Advertisement

বাংলার পর দিল্লিতেও কি ভাঙন? তৃণমূলের অন্দরে নতুন বিদ্রোহের আশঙ্কা

বাংলায় বিধানসভায় বড় বিদ্রোহের পর এবার লোকসভা ও রাজ্যসভাতেও তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চাপ বাড়ছে, কারণ দলীয় ভাঙনের প্রভাব সংসদেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 06 Jun 2026,
  • अपडेटेड 11:49 AM IST
  • বাংলায় বিধানসভায় বড় বিদ্রোহের পর এবার লোকসভা ও রাজ্যসভাতেও তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল।
  • মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চাপ বাড়ছে, কারণ দলীয় ভাঙনের প্রভাব সংসদেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বাংলায় বিধানসভায় বড় বিদ্রোহের পর এবার লোকসভা ও রাজ্যসভাতেও তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরে অস্থিরতা ছড়াচ্ছে কি না, সেই প্রশ্নেই উত্তাল রাজনৈতিক মহল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চাপ বাড়ছে, কারণ দলীয় ভাঙনের প্রভাব সংসদেও ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বিধানসভায় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক বিধায়কের অবস্থান পরিবর্তনের পর তৃণমূল প্রথম বড় অভ্যন্তরীণ সংকটের মুখে পড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। সেই ঘটনার পর থেকেই সাংসদদের মধ্যেও অসন্তোষ ও দূরত্ব নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।

সংবাদ সংস্থা সূত্রে জানা যাচ্ছে, রাজ্যসভার সাংসদ সুখেন্দুশেখর রায় আগেই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, বিধানসভার মতো পরিস্থিতি লোকসভাতেও দেখা যেতে পারে। যদিও তিনি রাজ্যসভা নিয়ে স্পষ্ট মন্তব্য করেননি, তবে সম্ভাবনাকে পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। অন্যদিকে, তৃণমূলের প্রবীণ সাংসদ সৌগত রায় অবশ্য দলের মধ্যে ভাঙনের সম্ভাবনা নাকচ করে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, এটি বিজেপির রাজনৈতিক কৌশলের অংশ, যার মোকাবিলা আগেও করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবারও তিনি সফল হবেন।

সবচেয়ে আলোচনায় রয়েছেন বারাসতের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। চিফ হুইপ পদ থেকে সরানোর পর থেকেই তাঁর অসন্তোষ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চর্চা চলছে, যদিও তিনি প্রকাশ্যে বিদ্রোহের কথা স্বীকার করেননি। সূত্রের খবর, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত কয়েকদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে অসন্তুষ্ট বিধায়ক ও সাংসদদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। একই সঙ্গে সংসদীয় দলে ঘনিষ্ঠ দুই সাংসদকে সমন্বয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে লোকসভায় তৃণমূলের ২৮ জন এবং রাজ্যসভায় ১৩ জন সাংসদ রয়েছেন। দলত্যাগ বিরোধী আইন অনুযায়ী, দুই-তৃতীয়াংশ সদস্য একসঙ্গে অবস্থান নিলে আলাদা গোষ্ঠী গঠনের সুযোগ তৈরি হতে পারে, যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সব মিলিয়ে স্পষ্ট, তৃণমূলের অন্দরের অস্থিরতা এখন শুধু বাংলার বিধানসভায় সীমাবদ্ধ নেই, তা পৌঁছে যাচ্ছে জাতীয় রাজনীতির মঞ্চেও।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement