Advertisement

Bihar Boat Capsize: একই পরিবারের ১৩ শিশুর মৃত্যু, মায়েদের বুকফাটা কান্নায় গোটা পাড়া যেন 'শ্মশান'!

বিহারের বৈশালী জেলার রাঘোপুরে গঙ্গায় নদীতে ভয়ঙ্কর নৌকা দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। ১৩ জনই একই পরিবারের সন্তান বলে খবর। দুর্ঘটনাস্থলে শোকে বিহ্বল মায়েদের কান্নার দৃশ্য অত্যন্ত হৃদয়বিদারক।

বিহারে নৌকাডুবিবিহারে নৌকাডুবি
Aajtak Bangla
  • বিহার,
  • 14 Oct 2026,
  • अपडेटेड 1:25 PM IST
  • বিহারের বৈশালীতে মাঝগঙ্গায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা
  • নৌকাডুবিতে মৃত্যু ১৪ জনের
  • ১৩ জনই একই পরিবারের সন্তান

বিহারের বৈশালী জেলার রাঘোপুরে গঙ্গায় নদীতে ভয়ঙ্কর নৌকা দুর্ঘটনা। এই ঘটনায় ১৪ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে। তাদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু এবং নাবালক। ১৩ জনই একই পরিবারের বলে খবর। জানা গিয়েছে, নৌকাটিতে ১৫ থেকে ২০ জন যাত্রী ছিলেন। একটি নিকটবর্তী গ্রামে নিমন্ত্রণ বাড়িতে যাচ্ছিলেন তারা। হঠাৎ রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ মাঝগঙ্গায় নৌকাটি উল্টে যায়। 

খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছ‌োয় পুলিশ ও বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। এখনও অনেকে নিখোঁজ। তাঁদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। স্থানীয় গ্রামবাসীরাও প্রশাসনের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে। 

সবচেয়ে মর্মান্তিক দৃশ্য, দুর্ঘটনাস্থলে শিশুদের মরদেহের সামনে মায়েদের বুকফাটা কান্না। সন্তানহারা মায়েরা কখনও আর্তনাদ করছেন, কখনও বুক চাপড়াচ্ছেন আবার কেউ কেউ জেলাশাসক বর্ষা সিংকে আঁকড়ে ধরেই কান্নায় ভেঙে পড়েছেন। এই দৃশ্য দেখে চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি উপস্থিত কেউই। একই পরিবারের ১৩ সন্তানের মৃত্যুতে গোটা পাড়া শ্মশানে পরিণত হয়েছে। সন্তানদের হারিয়ে যেন এক লহমায় তাঁদের সমস্ত আশা-আকাঙ্খা, স্বপ্ন চুড়মার হয়ে গিয়েছে।

দুর্ঘটনার পর বিহারের মুখ্যমন্ত্রী সম্রাট চৌধরী নিহতদের পরিবারকে ৪ লক্ষ টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। তিনি বলেন, 'বৈশালীর রাঘোপুরে দুর্ঘটনায় নিষ্পাপ প্রাণ হারানোর খবরটি দুঃখজনক। এই কঠিন সময়ে শোকার্ত পরিবারগুলির প্রতি আমার গভীর সমবেদনা রইল। ঈশ্বর প্রয়াত আত্মাদের শান্তি দিন এবং পরিবারগুলিকে এই দুঃখ সহ্য করার শক্তি দিন।'

RJD নেতা এবং রাঘোপুরের বিধায়ক তেজস্বী যাদব এক্স হ্যান্ডলে লেখেন, 'আমরা রাঘোপুর দিয়ারা এলাকার একটি নৌকাডুবির দুর্ভাগ্যজনক ঘটনার খবর পেয়েছি। যাঁরা ডুবে গিয়েছেন তাঁদের মধ্যে অধিকাংশই শিশু। ঈশ্বর সবাইকে নিরাপদ রাখুন। স্থানীয় মানুষ, প্রশাসন এবং কর্মীদের সঙ্গে আলোচনার পর ক্রাণ, উদ্ধার ও চিকিৎসা কার্যক্রম দ্রুত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।'

প্রাথমিক তদন্তের পর জানা গিয়েছে, ওই নৌকায় একটি ছিদ্র ছিল। ওই ছিদ্র দিয়েই হু হু করে জল ঢুকে নৌকা উল্লে দেয় বলে মনে করা হচ্ছে। 

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement