Advertisement

Who is Abhijeet Dipke: 2029 সালে বিজেপির হারের ভবিষ্যদ্বাণী করা দীপকের আসল পরিচয় কী? কোন দল করতেন

সরকারের বিরুদ্ধে ভারতের আন্দোলনের মুখ এখন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আগামী লোকসভায় সরকার বদলের ভবিষদ্বাণী করেছেন।

অভিজিৎ দীপকে।অভিজিৎ দীপকে।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 08 Nov 2026,
  • अपडेटेड 11:57 PM IST
  • অভিজিৎ দীপকে এখন আন্দোলনের অন্যতম মুখ।
  • জানুন দীপকের পরিচয়।

আগামী লোকসভা ভোট, মানে ২০২৯ সালে হারবে বিজেপি। শনিবার এমন ভবিষ্যদ্বাণী করেছেন সিজেপি প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। নিট পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের ঘটনায় তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে আন্দোলন থেকে দীপকের পরিচিতি। এবার তাঁর নিশানায় মুখ্য নির্বাচন কমিশার জ্ঞানেশ কুমার। এবার জানব, দীপকে কীভাবে ককরোচ জনতা পার্টি গঠন করলেন? তাঁর পড়াশুনোই বা কত দূর?

অভিজিৎ দীপকে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) প্রতিষ্ঠাতা। তরুণদের নেতৃত্বে গড়ে ওঠা এই আন্দোলনের সূত্রপাত অবশ্য নিছকই নেটমাধ্যমের ব্যঙ্গ থেকে। ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত এক বার দেশের তরুণদের 'আরশোলা' বলে মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ। তার প্রতিবাদেই ইনস্টাগ্রামে একটি অ্যাকাউন্ট খোলেন দীপকে। এক সপ্তাহের মধ্যেই সেই পেজের অনুগামীর সংখ্যা কয়েক লক্ষে পৌঁছে যায়। বয়স মাত্র ৩০।

জন্মস্থান ও শৈশব

মহারাষ্ট্রের ঔরঙ্গাবাদে দলিত পরিবারে জন্ম অভিজিৎ দীপকের। এখন নাম ছত্রপতি সম্ভাজিনগর। নিজের পারিবারিক অবস্থাকে সাধারণ বলেই বর্ণনা করেছেন দীপকে। তাঁর ঠাকুরদা ছিলেন কৃষক। দীপকের বাবা-মা এখনও ছত্রপতি সম্ভাজিনগরেই থাকেন। ছেলের জন্য গর্বিত তাঁরা।

শিক্ষাগত যোগ্যতা

পুণের তিলক মহারাষ্ট্র বিদ্যাপীঠে সাংবাদিকতা নিয়ে পড়াশোনা করেন দীপকে। ২০২৩ সালে জনসংযোগ বিষয়ে স্নাতকোত্তর পড়াশোনার জন্য আমেরিকার বস্টনে যান। বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজ অফ কমিউনিকেশন থেকে জনসংযোগে 'মাস্টার অফ সায়েন্স' ডিগ্রি অর্জন করেছেন বলে দাবি তাঁর। যদিও বস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার দাবির পক্ষে এখনও পর্যন্ত কোনও অকাট্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে কয়েকটি প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। যদিও নিজের ডিগ্রি দেখাতে তিনি রাজি বলে জানিয়েছেন দীপকে। তাঁর বিদেশে পড়াশোনার খরচ কীভাবে জোগাড় হয়েছিল, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কও। দীপকের দাবি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বৃত্তি এবং শিক্ষা ঋণের মাধ্যমে পড়াশোনার খরচ মিটিয়েছেন। সেই ঋণ এখনও শোধ করছেন।

দীপকের রাজনৈতিক জীবন

ককরোচ জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠার আগেও রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন দীপকে। ২০২০ সালে আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়ার সঙ্গে কাজ করেন। মিমের মাধ্যমে রাজনৈতিক বার্তা পৌঁছে দেওয়ার একটি নিজস্ব ধরন তৈরি করেছিলেন। আপের সঙ্গে তাঁর ভূমিকা নিয়ে অবশ্য বিভিন্ন প্রতিবেদনে ভিন্ন ভিন্ন দাবি করা হয়েছে। কোথাও বলা হয়েছে, দলের নেটমাধ্যম ও নির্বাচনী প্রচার দলের সদস্য ছিলেন। আবার কোথাও তাঁকে শুধুমাত্র স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২০২৩ সাল পর্যন্ত আপের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ ছিল বলে দাবি।

Advertisement

ককরোচ জনতা পার্টির জন্ম

নেটমাধ্যমে একটি পোস্ট থেকেই এই আন্দোলনের সূত্রপাত। দীপকে লিখেছিলেন,'সব আরশোলা যদি একজোট হয়, তা হলে কী হবে'? বেকার তরুণদের সঙ্গে আরশোলার তুলনা করে বিচারপতি সূর্য কান্ত যে মন্তব্য করেছিলেন বলে অভিযোগ, তার পরেই ওই পোস্ট করেন তিনি।
 

Read more!
Advertisement
Advertisement