
প্রথমদিনের গ্রান্ড সাফল্যের পর আজ শুরু হচ্ছে ব্রিকসের দ্বিতীয় দিন। ইতিমধ্যেই নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে পৌঁছতে শুরু করেছেন বিভিন্ন রাষ্ট্রনেতা ও সরকারি প্রধানেরা। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই শুরু হবে দ্বিতীয় দিনের অনুষ্ঠান। এদিন ৭টি দেশের প্রধান বা সরকারি প্রধানদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন PM মোদী। তবে তার আগে রয়েছে ফটো সেশন থেকে শুরু করে অতিথি নেতাদের বক্তব্য পেশের মতো অনুষ্ঠানও।
এদিন কাজাখস্তান, ফিলিপিন্স, মিশরীয় প্রেসিডেন্ট, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট, বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট, নাইজেরিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্ট ও উগান্ডার ভাইস-প্রেসিডেন্টের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন নমো।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের নানা ছবি এখন গোটা বিশ্বের সামনে রয়েছে। পরিবর্তনশীল বিশ্বে ভারতের ক্রমবর্ধমান মর্যাদার কথা তুলে ধরেছে এই ছবিগুলি। পুতিন ও জিনপিংয়ের সঙ্গে PM মোদীর ছবি থেকে শুরু করে রাষ্ট্র নেতাদের ভারতের প্রশংসা, প্রতিটি ফ্রেমেই গোটা বিশ্ব দেখছে ভারতের বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর ও ক্রমবর্ধমান প্রভাব।
চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং-এর পর রাশিয়ান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনও দিল্লি থেকে রওনা হলেন। ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে এসেছিলেন দিল্লি।
ব্রিকসের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, "ভারতীয় সভ্যতায় প্রকৃতিকে মায়ের মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। শত শত বছর ধরে আমরা বিশ্বাস করে এসেছি যে, উন্নয়ন এবং পরিবেশ একে অপরের বিকল্প নয়, বরং পরিপূরক। ব্রিকস-এও আমরা মানব উন্নয়ন এবং পরিবেশের মধ্যে ভারসাম্যের ওপর জোর দিয়েছি। এটাই স্থায়িত্বের ভিত্তি এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রতি আমাদের দায়িত্ব।"
ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী জানান, বিশ্বে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য ও ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মহামারী, জলবায়ু বিপর্যয় এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাত প্রমাণ করেছে যে আজকের এই আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে কোনও সঙ্কটই একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই, আমরা ব্রিকসের মধ্যে স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছি।
ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছে, বিশ্বে উত্তেজনা ক্রমাগত বাড়ছে, যা সাধারণ মানুষের জীবনে উল্লেখযোগ্য ও ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। মহামারি, জলবায়ু বিপর্যয় এবং সরবরাহ শৃঙ্খলের ব্যাঘাত প্রমাণ করেছে যে আজকের এই আন্তঃসংযুক্ত বিশ্বে কোনও সঙ্কটই একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকে না। তাই, আমরা ব্রিকসের মধ্যে স্থিতিস্থাপকতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দিয়েছি।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে বিশ্ব নেতাদের সঙ্গে ছবি তুললেন।
ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলন ২০২৬-এর দ্বিতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়াদিল্লির ভারত মণ্ডপমে কাজাখস্তানের রাষ্ট্রপতি কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভ, ফিলিপিন্সের রাষ্ট্রপতি ফার্দিনান্দ আর. মার্কোস, বুরুন্ডির রাষ্ট্রপতি এভারিস্ট এনদায়িশিমিয়ে এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে স্বাগত জানান।
দুপুর ২:৩০: কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কাসিম-জোমার্ট তোকায়েভের সঙ্গে বৈঠক।
বিকাল ৩:০০: ফিলিপিন্সের প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ আর. মার্কোস জুনিয়রের সঙ্গে বৈঠক।
বিকাল ৩:৩০: মিশরীয় প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সঙ্গে বৈঠক।
বিকাল ৪:১০: দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট মাতামেলা সিরিল রামাফোসার সঙ্গে বৈঠক।
বিকাল ৪.৪০: বুরুন্ডির প্রেসিডেন্ট এভারিস্টে এনদাইশিমিয়ের সাথে বৈঠক।
বিকাল ৫:১০: নাইজেরিয়ার ভাইস-প্রেসিডেন্ট সিনেটর কাশিম শেত্তিমার সঙ্গে বৈঠক।
বিকাল ৫:৪০: উগান্ডার ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেসিকা আলুপোর সঙ্গে বৈঠক।
ব্রিকস সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে সকাল ৯টা ৫৫ নাগাদ দিল্লির ভারত মণ্ডপমে এলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ সাত দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে নমোর।