Advertisement

Punjab birthday girl death: অনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল, জন্মদিনে সেই কেক খেয়েই মৃত্যু ১০ বছরের মেয়ের

পাঞ্জাব থেকে একটি চমকপ্রদ ঘটনা সামনে এসেছে। পাতিয়ালায় বসবাসকারী একটি পরিবারের দাবি, জন্মদিনের কেক খেয়ে তাদের ১০ বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এই কেকটি অনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল।

অনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল, জন্মদিনে সেই কেক খেয়েই মৃত্যু ১০ বছরের মেয়েরঅনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল, জন্মদিনে সেই কেক খেয়েই মৃত্যু ১০ বছরের মেয়ের
Aajtak Bangla
  • পাতিয়ালা,
  • 31 Mar 2024,
  • अपडेटेड 8:05 AM IST
  • মেয়েটির নাম মানবী
  • রিবারের বয়ানের ভিত্তিতে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে পুলিশ

পাঞ্জাব থেকে একটি চমকপ্রদ ঘটনা সামনে এসেছে। পাতিয়ালায় বসবাসকারী একটি পরিবারের দাবি, জন্মদিনের কেক খেয়ে তাদের ১০ বছরের মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। এই কেকটি অনলাইনে অর্ডার করা হয়েছিল। তার মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে তোলা একটি ভিডিওও সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়েছে, যাতে মেয়েটিকে তার জন্মদিন উদযাপন করার সময় খুব খুশি দেখাচ্ছে। ভিডিওতে মেয়েটিকে সুস্থই দেখাচ্ছে। তার পরিবার বলছে, কেক খাওয়ার পর তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়, কয়েক ঘণ্টা পর তার শরীর ঠান্ডা হয়ে যায়, যখন তারা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়, তারা জানতে পারে মেয়েটি আর বেঁচে নেই। এ ক্ষেত্রে পুলিশ বলছে, কেক কোথা থেকে এসেছে তা তদন্ত করে দেখা হবে। এছাড়াও মেয়েটির দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।

মেয়েটির নাম মানবী বলে জানা গেছে। পরিবারের বয়ানের ভিত্তিতে এফআইআর নথিভুক্ত করেছে পুলিশ। পুলিশ অফিসার সুরিন্দর সিং বলেছেন যে কেকটি কোথা থেকে এসেছে তা এখনও তদন্ত করা হচ্ছে। এর পরই পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

একটি ভিডিওতে মেয়েটির দাদু বলছেন, 'অনলাইনে কেক অর্ডার করেছিলাম। সন্ধে ৬টায় অর্ডার করা কেক ৬টা ১৫তে চলে আসে। ৭টা ১৫ নাগাদ কেক কাটা হয়। তা খেয়ে বাড়ির সবার স্বাস্থ্যের অবনতি হয়। মাথা ঘুরছিল। দুটি ছোট মেয়ের মধ্যে একজনের বয়স ছিল ১০ বছর, যার জন্মদিন ছিল, তার নাম মানবী। ছোটটির বয়স ৮ বছর। দুজনেরই বমি হয়।'

তিনি আরও বলেন, 'মানবীর মুখ দিয়ে দুবার ফেনা বের হলো। আমরা ভেবেছিলাম এটা সামান্য বমি। এর পর ঠিক হয়ে যাবে। তারপর সে ঘুমিয়ে গেল। এরপর সে উঠে জল চেয়েছিল। বলেছিল যে তার গলা শুকিয়ে যাচ্ছে। খুব পিপাসা লাগছে। তারপর সে ঘুমিয়ে গেল। ভোর ৪টার দিকে আমরা দেখি সে ঠান্ডা হয়ে শুয়ে আছে। আমরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। অক্সিজেন দেন চিকিৎসকরা, ইসিজিও করা হয়। পরে ডাক্তাররা জানান যে সে মারা গিয়েছে। এফআইআর করা হয়েছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে হাসপাতালে মেয়েটিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।'

Advertisement

স্বাস্থ্য দফতরের পক্ষ থেকে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। মেয়েটির দাদু স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর থেকে অনলাইনে অর্ডার করা খাবার নিয়ে মানুষের উদ্বেগ বেড়েছে।

Read more!
Advertisement
Advertisement