Advertisement

Assam Earthquake Today 2026: ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর-পূর্ব ভারত, অনুভূত শিলিগুড়ি থেকে কলকাতাতেও

Assam Earthquake Today 2026: ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা কেন্দ্র ছিল অসমের সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলের একেবারে কাছাকাছি। পাহাড়ি এলাকায় উৎপত্তি হওয়ার কারণে কম্পনের তীব্রতা অনেকটাই বেশি অনুভূত হয়েছে।

Assam Earthquake Today 2026: ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর-পূর্ব ভারত, অনুভূত শিলিগুড়ি থেকে কলকাতাতেওAssam Earthquake Today 2026: ভূমিকম্পে কাঁপল উত্তর-পূর্ব ভারত, অনুভূত শিলিগুড়ি থেকে কলকাতাতেও
Aajtak Bangla
  • নয়াদিল্লি,
  • 08 Jun 2026,
  • अपडेटेड 1:15 AM IST

Assam Earthquake Today 2026: গুয়াহাটি উত্তর-পূর্ব ভারতের পাহাড়ি রাজ্য অসমে আছড়ে পড়ল এক শক্তিশালী ভূমিকম্প। গত ৭ জুন ২০২৬ তারিখে অনুভূত হওয়া এই ভূকম্পনের তীব্রতা রিখটার স্কেলে ছিল ৫.৩ মাত্রা। হঠাৎ এই জোরালো কম্পনে গোটা রাজ্যজুড়ে তীব্র আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল বা কেন্দ্র ছিল অসমের সীমান্তবর্তী পার্বত্য অঞ্চলের একেবারে কাছাকাছি। পাহাড়ি এলাকায় উৎপত্তি হওয়ার কারণে কম্পনের তীব্রতা অনেকটাই বেশি অনুভূত হয়েছে। মাটির নিচে এই আলোড়নের জেরে বিস্তীর্ণ এলাকা কেঁপে ওঠে। এই ভূমিকম্পের ঝাঁকুনি শুধু অসমের ভূখণ্ডেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিবেশী দেশ ভুটান, নেপাল এবং চিনের বেশ কিছু এলাকাতেও এই কম্পন সমানভাবে অনুভূত হয়। আন্তর্জাতিক সীমানা ছাড়িয়ে কম্পন ছড়িয়ে পড়ায় প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিতেও আতঙ্ক তৈরি হয়।

ভূমিকম্পের তীব্রতা টের পেতেই বহু মানুষ চরম আতঙ্কে ঘরবাড়ি ও অফিস ছেড়ে হুড়মুড় করে বাইরে বেরিয়ে আসেন। রাস্তাঘাট এবং সংলগ্ন খোলা জায়গায় তখন ঘরছাড়াদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। সকলেই নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে খোলা আকাশের নিচে আশ্রয় নেন। প্রশাসনের প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী স্বস্তির খবর এই যে কোথাও কোনো বড় ধরনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তীব্র আতঙ্ক ছড়ালেও কোনো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির খবরও এখনও পর্যন্ত সামনে আসেনি। পরিস্থিতি আপাতত নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

ভারতের ভূকম্পন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি এই কম্পনের মাত্রা ৫.৩ রেকর্ড করেছে। ঘটনার পরেই এই কেন্দ্রীয় সংস্থার তরফে ভূমিকম্পের উৎসস্থলের গভীরতা এবং সঠিক অবস্থান সম্পর্কিত সমস্ত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রকাশ করা হয়।ভৌগোলিক অবস্থানের দিক থেকে উত্তর-পূর্ব ভারত অত্যন্ত ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। ভূবিজ্ঞানীদের মতে এই সংবেদনশীল জোনে থাকার কারণে অসম ও সংলগ্ন এলাকায় এ ধরনের কম্পন তুলনামূলকভাবে অনেকটাই বেশি দেখা যায়।

দুর্যোগের পরেই স্থানীয় প্রশাসন ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফতর পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখতে শুরু করেছে। স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি আফটারশকের সম্ভাবনা নিয়ে বিশেষজ্ঞরা সাধারণ মানুষকে সতর্কতামূলক পরামর্শও দিচ্ছেন।

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement