Advertisement

Manish Shukla Murder Case: চন্দ্রনাথের খুন মনে পড়াচ্ছে সেই মণীশ হত্যাকাণ্ড, কী হয়েছিল ২০২০ সালে?

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন। এই ঘটনা মনে করাচ্ছে অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনা। অর্জুন সিংয়ের 'ডান হাত' বলা হত তাঁকে। তিনিও ঠিক একইভাবে খুন হন। যারা খুন করেন তারা গ্রেফতার হলেও কার অঙ্গুলিহেলনে এই খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। 

মণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ডমণীশ শুক্লা হত্যাকাণ্ড
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 07 May 2026,
  • अपडेटेड 11:19 AM IST

শুভেন্দু অধিকারীর আপ্ত সহায়ক চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন। এই ঘটনা মনে করাচ্ছে অর্জুন সিং ঘনিষ্ঠ টিটাগড়ের বিজেপি নেতা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনা। অর্জুন সিংয়ের 'ডান হাত' বলা হত তাঁকে। তিনিও ঠিক একইভাবে খুন হন। যারা খুন করেন তারা গ্রেফতার হলেও কার অঙ্গুলিহেলনে এই খুন তা নিয়ে ধোঁয়াশাই রয়ে গেছে। 

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর প্রথম সপ্তাহের রবিবার, ভরসন্ধেবেলা টিটাগড়ে বিটি রোডের উপর প্রকাশ্য রাস্তায় দুষ্কৃতীদের গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান এই তরুণ জনপ্রিয় বিজেপি নেতা তথা টিটাগড় পুরসভার তৎকালীন কাউন্সিলর মণীশ শুক্লা। পরিকল্পনামাফিক শার্প শুটারদের কাজে লাগিয়ে এই খুন করানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় তোলপাড় হয়ে যায় ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল। 

রাজনৈতিক প্রতিশোধেই খুন বলে দাবি করা হয়। রাজ্য সরকার মণীশ খুনের তদন্ত তুলে দেওয়া হয় সিআইডির হাতে। তদন্ত শুরু করে এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বেশ কয়েকজনের হদিশ পান সিআইডি আধিকারিকরা। গ্রেফতারও করা হয় কয়েকজনকে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে কল্যাণী এক্সপ্রেসওয়ের হাট থেকে গ্রেফতার করা হয় নাসির আলি মণ্ডল নামে এক ব্যক্তিকে। পুরো ঘটনার ব্লু প্রিন্ট তৈরি করেছিল নাসির আলি। ঘটনার পর থেকে সে বাংলাদেশ পালিয়ে গিয়েছিল বলে অভিযোগ। পরে ভারতে ফিরলে সিআইডির জালে ধরা পড়ে নাসির।

ঘটনায় তৎকালীন তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষকে ‘মূল চক্রী’ বলে অভিহিত করছিলেন ব্যারাকপুরের তৎকালীন বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং। তিনি ব্যারাকপুরের তৎকালীন বিধায়ক শীলভদ্র দত্তের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছিলেন। 

প্রথমে এই ঘটনায় গ্রেফতার করা হয় মহম্মদ খুররম খান ও গুলাব শেখ নামে দুই ব্যক্তিকে। এই খুররমের সঙ্গে ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে মণীশকে খুন হতে হয় বলে প্রাথমিক অনুমান ছিল। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বোঝা যায়, ব্যক্তিগত শত্রুতাকেই রাজনৈতিকভাবে কাজে লাগিয়ে গোটা পরিকল্পনা করা হয়েছিল।

কে ছিলেন মণীশ শুক্লা?
ব্যারাকপুর বিজেপির বড় মুখ হয়ে উঠেছিলেন মণীশ। খুব প্রভাবশালী ছিলেন। খড়দহের বাসিন্দা ছিলেন তিনি। সিপিএম-তৃণমূল ঘুরে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। তড়িৎ বরণ তোপদারের হাত ধরে রাজনীতিতে তাঁর হাতে খড়ি। ব্যারাকপুর রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ কলেজের ছাত্র সংসদের নির্বাচনে যুবনেতা হিসাবে পরিচিতি হয় মণীশের। এরপরই, তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নেতা হিসাবে ব্যারাকপুরে পরিচিত ছিলেন। পরে ভাটপাড়ার তখনকার বিধায়ক অর্জুন সিংয়ের ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠেন। ২০২০ সালের ৪ অক্টোবর রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ টিটাগড় থানার কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন মণীশ শুক্লা। বাইকে এসে চার দুষ্কৃতী খুব কাছ থেকে একের পর এক গুলিতে ঝাঁঝরা করে দেয় মণীশের শরীর। বাইপাসের ধারে এক বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকেরা। 

Advertisement

Read more!
Advertisement
Advertisement