Advertisement

Abhijeet Dipke: 'PM CARES ফান্ডের RTI করুন,' পড়াশোনার খরচ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই স্কলারশিপ দেখালেন দিপকে

অভিজিৎ দিপকের আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ বহন করল কে? কোথা থেকে এল ফান্ডিং? এই নিয়ে RTI হতেই ককরোচ জনতা পার্টি PM Cares ফান্ড নিয়ে RTI-এর দাবি জানাল। একইসঙ্গে নিজের স্কলারশিপ লেটারও দেখালেন অভিজিৎ।

Aajtak Bangla
  • মহারাষ্ট্র ,
  • 03 Aug 2026,
  • अपडेटेड 9:23 AM IST
  • দিপকের আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ নিয়ে RTI
  • পাল্টা PM Cares ফান্ড নিয়ে RTI-এর দাবি জানাল CJP
  • নিজের স্কলারশিপ লেটারও দেখালেন অভিজিৎ

ককরোচ জনতা পার্টি (CJP)-র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকের পরিবারের আর্থিক লেনদেন নিয়ে তদন্তের দাবি ওঠার একদিন পরই সমস্ত জল্পনার জবাব দিলেন তিনি। বরখা দত্তকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, আমেরিকায় তাঁর উচ্চশিক্ষার সমস্ত খরচ বহন করা হয়েছে বস্টন ইউনিভার্সিটির স্কলারশিপ এবং এডুকেশন লোনের মাধ্যমে। পরিবারের অঘোষিত সম্পদ নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছেন তিনি।

অভিজিৎ দিপকের কথায়, 'আমার পড়াশোনার খরচ বস্টন ইউনিভার্সিটির দেওয়া স্কলারশিপে হয়েছে। পাশাপাশি আমি একটি এডুকেশন লোন নিয়েছিলাম, যা এখনও শোধ করতে হচ্ছে।' সাক্ষাৎকারে তিনি নিজের স্কলারশিপের নথিও দেখান।

RTI-তে তদন্তের দাবি
গত ১ অগাস্ট সুরাতের RTI কর্মী অমিত তিওয়ারি মহারাষ্ট্র সরকার সহ একাধিক কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানান। তাঁর দাবি, অভিজিৎ দিপকের বাবা ভগবানরাও দিপকে মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (MIDC) অবসরপ্রাপ্ত জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। মাসিক প্রায় ৬০-৬৫ হাজার টাকা বেতনে কীভাবে তিনি সন্তানের আমেরিকায় পড়াশোনার খরচ বহন করলেন, তা খতিয়ে দেখা উচিত।

পাল্টা জবাব বৈষ্ণবী গৌরের
CJP-র মুখপাত্র বৈষ্ণবী গৌরও RTI কর্মীর সমালোচনা করে বলেন, একজন ব্যক্তির পড়াশোনার খরচ নিয়ে RTI করার বদলে PM CARES Fund-এর দিকেও নজর দেওয়া উচিত। সামাজিক মাধ্যমে তিনি কটাক্ষ করে লেখেন, 'একজন ব্যক্তির শিক্ষা খরচ নিয়ে RTI করার আগে PM CARES Fund-ও দেখুন। মোদীজি আপনাকে ক্ষমা করে দেবেন, চিন্তা করবেন না।' 

তবে CJP-র দাবি, দলের ফান্ডিং এবং আইনি অবস্থান নিয়ে যে অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং তাদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা।

ক্রাউডফান্ডিংয়ের পথে CJP
সাক্ষাৎকারে দলের ভবিষ্যৎ ফান্ডিং নিয়েও কথা বলেন অভিজিৎ দিপকে। তিনি জানান, ভবিষ্যতে CJP ক্রাউডফান্ডিংয়ের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করবে এবং সেই পুরো প্রক্রিয়া স্বচ্ছ রাখা হবে।

অভিজিৎ দিপকের দাবি, NEET প্রশ্নফাঁস বিরোধী আন্দোলনের সময়ও সাধারণ মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। তাঁর কথায়, আন্দোলনস্থলে মানুষ নিজেরাই খাবার ও পানীয় জল এনে দিয়েছিলেন।

Advertisement

দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দাবি
অভিজিৎ দিপকে আরও দাবি করেন, দিল্লি পুলিশের কিছু কর্মী ব্যক্তিগতভাবে আন্দোলনের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ, কয়েকজন পুলিশকর্মী পরিচয় গোপন রাখার শর্তে আন্দোলনকারীদের জন্য পানীয় জলের বোতল দিতে চেয়েছিলেন। কারণ, তাঁদের সন্তানরাও NEET পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছিল এবং আন্দোলনের উদ্দেশ্যের সঙ্গে তাঁরা সহমত ছিলেন।

বাড়ছে নজরদারি
সম্প্রতি প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিব্বল আন্দোলনে গ্রেফতার হওয়া পড়ুয়াদের আইনি সহায়তার জন্য ১ কোটি টাকার তহবিল ঘোষণা করার পর থেকেই CJP-র অর্থের উৎস নিয়ে বিতর্ক আরও তীব্র হয়েছে। RTI কর্মী নির্বাচন কমিশনের কাছেও CJP-র আইনি অবস্থান এবং ওই আর্থিক সহায়তা খতিয়ে দেখার আবেদন করেছেন।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement