Advertisement

Abhijeet Dipke CJP: দিপাবলী পর্যন্ত আন্দোলন-বিক্ষোভ নয়, ঘোষণা CJP-র দীপকের; হঠাৎ কী হল 'ককরোচ'দের?

দীপাবলি পর্যন্ত কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করবে না ককরোচ জনতা পার্টি। বরং পরিবারকে সময় দেওয়ার পরামর্শ দিলেন অভিজিৎ দীপকে।

Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 20 Oct 2026,
  • अपडेटेड 4:23 PM IST
  • দীপাবলি পর্যন্ত কোনও প্রতিবাদ নয়
  • পরিবারকে সময় দেওয়ার পরামর্শ
  • বিশেষ ভিডিও বার্তা অভিজিৎ দীপকের

দীপাবলি পর্যন্ত কোনও প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করবে না ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। মঙ্গলবার এমনটাই ঘোষণা করলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। একইসঙ্গে উৎসবের মরশুমে সমর্থকদের পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোরও আবেদন জানিয়েছেন তিনি।

CJP সমর্থকদের ‘ককরোচ’ বলে সম্বোধন করেন অভিজিৎ। তাঁর বক্তব্য, আপাতত কয়েক দিনের জন্য আন্দোলন-বিক্ষোভ থেকে বিরতি নিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো উচিত সমর্থকদের। গত কয়েক দিনে যা ঘটেছে, তাতে তাঁদের পরিবারের সদস্যরা যথেষ্ট উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

একটি ভিডিও বার্তায় অভিজিৎ বলেন, 'এই মুহূর্তে আমি আপনাদের সকলকে, আমার সমস্ত ককরোচকে অনুরোধ করতে চাই, কয়েক দিন পরিবারের সঙ্গে সময় কাটান। উৎসব আসছে। গত কয়েক দিনে যা ঘটেছে, তার পর আপনাদের পরিবার নিশ্চয়ই খুব চিন্তিত।'

তিনি আরও বলেন, 'কয়েকদিন পরিবারের পাশে থাকতে হবে, প্রিয়জনদের সঙ্গে সময় কাটাতে হবে। অভিজিৎ জানান, তাঁর নিজের বাবা-মা এবং CJP-র অন্য দুই নেতা সৌরভ দাস ও আশুতোষ রানকার বাবা-মাও উদ্বিগ্ন।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে তীব্র অভিযোগও তুলেছেন CJP প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর দাবি, CJP নেতাদের জেলে আটকে রাখতে গোটা রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করছেন প্রধানমন্ত্রী।

জেলবন্দি দলের নেতাদের মনোবল নিয়েও বক্তব্য রাখেন অভিজিৎ। তিনি বলেন, 'সৌরভ দাস একসময় নিজেই মনে করতেন, একদিনও জেলে থাকতে পারবেন না। অথচ ৫ দিন পরেও তাঁকে হাসিমুখে আদালতে আসতে দেখা গিয়েছে। বিচারবিভাগীয় হেফাজতের মেয়াদ আরও বাড়ানোর কথা জানার পরেও তাঁর মধ্যে কোনও ভয় দেখা যায়নি।' এটাকেই শক্তি বলে উল্লেখ করেন CJP প্রতিষ্ঠাতা।

একইভাবে আশুতোষ রাঙ্কার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, 'পাঁচ দিন জেলে থাকার পর আদালতে হাজির হলেও তাঁর মুখে কোনও ভয় ছিল না। এটাও শক্তির পরিচয়।'

উল্লেখ্য, সোমবার, ১৯ অক্টোবর সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে আরও দু’দিনের জন্য বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়। দিল্লির মন্দির মার্গ থানায় নবনিযুক্ত স্পেশাল এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে তাঁদের পেশ করা হয়েছিল।

Advertisement

এর আগে ১৩ অক্টোবর দু’জনকে ৫ দিনের জন্য বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠানো হয়েছিল। অভিযোগ, তার আগের দিন যন্তর মন্তরকে নির্দিষ্ট প্রতিবাদস্থলের তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপরও তালাবন্ধ গেট টপকে সেখানে প্রবেশ করেন তাঁরা। অন্যান্য CJP কর্মীদের সঙ্গে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন করেন এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। পরে তাঁদের আটক করা হয়।

বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR)-এর প্রতিবাদে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে CJP এবং বিরোধী দলগুলির বিক্ষোভের ডাক ঘিরেই দিল্লিতে প্রশাসনিক কড়াকড়ি শুরু হয়েছিল। সেই পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতেই আপাতত দীপাবলি পর্যন্ত আন্দোলন থেকে বিরত থাকার সিদ্ধান্তের কথা জানালেন অভিজিৎ দীপকে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement