Advertisement

দিদির কঙ্কাল তুলে নিয়ে ব্যাঙ্কে, নড়েচড়ে বসল প্রশাসন, দোষীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত

ঘটনাটি ভাইরাল হতেই মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি তদন্তের নির্দেশ দেন। উত্তর বিভাগের রাজস্ব বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে একটি দল ব্যাঙ্ক শাখা পরিদর্শন করে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। এবং কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তদন্তকারীরা জিতু মুন্ডার গ্রামেও গিয়ে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেছেন।

Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 30 Apr 2026,
  • अपडेटेड 6:03 PM IST
  • ওড়িশার কেওনঝর জেলায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
  • এক আদিবাসী ব্যক্তি, জিতু মুন্ডা, তাঁর মৃত দিদির সঞ্চয়ের টাকা তুলতে ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন।

ওড়িশার কেওনঝর জেলায় ঘটে যাওয়া এক মর্মান্তিক ঘটনায় প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। এক আদিবাসী ব্যক্তি, জিতু মুন্ডা, তাঁর মৃত দিদির সঞ্চয়ের টাকা তুলতে ব্যাঙ্কে গিয়েছিলেন। আর সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন দিদির কঙ্কাল। এই ঘটনা সামনে আসতেই রাজ্যজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা গেছে, জিতু মুন্ডা তাঁর বোনের অ্যাকাউন্ট থেকে প্রায় ২০,০০০ টাকা তোলার জন্য ওড়িশা গ্রাম্য ব্যাঙ্কের একটি শাখায় যান। কিন্তু অভিযোগ, সেখানে তিনি প্রয়োজনীয় সহায়তা পাননি। ফলে বাধ্য হয়েই মৃত্যুর প্রমাণ হিসেবে বোনের কঙ্কাল সঙ্গে নিয়ে যেতে হয়েছিল তাঁকে।

ঘটনাটি ভাইরাল হতেই মুখ্যমন্ত্রী মোহনচরণ মাঝি তদন্তের নির্দেশ দেন। উত্তর বিভাগের রাজস্ব বিভাগীয় কমিশনারের নেতৃত্বে একটি দল ব্যাঙ্ক শাখা পরিদর্শন করে। সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখে। এবং কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে। তদন্তকারীরা জিতু মুন্ডার গ্রামেও গিয়ে তাঁর বক্তব্য নথিবদ্ধ করেছেন।

তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন মুন্ডা প্রায় আধঘণ্টা ব্যাঙ্কে ছিলেন। এবং দু’বার ম্যানেজারের সঙ্গে কথা বলেন। সিসিটিভিতে তাঁর উপস্থিতি নিশ্চিত হলেও অডিও না থাকায় ঠিক কী কথা হয়েছিল, তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, পদ্ধতিগত জটিলতা ও পর্যাপ্ত সহায়তার অভাবই এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী।

এর আগে, সংশ্লিষ্ট স্পনসর ব্যাঙ্ক ইন্ডিয়ান ওভারসিস ব্যাঙ্ক জানিয়েছিল, দাবি নিষ্পত্তির নিয়ম সম্পর্কে সচেতনতার অভাব এবং নথিপত্র সংক্রান্ত বিভ্রান্তি থেকেই এই সমস্যার সৃষ্টি হয়ে থাকতে পারে।

ঘটনাটি রাজনৈতিক মহলেও প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিরোধী দলগুলির নেতারা ক্ষতিপূরণ ও পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার জিতু মুন্ডাকে আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। এবং তাঁর দিদির অ্যাকাউন্ট থেকেও টাকা তোলার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement