Advertisement

Abhijeet Dipke Political Career: অভিজিৎ দীপকে CJP-এর আগে কোন পার্টি করতেন, উত্থান কীভাবে? বিস্তারিত

সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বর্তমানে লাইলাইটের কেন্দ্রে রয়েছেন। তাঁকে নিয়ে মানুষের মনে হাজার জিজ্ঞাসা। কে তিনি? শিক্ষাগত যোগ্যতা কী? সিজেপি তৈরির আগে কোন দল করতেন? সব প্রশ্নের উত্তর রইল।

অভিজিৎ দীপকের পলিটিক্যাল কেরিয়ার, পড়াশোনা ও কাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাঅভিজিৎ দীপকের পলিটিক্যাল কেরিয়ার, পড়াশোনা ও কাজ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 17 Oct 2026,
  • अपडेटेड 12:24 PM IST
  • বর্তমানে লাইলাইটের কেন্দ্রে রয়েছেন সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে
  • সিজেপি তৈরির আগে কোন দল করতেন?
  • কে তিনি? শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?

এই মুহূর্তে দেশের রাজনীতির অন্যতম চর্চার মুখ অভিজিৎ দীপকে। তিনি সিজেপি বা ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা। বর্তমানে তিনি ও তাঁর দল এসআইআর বা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা চাইছেন। এই পরিস্থিতিতে দীপকেকে আটক ও গ্রেফতার পর্যন্ত করা হয়েছে। যার ফলে সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা নিয়ে মানুষের মনে আগ্রহ বাড়ছে। বিশেষত তাঁর রাজনৈতিক উত্থানই রয়েছে চর্চার কেন্দ্রে। অনেকেই জানতে চাইছেন, অভিজিৎ দীপকে আসলে কে? সিজেপি প্রতিষ্ঠার আগে তিনি ঠিক কোন দল করতেন? তাঁর রাজনৈতিক উত্থান হল কীভাবে? পড়াশোনা কতদূর? কী কাজ করতেন? আর এই সব বিষয়ে বিশদে আলোচনা হল। 

অভিজিৎ দীপকে কে?
রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, আজকের অভিজিৎ সারা দেশের দীপকে হতে পেরেছেন তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার দৌলতেই। ১৯৯৬ সালে মহারাষ্ট্রে তাঁর জন্ম। জীবনের শুরুতে মারাঠি মাধ্যমের স্কুলে পড়াশোনা করেন। দশম শ্রেণি পর্যন্ত সেখানে চলে পড়াশোনা। যদিও উচ্চমাধ্যমিকে ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলে ভর্তি হন। 

সিজেপির ওয়েবসাইট বলছে, ক্লাস ১২-এ ৯২ শতাংশ নম্বর পেয়েছিলেন দীপকে। তাঁর সাবজেক্ট ছিল সায়েন্স। সাবজেক্টের মধ্যে ছিল পদার্থবিদ্যা, রসায়ন এবং অঙ্ক। এরপর ইঞ্জিনিয়ারিং নিয়ে পড়াশোনা শুরু করেন। ঔরঙ্গাবাদের গভর্নমেন্ট কলেজ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং পড়েন। ২০১৮ সালে গ্র্যাজুয়েট হন। 

জানা যায়, কলেজে তিনি বেশ অ্যাক্টিভ ছিলেন। বিভিন্ন বিতর্ক এবং প্রতিযোগিতায় অংশ নিতেন। এমনকী ছাত্র সংসদের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডেও জড়িয়ে যেতেন। এই সময় টিয়ার-২ ইঞ্জিনিয়ার নামে একটি ব্লগও লিখতেন। সেই ব্লকে আইআইটি এবং এনআইটির বাইরে থাকা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ুয়াদের নানা সমস্যার কথা তুলে ধরতেন। 

গ্র্যাজুয়েশন করার পর অন্যান্য অনেকের মতোই চাকরি শুরু করেন দীপকে। তিনি পুণের দু'টি স্টার্টআপ সংস্থায় ব্যাকঅ্যান্ড ডেভেলপার হিসাবে কাজ করেন। এই দুই কোম্পানিতে প্রায় ৪ বছর কাজ করেছেন তিনি।

বোস্টন উড়ান
৪ বছর চাকরি করার পর নতুন করে পড়াশোনা শুরু হয়ে যায় দীপকের। তিনি ২০২৩ সালে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্রেডেরিক এস পার্ডি স্কুল অফ গ্লোবাল স্টাডিজে ভর্তির হন। সেখানে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে পড়াশোনা করেন। এই সময় দক্ষিণ এশিয়ার রাজনৈতিক অর্থনীতি তাঁর পড়াশোনার অন্যতম বিষয় ছিল। 

Advertisement

কোন রাজনৈতিক দলে যুক্ত ছিলেন?
সিজেপির আগেও রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন দীপকে। তিনি ২০২০ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত আম আদমি পার্টি (আপ)-এর সোশ্যাল মিডিয়া টিমে ভলেন্টিয়ার হিসেবে কাজ করেছেন বলে জানা যায়।

জানলে অবাক হবেন, ২০২০ সালের দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনে তরুণ ভোটারদের জন্য মিমভিত্তিক ডিজিটাল প্রচার প্রক্রিয়াতেও তিনি যুক্ত ছিলেন। সে নির্বাচনে জয় লাভ করে আপ। 

কীভাবে রাজনৈতিক উত্থান? সিজেপি তৈরি হল কীভাবে? 
আম আদমি পার্টির সঙ্গে কাজ করার অভিজ্ঞতা ছিল দীপকের। সেই অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়েই তিনি ককরোচ জনতা পার্টি তৈরি করেন।

আসলে বেকার যুবকদের নিয়ে ভারতের প্রধান বিচারপতির একটি মন্তব্যকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়। তারপরই ২০২৬ সালের মে মাসে ককরোচ জনতা পার্টি প্রতিষ্ঠা করেন দীপকে। দ্রুত বাড়তে থাকে দলের ফলোয়ার সংখ্যা। এরপর নিট প্রশ্নফাঁস নিয়ে সিজেপি বিরাট আন্দোলন করে যন্তরমন্তরে। সেই আন্দোলনের জেরে ইস্তফা দিতে হয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে। এরপরই দীপকের দিকে আরও লাইমলাইট ধেয়ে আসে। 

বর্তমানে তিনি ও তাঁর দল সিজেপি দেশের মুখ্য নির্বাচন আধিকারিক জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফা চেয়ে লড়াই করছেন। ইতিমধ্যেই তাঁকে আটক ও গ্রেফতার করা হয়েছে। যদিও লড়াই যে থামবে না, সেটা স্পষ্ট করে দিয়েছেন অভিজিৎ দীপকে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement