Advertisement

Supreme Court: ধর্ষিত নাবালিকার ৩০ সপ্তাহে গর্ভপাতের নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা AIIMS-এর, কেন?

সুপ্রিম কোর্ট ১৫ বছরের এক নাবালিকাকে ৩০ সপ্তাহে গর্ভপাতের নির্দেশ দিয়েছে। তারপরই তা নিয়ে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করেছে AIIMS। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, গর্ভপাত করলে মেয়েটির সারা জীবনের জন্য শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে।

Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 30 Apr 2026,
  • अपडेटेड 12:36 PM IST
  • ১৫ বছরের এক নাবালিকাকে ৩০ সপ্তাহে গর্ভপাতের নির্দেশ
  • চ্যালেঞ্জ জানিয়ে মামলা করেছে AIIMS
  • মেয়েটির সারা জীবনের জন্য শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হবে বলে দাবি

AIIMS সুপ্রিম কোর্টে একটি রিভিউ পিটিশন দাখিল করেছে। ১৫ বছর বয়সী অন্তঃসত্ত্বা এক কিশোরীকে ৩০ সপ্তাহে গর্ভপাত করার অনুমতি দেওয়ার সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করা হয়েছে এই মামলায়। AIIMS জানিয়েছে, এত দেরিতে গর্ভপাত করতে যাওয়া ওই নাবলিকার ক্ষেত্রে ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের যুক্তি, গর্ভপাত করলে মেয়েটির সারা জীবনের জন্য শারীরিক ও মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। 

মামলার শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট AIIMS-কে নির্দেশ দিয়েছে, মেয়েটির বাবা-মাকে এই বিষয়ে চিকিৎসাগত ও মানসিক দিকগুলি নিয়ে পরামর্শ দিতে। আদালত জোর দিয়ে বলেছে, এমন সংবেদনশীল ক্ষেত্রে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরই হওয়া উচিত।

১৫ বছর বয়সী কিশোরীর গর্ভপাতের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্ট বলেছে, যদি মায়ের স্থায়ী কোনও শারীরিক অক্ষমতা না হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে প্রক্রিয়াতে কোনও বাধা থাকবে না। 

গর্ভপাতের এই মামলাটি একটি শিশু ধর্ষণের ঘটনা। শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, এই ধরনের ঘটনার শিকার মেয়েটির জীবনে দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ক্ষত ও ট্রমা থেকে যাওয়াই স্বাভাবিক। 

AIIMS-এর পাল্টা যুক্তি, এটি মা বনাম ভ্রুণ নয়, বরং একটি শিশুর সঙ্গে অপর একটি শিশুর। সুপ্রিম কোর্ট এই মর্মে AIIMS-কে নির্দেশ দিয়েছে, যদি চিকিৎসকদের পরামর্শের বিরুদ্ধে গিয়ে কিশোরী গর্ভপাত করাতে চায় তাহলে তার সম্ভাব্য পরিণতি সম্পর্কে বাবা-মাকে বিস্তারিত ভাবে বোঝাতে হবে। 

শীর্ষ আদালত আরও জানিয়েছে, সবকিছু মেয়েটি ও তার পরিবারকে বুঝিয়ে বলতে হবে। এরপর তারা যদি নিজেদের মত পরিবর্তন করতে চান, তখন সুপ্রিম কোর্ট বিষয়টি পুনরায় বিবেচনা করবে। 

গর্ভপাত সংক্রান্ত এই মামলায় সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্র সরকারকে প্রশ্ন করেছে, কেন ধর্ষণের শিকার শিশুদের দীর্ঘ সময় ধরে বিচারপ্রক্রিয়ার ট্রমা সহ্য করতে হবে। শীর্ষ আদালত কেন্দ্রকে আইন সংশোধনের কথাও বলেছে, যাতে এ ধরনের ধর্ষণ মামলার বিচার এক সপ্তাহের মধ্যে সম্পন্ন করা যায়। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement