
গত কয়েক মাসে দাম বেড়েছে ভোজ্য তেলের। যার জন্য সমস্যায় পড়েছেন সাধারণ মানুষ। এমন পরিস্থিতিতে আম জনতার সমস্যার সমাধানে বিরাট পদক্ষেপ করল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। পুজোর আগেই পাম তেল, সয়াবিন তেল এবং সূর্যমুখী তেল সহ অপরিশোধিত ও রিফাইনড ভোজ্য তেলের আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। যার ফলে বাজারে খাওয়ার তেলের দাম কমতে পারে।
অপরিশোধিত সয়াবিন তেল এবং অপরিশোধিত পাম তেলের বেসিক কাস্টমস ডিউটি ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। অন্যদিকে, অপরিশোধিত সূর্যমুখী তেলের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে শূন্য করা হয়েছে।
কমেছে রিফাইন তেলের আমদানি শুল্কও। রিফাইন সয়াবিন তেল এবং রিফাইনড পাম তেলের আমদানি শুল্ক ৩২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২৭.৫ শতাংশ করা হয়েছে। আবার রিফাইন সূর্যমুখী তেলের শুল্ক ৩২.৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২২.৫ শতাংশ করা হয়েছে। সবথেকে বড় কথা, নতুন শুল্কের হার আজ মধ্যরাত থেকেই কার্যকর হবে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, আমদানি শুল্ক কমানোর ফলে ভোজ্য তেল আমদানির খরচ কমবে। এই সুবিধা ক্রেতাদের কাছে পৌঁছলে লাভ হবে বেশি। যার ফলে বাজারে রান্নার তেলের দাম কিছুটা কমতে পারে।
মাথায় রাখতে হবে, শুধু পেট্রোল ও ডিজেল নয়, দেশের মানুষের ভোজ্য তেলের চাহিদা মেটাতে ভারত আমদানির উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়লে, তার প্রভাব পড়ে এখানে। এমনকী এই তেলের আমদানি শুল্কও খুচরো বাজারে তেলের দামের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
এমন পরিস্থিতিতে উৎসবের মরসুমের আগেই এই শুল্ক কমানোর সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকার। এই সময়ে সাধারণত ভোজ্য তেলের চাহিদা বেড়ে যায়। তাই এই সময় তেলের দাম কমলে আদতে সাধারণ মানুষেরই সুবিধা হবে। এখন দেখার ঠিক কতটা কমে দাম।