Advertisement

Suvendu Adhikari: চন্দ্রনাথ নতুন নন, শুভেন্দু ঘনিষ্ঠের রহস্য মৃত্যুর একাধিক অতীত রয়েছে

২০১৩ সালে রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল প্রদীপ ঝার। তিনি একসময় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক ও রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়।

শুভেন্দু অধিকারীশুভেন্দু অধিকারী
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 07 May 2026,
  • अपडेटेड 2:50 PM IST
  • তদন্তকারীদের মতে, এটি সুপরিকল্পিত হামলা
  • রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল প্রদীপ ঝার
  • দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যু

বিজেপি বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে খুনের ঘটনায় যখন উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতির পরিস্থিতি, তখন অতীতের কিছু ঘটনা উঠে আসছে। শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা নতুন নয়। অতীতেও দুই শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছিল।  

তদন্তকারীদের মতে, এটি সুপরিকল্পিত হামলা

বুধবার কলকাতার উপকণ্ঠ মধ্যমগ্রামে গুলিতে খুন হন তাঁর আপ্তসহায়ক চন্দ্রনাথ রথ। তদন্তকারীদের মতে, এটি সুপরিকল্পিত হামলা। ভারতীয় বায়ুসেনার প্রাক্তন কর্মী চন্দ্রনাথ রথ ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে শুভেন্দু অধিকারীর নির্বাচনী লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। বিজেপির অন্দরে শুভেন্দুকে ভবিষ্যৎ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবেও দেখা হচ্ছে। তবে শুভেন্দুর ঘনিষ্ঠদের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগেও তাঁর দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মৃত্যু ঘিরে রহস্য তৈরি হয়েছিল।

রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল প্রদীপ ঝার

২০১৩ সালে রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয়েছিল প্রদীপ ঝার। তিনি একসময় শুভেন্দু অধিকারীর আপ্তসহায়ক ও রাজনৈতিক সচিব ছিলেন। কলকাতার স্ট্র্যান্ড রোডে অচৈতন্য অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তে অতিরিক্ত মদ্যপানজনিত শ্বাসরোধের ইঙ্গিত মিললেও একাধিক অসঙ্গতি সামনে আসে। তাঁর মোবাইল ফোন উধাও ছিল, মানিব্যাগে টাকা ছিল না, পরিবারের অভিযোগ ছিল এটি পরিকল্পিত খুন। শুভেন্দুও সে সময় পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি তুলেছিলেন। কিন্তু আজও মামলার কোনও নিষ্পত্তি হয়নি।

দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যু

এরপর ২০১৮ সালে শুভেন্দুর দীর্ঘদিনের দেহরক্ষী শুভব্রত চক্রবর্তীর মৃত্যু ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়। পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে শুভেন্দুর বাড়ির সামনে পুলিশ ব্যারাকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছিল। প্রথমে ঘটনাটিকে আত্মহত্যা বলা হলেও পরে তাঁর স্ত্রী খুনের অভিযোগ দায়ের করেন। CID তদন্ত শুরু করলেও এখনও পর্যন্ত কোনও গ্রেফতার হয়নি।

চন্দ্রনাথ রথের হত্যাকাণ্ড আবারও পশ্চিমবঙ্গের ভোট-পরবর্তী হিংসার সংস্কৃতিকে সামনে এনে দিয়েছে। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পর থেকেই বিভিন্ন জায়গায় অগ্নিসংযোগ, হামলা, ভাঙচুর ও রাজনৈতিক সংঘর্ষের অভিযোগ উঠছে। বিজেপির দাবি, তৃণমূল কর্মীরাই এই হামলার সঙ্গে যুক্ত। অন্যদিকে তৃণমূল অভিযোগ করেছে, বিজেপিই অশান্তির পরিবেশ তৈরি করছে।

Advertisement

এই রাজনৈতিক পাল্টাপাল্টির মাঝেই চন্দ্রনাথ রথের মৃত্যু নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে, পশ্চিমবঙ্গ কি এখনও ভোট-পরবর্তী হিংসার চক্র থেকে বেরোতে পারেনি?

Read more!
Advertisement
Advertisement