
এখনই পুরোদস্তুর রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করছে না ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)। প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বুধবার জানিয়েছেন, ভোট রাজনীতিতে না এসে তাঁর এই CJP বর্তমানে প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে।
মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে অভিজিৎ দিপকে বলেন, 'এই মুহূর্তে CJP প্রেশার গ্রুপ হিসেবে কাজ করবে। এটাই এখন ভারতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন।' দীর্ঘদিন ধরেই ককরোচ জনতা পার্টির পুরোদস্তুর রাজনৈতিক দল হিসেবে ভোটের ময়দানে পা রাখা নিয়ে জল্পনা চলছিল। সেই জল্পনারই জবাব দিলেন দিপকে।
NEET প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে সফল আন্দোলনের পর CJP-র ভবিষ্যৎ কী, তা নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠছিল। কৌতুহলও তৈরি হয়েছে অভিজিৎ দিপকেদের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে। সেই নিয়েই এদিন মহারাষ্ট্রের ছত্রপতি সম্ভাজিনগরে একটি কোর কমিটি বৈঠক বসে ককরোচদের। ভবিষ্যৎ রোডম্যাপ নিয়ে সেখানে আলোচনা করেন নেতৃত্ব। অনুমান করা হচ্ছিল, বৈঠক শেষে সাংবাদিক বৈঠক করে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার কথা ঘোষণা করতে পারেন দিপকে। তবে তেমনটা হয়নি।
অভিজিৎ দিপকে বলেন, 'যে সকল যুবক-যুবতী কিংবা সমাজের অন্যান্য স্তরের মানুষ আমাদের আন্দোলন সমর্থন করেছিলেন, তাঁদের ভরসা উঠে গিয়েছে রাজনৈতিক দল, বিচারব্যবস্থা এমকী নির্বাচন কমিশনের উপর থেকে। যখনই তাঁরা কোনও রাজনৈতিক দল বা নেতাকে সমর্থন করেছেন, তাঁরা অন্য দলে যোগ দিয়েছেন বা সেই দলই ভাঙানো হয়েছে। ফলত এই মুহূর্তে রাজনীতি নয় বৃহত্তর আন্দোলনের প্রয়োজন রয়েছে।'
জানা গিয়েছে, পরবর্তী বড় পদক্ষেপ করার আগে দেশ জুড়ে জেন জি সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন CJP নেতৃত্ব। CJP একটি অনলাইন প্ল্যাটফর্ম থেকে আন্দোলনের মধ্যে দিয়েই বর্তমানে বৃহত্তর কণ্ঠস্বরে পরিণত হয়েছে। সাম্প্রতিক অতীতে এত বড় আন্দোলন সংগঠনকারী প্ল্যাটফর্ম আর হয়নি। তবে আপাতত তাদের ভবিষ্যৎ স্পষ্ট। CJP জানিয়ে দিয়েছে, রাজনৈতিক মঞ্চ নয় ককরোচরা প্রেশার গ্রুপ হিসেবেই কাজ করবে আপাতত। সাংগঠনিক স্তরে সংস্কার, প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং যুব সম্প্রদায়ের স্বার্থে কাজ করবে।
একইসঙ্গে সৌরভ দাস জানিয়েছেন, সোনম ওয়াংচুককে মেন্টর হিসেবে সম্মান দিয়ে তাঁর থেকে যাবতীয় পরামর্শ নেবেন ককরোচরা।