Advertisement

Bengaluru Techie Suicide: শাশুড়ির সঙ্গে রান্না নিয়ে ঝগড়া, আত্মঘাতী IT কর্মী বউমা

শাশুড়ির সঙ্গে রান্না নিয়ে ঝামেলা। শাশুড়ি রান্না করতে দেন না বলে অভিযোগ। এমনকী, হেনস্থাও করেন। আর সে কারণেই আত্মহত্যার পথ বেছে নিলেন IT কর্মীর এক মহিলা।

আত্মঘাতী IT কর্মী আত্মঘাতী IT কর্মী
Aajtak Bangla
  • বেঙ্গালুরু ,
  • 04 Mar 2026,
  • अपडेटेड 1:55 PM IST
  • শাশুড়ির সঙ্গে রান্না নিয়ে ঝামেলা
  • আত্মহত্যা করলেন এক IT কর্মী
  • পণের চাপে হেনস্থার অভিযোগ তুলে থানায় পরিবার

শাশুড়ি রান্না করতে না দেওয়ায় তুমুল বচসা। আর তারপরই আত্মঘাতী হলেন এক IT কর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে বেঙ্গালুরুতে। এই নিয়ে চলতি সপ্তাহে দ্বিতীয়বার কোনও IT কর্মী আত্মহননের পথ বেছে নিলেন। জানা গিয়েছে, সাংসারিক বিবাদের জেরেই এই পথ বেছে নিয়েছেন ৩৫ বছর বয়সী এক সফটওয়্য়ার ইঞ্জিনিয়ার। মৃতের নাম সুষমা। ঘটনায় পণ এবং হেনস্থার অভিযোগও উঠছে। 

জানা গিয়েছে, সুষমা একটি মার্কিন প্রযুক্তি সংস্থার কর্মরত ছিলেন। ৫ বছর আগে তাঁর বিয়ে হয় পুণীত কুমারের সঙ্গে। তাঁদের ৪ বছরের এক ছেলেও রয়েছে। পুলিশ জানায়, সুষমার পরিবার আগেও বাড়িতে নিয়মিত অশান্তিক অভিযোগ তুলেছে। মৃতার শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে পণের দাবিতে হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন আত্মীয়রা। 

পুলিশের আরও অনুমান, সুষমার সঙ্গে তাঁর শাশুড়ি কল্পনার প্রায়ই তুচ্ছ বিষয় নিয়ে বিবাদ হত। মঙ্গলবার রান্নাবান্না সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে তাঁদের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। সুষমার পরিবারের দাবি, তাঁর শাশুড়িকে তাঁকে রান্না করতে দিতেন না এবং বিভিন্ন বিষয় নিয়ে মানসিক ভাবে হয়রান করতেন। পারিবারিক অশান্তিতে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়ে সুষমা মঙ্গলবার বাড়িতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে অভিযোগ। ঘটনার পরই তাঁর পরিবার থানায় অভিযোগ দায়ের করে। 

এর ভিত্তিতে পুলিশ পণের জন্য হয়রানির অভিযোগে তাঁর স্বামী পুণীত কুমারকে গ্রেফতার করেছে। শাশুড়ির খোঁজে তল্লাশি চলছে। সোলাদেভানাহাল্লি থানায় মামলা রুজু হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।

এর আগে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২৭ বছর বয়সী প্রযুক্তিকর্মী বিদ্যাজ্যোতিও নিজের বাসভবনেই আত্মহত্যা করেন। তিনিও একটি বেসরকারি নামজাদা কোম্পানিতে কর্মরত ছিলেন। ওয়ার্ক ফ্রম হোম চলছিল তাঁর।  

পুলিশ জানায়, বিদ্যাজ্যোতির অন্য জাতের এক যুবকের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল এবং উভয় পরিবারই বিয়েতে সম্মতি দিয়েছিল। তবে প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, তাঁর বাবা-মা এক জ্যোতিষীর পরামর্শ নিয়েছিলেন, যিনি বিয়ের দুই বছর পর সম্পর্কে ভুল বোঝাবুঝি ও বিচ্ছেদের সম্ভাবনার কথা জানান। পরিস্থিতি এড়াতে ৯ দিনের একটি ধর্মীয় আচার পালনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছিল। নবম দিনে যখন তাঁর বাবা-মা বাড়িতে ছিলেন না, তখনই বিদ্যাজ্যোতি ঘরের সিলিং ফ্যাশনের সঙ্গে গলায় ফাঁস দেন। 

Advertisement

অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে দুই IT কর্মীর মৃত্যুর ঘটনা শহরে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement