
LIVE TMC Faction: চরমে লোকসভায় তৃণমূলের অন্দরের টানাপড়েন। দলের ২০ জনেরও বেশি সাংসদ 'বিদ্রোহী' শিবিরে নাম লেখাতে পারেন বলে জল্পনা। স্পিকার ওম বিড়লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে পৃথক স্বীকৃতির দাবি জানাতে পারেন তাঁরা। পাল্টা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে কোনও স্বীকৃতি বা সংসদীয় সুবিধা না দেওয়ার আবেদন জানিয়েছেন। দিল্লির রাজনৈতিক মহলে এই ঘটনাকে ঘিরে তীব্র কৌতূহল ও উত্তেজনা।
Live Updates:
NCPI কী?
২০২৩ সালে আত্মপ্রকাশ করেছিল NCPI। ত্রিপুরার বিধানসভা নির্বাচনে তারা প্রার্থীও দিয়েছিল।
NCPI-তে জুড়ে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করলেন কাকলি
NCPI-তেই জুড়ে যাচ্ছেন বিদ্রোহী সাংসদরা। গোটা বিষয়টি নিশ্চিত করলেন কাকলি ঘোষ দস্তিদার।
NCPI-তে যোগ বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের
বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদদের সকলেই ত্রিপুরার ন্যাশনালিস্ট সিটিজ়েন্স পার্টি(NCPI)-তে জুড়ে যাবেন বলে জানা গিয়েছেন।NCPI ত্রিপুরার একটি আঞ্চলিক দল। তার সঙ্গে জুড়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রে এনডিএ সরকারকে সমর্থন করবেন বিদ্রোহী তৃণমূল সাংসদরা।
অন্য় দলের সঙ্গে জুড়তে পারেন বিদ্রোহী সাংসদরা: সূত্র
সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিদ্রোহী সাংসদরা অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জুড়ে যেতে পারেন।
স্পিকারের বাড়ি পৌঁছে গেলেন সুদীপ-মালারা
স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পৌঁছে গেলেন সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, মালা রায় সহ 'বিদ্রোহী' TMC সাংসদরা। লোকসভার স্পিকারের কাছে তাঁরা কী আর্জি জানান, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল।
স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বের হলেন কীর্তি-সাগরিকারা
এদিন, স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তৃণমূল সাংসদ কীর্তি আজাদ বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সাংবিধানিক বেঞ্চের রায়ে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে রাজনৈতিক দলের ‘স্প্লিট’ বা ভাঙন আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। মহারাষ্ট্র সংক্রান্ত মামলার রায়েও এই ধরনের পদক্ষেপকে বেআইনি বলা হয়েছে বলে দাবি তাঁর।
কীর্তির কথায়, 'আমরা সেই বিষয়টিই স্পিকারের নজরে আনতে এসেছি। সংবিধানের কাঠামো এবং আইনি বিধান মেনেই যেন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, সেই আবেদন জানিয়েছি।' অন্যদিকে সাগরিকা ঘোষ বলেন, 'এটা সংবিধানের বিরোধী। আমরা চিঠি দিয়েছি। যারা এভাবে আলাদা গ্রুপ করার চেষ্টা করছেন, তাঁরা সফল হবেন না।'
দলে ভাঙন হলেই আলাদা স্বীকৃতি দেওয়া যায় না: চিঠি অভিষেকের
কোনও দলে ভাঙন হতেই পারে। কিন্তু তাকে সংসদে আলাদা স্বীকৃতি দেওয়া যায় না। এই মর্মেই লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লাকে চিঠি দিল 'আদি' তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সম্ভাব্য 'বিদ্রোহী' সাংসদদের কোনও রকম স্বীকৃতি বা সংসদীয় সুবিধা না দেওয়ার আবেদন জানালেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দল ভাঙার যেকোনও উদ্যোগ অসাংবিধানিক এবং দলত্যাগ-বিরোধী আইনের পরিপন্থী বলেও দাবি করেছেন।
দিল্লিতে লোকসভার স্পিকারের উদ্দেশে পাঠানো এক চিঠিতে অভিষেক দাবি করেছেন, সংবিধানের দশম তফসিল অনুযায়ী রাজনৈতিক দলের ‘ভাঙন’ বা ‘স্প্লিট’-এর ভিত্তিতে কোনও সাংসদকে আইনি সুরক্ষা দেওয়ার বিধান আর নেই। অতীতে সে সুবিধা ছিল। তবে তা বহু আগেই বাতিল হয়েছে। ফলে কোনও সাংসদ আলাদা গোষ্ঠী গঠনের চেষ্টা করলে তাঁর বিরুদ্ধে দলত্যাগ-বিরোধী আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
চিঠিতে ২০২৩ সালের সুপ্রিম কোর্টের একটি রায়ের উল্লেখও করেছেন অভিষেক। তাঁর দাবি, ওই রায়ে স্পষ্ট বলা হয়েছে যে, কোনও রাজনৈতিক দলের আইনসভার শাখার উপর মূল রাজনৈতিক দলের কর্তৃত্বই চূড়ান্ত। সাংসদরা নিজেরা স্বাধীনভাবে নেতা বা হুইপ নিয়োগ করতে পারেন না। দলীয় নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত তাঁদের মেনে চলতেই হবে।
তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য, দলত্যাগ-বিরোধী আইনে একমাত্র ব্যতিক্রম হল বৈধ সংযুক্তিকরণ বা মার্জারের ঘটনা। সে ক্ষেত্রে মূল রাজনৈতিক দলের অন্য কোনও দলের সঙ্গে যোগ হওয়া এবং অন্তত দুই-তৃতীয়াংশ জনপ্রতিনিধির সমর্থন থাকা বাধ্যতামূলক। কিন্তু অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষেত্রে এমন কোনও সংযুক্তিকরণের প্রশ্নই নেই। তাই কোনও সাংসদ গোষ্ঠী আলাদা পরিচয়ে কাজ করার চেষ্টা করলে তা আইনসম্মত হবে না বলেই দাবি করা হয়েছে।
চিঠিতে আরও বলা হয়েছে, কোনও সাংসদ যদি নিজেকে পৃথক গোষ্ঠীর সদস্য বলে দাবি করেন, দলীয় অবস্থান থেকে সরে যান অথবা দলীয় হুইপ অমান্য করেন, তা হলে তাঁর বিরুদ্ধে অবিলম্বে অযোগ্য ঘোষণার প্রক্রিয়া শুরু হতে পারে।
অভিষেক স্পিকারের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, এই চিঠি যেন অফিসিয়ালি গ্রহণ করা হয় এবং তৃণমূলের কোনও সম্ভাব্য বিদ্রোহী গোষ্ঠীকে সংসদে আলাদা স্বীকৃতি বা সুবিধা না দেওয়া হয়। পাশাপাশি, এ ধরনের কোনও আবেদন বিবেচনার আগে তৃণমূলের আনুষ্ঠানিক নেতৃত্বকে বক্তব্য পেশের সুযোগ দেওয়ারও অনুরোধ করেছেন।