
রাখি আসছে। তার ঠিক আগেই ধরা পড়ল মশা-মাছি বসা রসোগোল্লা। নষ্ট করা হল ১০০ কেজি মিষ্টি। ঘটনা উত্তরপ্রদেশের সরফাবাদের। যতদূর খবর, ভেজাল ও দূষিত খাবার বিক্রি রুখতে গৌতম বুদ্ধ নগরজুড়ে তল্লাশি জোরদার করেছে ফুড সেফটি এবং ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন দফতর। চলতি অভিযানে পনির, খোয়া এবং রসগোল্লার মোট সাতটি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে।
এছাড়াও সেক্টর ৭২-এর সরফাবাদে একটি রসগোল্লা তৈরির কারখানায় কন্টামিনেটেড অবস্থায় পাওয়া যায় প্রায় ১০০ কেজি রসগোল্লা। সেগুলিকে নষ্ট করে দিয়েছেন আধিকারিকরা। পরিদর্শনের সময় ওই মিষ্টির উপর মাছি ও মশা বসে থাকতে দেখা যায় বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
বিষয়টা নিয়ে মুখ খুলেছেন অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার ফুড-২ সর্বেশ মিশ্র। তিনি জানান, উত্তরপ্রদেশের ফুড সেফটি এবং ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন কমিশনার এবং জেলাশাসকের নির্দেশে এই অভিযান চালানো হয়েছে।
ওদিকে ২৩ অগস্ট রাতে ফুড সেফটি অফিসারদের একটি দল জেওয়ার টোল প্লাজায় গাড়িতে তল্লাশি চালায়। সেখানে আলিগড়ের পিসাওয়া জলালপুরের চৌধুরী ডেয়ারি থেকে একটি পনিরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওই পনির দিল্লিতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল।
এছাড়া মথুরার বাজনার ভীমসেন ডেয়ারি থেকে আরও দু’টি পনিরের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। ওই পনিরও দিল্লি এনসিআর এলাকায় সরবরাহের জন্য নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল বলে জানা গিয়েছে।
২৪ অগাস্ট অমর বাহাদুর সরোজের নেতৃত্বাধীন একটি দল সেক্টর ১৩৪-এর বিএস বিকানের সুইটস থেকে নমুনা সংগ্রহ করে। অন্য একটি ফুড সেফটি অফিসারদের দল ইকোটেক-২-এর প্লট নম্বর ৬৬-তে শাগুন সুইটসের উৎপাদন ইউনিটে অভিযান চালিয়ে খোয়ার নমুনা সংগ্রহ করে।
এই সময়ই ফুড সেফটি অফিসাররা সেক্টর ৭২-এর সরফাবাদে একটি রসগোল্লা তৈরির কারখানা পরিদর্শন করেন। সেখান থেকে রসগোল্লার একটি নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। এছাড়া পরিদর্শনের সময় প্রায় ১০০ কেজি রসগোল্লা কন্টামিনেটেড অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। মিষ্টির উপর মাছি ও মশাও ছিল। এরপর খাদ্য সুরক্ষা দফতরের দল কঠোর পদক্ষেপ নেয়। তারা সমস্ত রসগোল্লা নষ্ট করে দেয়।
সর্বেশ মিশ্র জানান, সংগ্রহ করা সাতটি নমুনাই পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। রাখি উৎসবকে সামনে রেখে এই অভিযান আগামী দিনগুলিতেও চলবে। বিভিন্ন খাবারের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করা হবে। তারা চাইছেন যাতে ক্রেতারা ভাল মানের নিরাপদ ও গুণমানসম্পন্ন খাবার কিনতে পারে।