3:22 PM IST
  • গোয়ার একটি রিসর্টে লিফটে ধর্ষণ
  • ভারতের অন্যতম নামী সাংবাদিক তরুণ তেজপাল
  • তরুণ তেজপাল ও তেহলকা মামলা কী?

ধর্ষণ মামলায় দোষী সাব্যস্ত তেহলকা প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালকে ১০ বছরের সশ্রম কারাবাসের নির্দেশ দিল বম্বে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে আগামী ২ সপ্তাহের মধ্যে তরুণ তেজপালকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণেরও নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ২০২১ সালে গোয়ার ট্রায়াল কোর্ট যে রায়ে তাঁকে বেকসুর খালাস দিয়েছিল, সেই রায় বাতিল করে হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, আগামী দু'সপ্তাহের মধ্যে তরুণ তেজপালকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে হবে।

গোয়ার একটি রিসর্টে লিফটে ধর্ষণ

২০১৩ সালের নভেম্বরের তেহলকা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা তরুণ তেজপালের বিরুদ্ধে এক মহিলা কর্মী অভিযোগ করেন, গোয়ার একটি রিসর্টে লিফটে তাঁকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তেহলকা ম্যাগাজিনের একটি ইভেন্টে ওই ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনায় দেশজুড়ে আলোড়ন পড়ে যায়। ইতিমধ্যেই বম্বে হাইকোর্টের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে তরুণ।

২০২১ সালে গোয়ার নিম্ন আদালত যখন তরুণকে বেকসুর খালাস করে দেয়, গোয়া সরকার সেই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করে। আজ অর্থাত্‍ বৃহস্পতিবার সেই মামলার শুনানি ছিল বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি নীলা গোখেল এবং অমিত জামসান্দেকরের ডিভিশন বেঞ্চে। 

ভারতের অন্যতম নামী সাংবাদিক তরুণ তেজপাল

ভারতের অন্যতম সেরা সাংবাদিকদের তালিকায় নাম রয়েছে তরুণ তেজপালের। এদিন সাজা ঘোষণার সময় তরুণ তেজপাল কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলে, 'আমার বয়স ৬২ বছর। আমি নিজেকে এই ঘটনার শিকার বলেই মনে করি। আমার স্ত্রী আছেন। এর বেশি বলার মতো আর কিছু নেই। আমি শুধু বলতে পারি, আমরা সর্বোচ্চ আদালতে আবেদন করব। আমার প্রতি দয়া দেখানো হোক।' তেজপালের আইনজীবী আবাদ পণ্ডা হাইকোর্টের কাছে অনুরোধ জানান, এই সাজা ঘোষণার আগে ৮ সপ্তাহ সময় দেওয়া হোক, যাতে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করা যায়।

তরুণ তেজপাল ও তেহলকা মামলা কী?

এই মামলার সূত্রপাত তেহলকার এক প্রাক্তন সহকর্মীর অভিযোগকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ, গোয়ার বাম্বোলিমে গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলের লিফটের ভিতরে তাঁকে ধর্ষণ করেছিল প্রবীণ সাংবাদিক তরুণ তেজপাল। সেই সময়ে দেশের অন্যতম প্রভাবশালী অনুসন্ধানমূলক পত্রিকা ছিল তেহলকা। আর তার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক হিসেবে তরুণ তেজপালের পরিচিতি ছিল প্রায় তারকা-খ্যাতির সমান। ২০১৩ সালের ৩০ নভেম্বর তরুণ তেজপালকে গ্রেফতার করা হয়। তবে তার এক বছরেরও কম সময়ের মধ্যে সুপ্রিম কোর্ট থেকে তিনি জামিন পান। ২০১৭ সালে গোয়ার একটি সেশনস কোর্টে এই মামলার বিচারপর্ব শুরু হয়। পরে ২০২১ সালে সেশনস কোর্ট সমস্ত অভিযোগ থেকে তাকে খালাস দেয়। সেই রায়ের বিরুদ্ধেই গোয়া সরকার বম্বে হাই কোর্টের গোয়া বেঞ্চে আপিল করে।
 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement