
ককরোচ জনতা পার্টির যন্তর মন্তর ২.০ অভিযান ঘিরে আজ সারা দেশের নজর দিল্লির দিকে। সাতসকালে মুম্বই থেকে দিল্লির উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন CJP-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। সকাল সাড়ে ৮টা নাগাদই যন্তর মন্তরের উদ্দেশে রওনা দিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বেশ বিক্ষোভকারী। সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে আটক হওয়া ককরোচের সংখ্যা ১৫০ পেরিয়েছে। আশঙ্কা করা হচ্ছে দিল্লি নামলেই কি গ্রেফতার করা হবে অভিজিৎ দীপকেকেও?
বিষয়টি নিয়ে উত্তর দিয়েছেন খোদ CJP-র প্রতিষ্ঠাতাই। দিল্লি বিমানবন্দরে পৌঁছলে তাঁকে গ্রেফতার করা হবে কি না, এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “যদি ওরা আমাকে আটক করতে বা গ্রেফতার করতে চায়, তা হলে করুক। আমি তার জন্য প্রস্তুত। ওরা আমাকে গ্রেফতার করুক বা আটক করুক, আমার কিছু যায় আসে না। UAPA প্রয়োগ করুক, NSA প্রয়োগ করুক, যা ইচ্ছা করুক। কিন্তু অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে এবং এই দেশের গণতন্ত্রকে বাঁচাতে আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।”
এদিন মুম্বই থেকে দিল্লি আসার সময়ে দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও কেন্দ্রকে আরও একবার নিশানা করেছেন দীপকে। তিনি বলেন, "আমি অবাক হয়ে ভাবছি, এই দেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের যুবসমাজ এবং জনগণকে এত ভয় পান কেন? সমস্ত রেল পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার কী দরকার ছিল? সমস্ত মেট্রো চলাচল বন্ধ করার কী দরকার ছিল? ইন্টারনেট কানেকশন বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে সেনাবাহিনী এনে দিল্লিতে মোতায়েন করেছে। নকশাল-প্রভাবিত এলাকা থেকে সিআরপিএফ বাহিনীকে ডেকে এনে দিল্লিতে মোতায়েন করেছে। নরেন্দ্র মোদী এবং অমিত শাহ কি তাদের নিজেদের দেশের মানুষের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে চান?…"
একইসঙ্গে দীপকের সংযোজন, "প্রধানমন্ত্রী মোদী ভীত; তিনি আশঙ্কা করছেন যে এরপর এই দেশের মানুষ তাঁকে ভোট দেবে না। সেই কারণেই, শুধু ক্ষমতা আঁকড়ে থাকার জন্য, তারা ট্রেন থেকে লোক তুলে নিয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় ঘোষণা দিয়ে লোকজনকে বিক্ষোভে যোগ না দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হচ্ছে।"
সিজিপি প্রতিষ্ঠাতা অভিযোগ করে বলেন, "দিল্লি পুলিশ বাড়ি বাড়ি গিয়ে লোকজনকে বিক্ষোভে অংশ না নিতে বলছে। কিন্তু আমরা কেন অংশ নেব না? প্রতিবাদ করা আমাদের মৌলিক অধিকার। সংবিধানের ১৯ নং ধারা আমাদের গণতান্ত্রিক ও শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করার মৌলিক অধিকার দেয়, এবং আমরা ঠিক তাই করতে চাই।"