Advertisement

Amit Shah: '৪৯ বছর পশ্চিমবঙ্গে আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী নেই,' ভোট-চুরি ইস্যুতে রাহুলদের রাজ্য ধরে ধরে হিসেব শাহের

কংগ্রেসকে শাহের পরামর্শ, কংগ্রেসের উচিত আত্মচিন্তা করা। রাহুল গান্ধী যখন থেকে নেতা হয়েছেন, তখন থেকেই দেশের মানুষ সব জায়গায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন। এবং রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বেই ইন্ডিয়া জোটের ভাঙন শুরু হয়ে যাচ্ছে। 

রাহুল গান্ধী ও অমিত শাহরাহুল গান্ধী ও অমিত শাহ
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 12 Oct 2026,
  • अपडेटेड 6:05 PM IST
  • কংগ্রেসকে রাজ্য ধরে ধরে বছর গোনালেন শাহ
  • রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বেই INDI জোটের ভাঙন হবে
  • রাজনৈতিক বিতর্কের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা 

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের নেতৃত্বে দেদার ভোট চুরি করেছে নির্বাচন কমিশন। বিরোধীদের এই দাবিতে উত্তাল দেশ। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগ চেয়ে বিক্ষোভের ঝাঁঝ বাড়াচ্ছে বিরোধীরা। এহেন পরিস্থিতে কংগ্রেসকে তীব্র কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। একাধিক রাজ্যে দীর্ঘ কয়েক দশক ধরে কংগ্রেস সরকার গড়তে পারেনি, সেই প্রসঙ্গ তুলেই রাহুল গান্ধীদের খোঁচা দিলেন শাহ। টানলেন পশ্চিমবঙ্গকেও।

কংগ্রেসকে রাজ্য ধরে ধরে বছর গোনালেন শাহ

শাহের কথায়, 'কংগ্রেসকে দলকে বলব, আমরা ২০১৪ সালে এসেছি। তামিলনাড়ুতে ১৯৬৬ সাল থেকে আপনাদের কোনও মুখ্যমন্ত্রী নেই। পশ্চিমবঙ্গে ৪৯ বছর ধরে আপানাদের মুখ্যমন্ত্রী নেই, সিকিমে ৪২ বছর, উত্তরপ্রদেশে ৩৭ বছর, বিহারে ৩৬ বছর, গুজরাতে ৩০ বছর, ওড়িশায় ২৬ বছর, নাগাল্যান্ডে ২৩ বছর, মহারাষ্ট্রে ১২ বছর ও ত্রিপুরায় ৩৩ বছর ধরে আপনাদের মুখ্যমন্ত্রী নেই। অতএব ভোটচুরির জন্যই যদি একটি বছরের পর বছর ক্ষমতায় আসতে না পারে, তাহলে ভোটচোরেরা আপনাদের পাশেই বসে আছে। INDI জোটের সব নেতারাই তো মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন ওই সব রাজ্যে।'

রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বেই INDI জোটের ভাঙন হবে

কংগ্রেসকে শাহের পরামর্শ, কংগ্রেসের উচিত আত্মচিন্তা করা। রাহুল গান্ধী যখন থেকে নেতা হয়েছেন, তখন থেকেই দেশের মানুষ সব জায়গায় কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ভোট দিচ্ছেন। এবং রাহুল গান্ধীর নেতৃত্বেই ইন্ডিয়া জোটের ভাঙন শুরু হয়ে যাচ্ছে। 

রাজনৈতিক বিতর্কের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা 

নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে যখন বিরোধীরা প্রশ্ন তুলছে, তখন কংগ্রেসের দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাইরে থাকার প্রসঙ্গ তুলে ধরে রাজনৈতিক বিতর্কের অভিমুখ ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্যের মূল সুর, নির্বাচনে পরাজয়ের জন্য বারবার ভোট চুরির অভিযোগ না তুলে কংগ্রেসের নিজেদের সাংগঠনিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক কৌশল পর্যালোচনা করা উচিত।

বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলার যথেষ্ট কারণ রয়েছে। বিশেষ করে, ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন বা SIR প্রক্রিয়া ঘিরে একাধিক রাজ্যে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। বিরোধী দলগুলির দাবি, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় কোনও যোগ্য ভোটারের নাম যাতে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে, ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগ উঠলে তার স্বচ্ছ তদন্তও প্রয়োজন বলে দাবি করেছেন বিরোধী নেতারা। যদিও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলির সত্যতা নির্ধারণ করতে প্রমাণ ও সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা জরুরি।

Advertisement

অন্যদিকে, বিজেপির বক্তব্য, নির্বাচনে পরাজয়ের পর কংগ্রেস ও বিরোধী দলগুলি প্রায়ই নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তোলে। শাহের বক্তব্যেও সেই রাজনৈতিক অবস্থানের প্রতিফলন দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরে কংগ্রেসের ক্ষমতার বাইরে থাকার উদাহরণ তুলে ধরে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, রাজনৈতিক পরাজয়ের পিছনে সংগঠন, নেতৃত্ব, জনসমর্থন এবং নির্বাচনী কৌশলের মতো একাধিক কারণ থাকতে পারে।

Read more!
Advertisement
Advertisement