
বাড়ি ফিরে নিজের মেয়ের সঙ্গে নিজেরই এক কর্মচারীকে বিছানায় অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখে ফেলে বেঙ্গালুরুর ব্যবসায়ী। রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে পিটিয়ে মেরে ফেলে সেই যুবককে। ভয়ঙ্কর এই ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে। আনন্দরাজ নামে ওই ব্যবসায়ীকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
কেরলমের পালাক্কার জেলার বাসিন্দা ২২ বছরের কিরণ আনন্দরাজের ম্যানুফ্যাকচরিং কোম্পানিতে গত কয়েক বছর ধরে কাজ করছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পেরেছে, সম্প্রতি আনন্দরাজ তাঁর ১৯ বছরের মেয়ের সঙ্গে কিরণের প্রেমের সম্পর্কের কথা জানতে পেরেছিল।
গত মঙ্গলবার, আনন্দরাজ এবং তার স্ত্রী সকালে বাড়ি থেকে বের হয়। মেয়েকে তারা বলে যায় ১ দিন পর ফিরবে। মেয়ে পড়াশোনার জন্য অন্য শহরে থাকে কিন্তু ছুটিতে বেঙ্গালুরুর বাড়িতে মা-বাবার কাছে এসেছিল।
কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সেদিন বাড়ি ফিরে আসন আনন্দরাজ ও তার স্ত্রী। আর বাড়ি ঢুকেই চোক কপালে ওঠে তাদের। মেয়েকে বিছানায় অন্তরঙ্গ অবস্থায় দেখেন কিরণের সঙ্গে।
পুলিশ জানিয়েছে, কিরণকে মারধর করার আগে মেয়েকে প্রতিবেশীর বাড়িতে পাঠিয়ে দেয় আনন্দরাজ। মারধরের জেরে কিরণের শরীরে একাধিক আঘাত লাগে। মাটিয়ে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায় সে। এরপরই কিরণকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার হয়ে চিকিৎসকরা তাঁ মৃত বলে ঘোষণা করেন। হাসপাতালের তরফেই পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশের অনুমান, এই খুন পরিকল্পিতই ছিল। তবে মারধরের সময়ে বাড়িতে আর অন্য কেউ উপস্থিত ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। কিরণের মাসতুতো ভাই প্রসাদেরও দাবি, এই খুন ইচ্ছাকৃত ও পূর্বপরিকল্পিত। আনন্দরাজ ইচ্ছাকৃত ভাবে কিরণের ভাইকে একটি ডেলিভারি সহ উত্তরপ্রদেশে পাঠায়, যাতে কিরণ একা থাকে। এমনটাই দাবি প্রসাদের। এই হত্যার সময়ে যাতে কারও তরফে কোনও বাধা না আসে তা নিশ্চিত করতেই আনন্দরাজের এই প্ল্যান, অভিযোগ কিরণের পরিবারের।
ud?e