Advertisement

Honeymoon Horror: 'মুডটাই নষ্ট করে দিলে,' হানিমুনে পিরিয়ড হয়েছে শুনে স্ত্রীকে অমানবিক অত্যাচার স্বামীর

হানিমুনে নতুন বউয়ের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে চেয়েছিল স্বামী। কিন্তু স্ত্রী রজঃস্বলা হওয়ায় মেজাজ বিগড়ে যায় তার। ফলস্বরূপ স্ত্রীকে চরম হেনস্থা ও শারীরিক নির্যাতন করে, গলা টিপে ধরে স্বামী। পুলিশের দ্বারস্থ স্ত্রী। অভিযোগ দায়ের স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 17 Aug 2026,
  • अपडेटेड 10:39 AM IST
  • হানিমুনে নতুন বউয়ের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে চেয়েছিল স্বামী
  • স্ত্রী রজঃস্বলা হওয়ায় মেজাজ বিগড়ে যায় তার
  • ফলস্বরূপ স্ত্রীকে চরম হেনস্থা ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ

বিয়ের পর হানিমুনে নতুন বউয়ের সঙ্গে একান্তে সময় কাটাতে চেয়েছিল স্বামী। কিন্তু স্ত্রী রজঃস্বলা হওয়ায় মেজাজ বিগড়ে যায় তার। ফলস্বরূপ স্ত্রীকে চরম হেনস্থা ও শারীরিক নির্যাতন করে, গলা টিপে ধরে স্বামী। উত্তরপ্রদেশের গোরক্ষপুরের বাসিন্দা ওই নির্যাতিতার স্বামীর বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ। ইতিমধ্যেই পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে FIR-ও দায়ের করেছে পুলিশ। 

জানা গিয়েছে, বিয়ের পর আন্দামান-নিকোবরে হানিমুনে গিয়েছিলেন ওই নবদম্পতি। কিন্তু সেখানে গিয়েই মহিলা দেখেন তাঁর পিরিয়ড হয়েছে। দিল্লি নিবাসী তাঁর স্বামী, নিখিল মিশ্র এটা জানতে পেরেই কষিয়ে চড় মারেন তাঁকে। অভিযোগ, এরপর লাথি-ঘুঁসি চলতে থাকে। এমনকী, গলায় ফাঁস লাগিয়ে দমবন্ধ করে দেন স্ত্রীর। 

অভিযোগকারী নির্যাতিতার বক্তব্য, হোটেলের ঘরে এমন অত্যাচার শিকার হয়েছেন তিনি। স্বামী মারধর শুরু করায় চিৎকার করতে থাকেন তিনি। তাঁর আওয়াজ শুনতে পেয়ে হোটেলের কর্মীরা তাঁকে উদ্ধার করেন। 

জানা গিয়েছে, ৩০ মেয়ে নিখিলের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়েছিল বলে অভিযোগপত্রে জানিয়েছেন ওই মহিলা। বিয়ের আগে থেকেই শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাঁদের জানিয়েছিলেন, কনের বাড়ি থেকে যা কিছু দেওয়া হবে যেন ব্র্যান্ডড দেওয়া হয়। তাঁর বাবা ২০ লক্ষ টাকা নগদ, একটি গাড়ি এবং অন্যান্য জিনিসপত্র মিলিয়ে ৪০ লক্ষের পণ দিয়েছিলেন বলেও জানান মহিলা। তা সত্ত্বেও পণের জিনিস নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে খোঁচা দেওয়া হতো। 

বিয়ের একমাস পর ৪ জুলাই আন্দামান-নিকোবরে হানিমুনে গিয়েছিলেন তাঁরা। সেই ট্যুরে তাঁর অসম্ভব তলপেটে ব্যথা শুরু হয়। তারপরই তিনি জানতে পারেন, রজঃস্বলা হয়েছেন। মহিলার অভিযোগ, স্বামী তা জানতে পেরেই চূড়ান্ত রাগারাগি করেন। কেন স্ত্রীর তাঁর মুড নষ্ট করেছেন, তা নিয়ে হেনস্থা শুরু করেন। এমনকী, মহিলার বাবাকে ফোন করে মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার কথাও বলেন নিখিল। 

হানিমুন থেকে ফিরে গোটা ঘটনা নিজের শাশুড়ি ও ননদকে জানান মহিলা। তাঁরা সহানুভূতির বদলে আরও মানসিক নির্যাতন শুরু করেন বলে অভিযোগ। গোটা ঘটনা নিয়ে মহিলার বাবা দিল্লিতে তাঁর শ্বশুরবাড়িতে গিয়ে মিটিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করলে তাঁকেও বের করে দেওয়া হয়। 

Advertisement

একাধিকবার পুলিশের দ্বারস্থ হওয়া সত্ত্বেও তাঁর শ্বশুরবাড়ির লোকেদের বিরুদ্ধে পুলিশ কোনও ব্যবস্থা নেয়নি বলে অভিযোগ নির্যাতিতার। এরপর গোরক্ষপুরের সিনিয়র সুপারিন্টেন্ডেন্ট ড. কৌস্তুভের হস্তক্ষেপ FIR দায়ের হয়েছে স্বামী, শাশুড়ি ও ননদের বিরুদ্ধে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement