
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে 'সন্ত্রাসবাদী' বলার অভিযোগ উঠেছে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের বিরুদ্ধে। তা নিয়ে বিতর্কের ঝড় দেশজুড়ে। বিজেপি নিশানা করেছে কংগ্রেসের প্রবীণ সাংসদকে। আসরে নেমেছেন সম্বিত পাত্র থেকে কে. অন্নামালাইয়ের মতো নেতারা। গেরুয়া শিবিরের তরফে থেকে খাড়গের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি তোলা হয়েছে।
যদিও খাড়গে তাঁর মন্তব্য নিয়ে ইতিমধ্যেই ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তবুও বিজেপি নেতারা তাঁর বক্তব্যকে প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের মানুষের অপমান হিসেবে দেখছেন। অন্নামালাই বলেন, 'একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও কংগ্রেসের নেতা হয়ে এ ধরনের নোংরা ভাষা ব্যবহার করা দুর্ভাগ্যজনক। এতে প্রধানমন্ত্রীর পদমর্যাদা খাটো হয়েছে। আমরা চাই মল্লিকার্জুন প্রকাশ্যে ক্ষমা চান।'
বিজেপি মুখপাত্র সম্বিত পাত্র খাড়গের মন্তব্যকে নিন্দনীয় দাবি করে বলেন, 'এটি কোনও ভুলবশত বলা কথা নয়, বরং কংগ্রেসের পরিকল্পিত মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ। প্রতিদিন রাহুল গান্ধী তাঁর বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করেন, আর আজ তাঁরই প্রভাবে খাড়গে এই মন্তব্য করেছেন।'
পাত্র আরও অভিযোগ করেন, এই সেই কংগ্রেস যারা একসময় ওসামা বিন লাদেনকে ‘ওসামাজি’ বলেছিল। তারা সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি নরম মনোভাব দেখিয়েছে দিনের পর দিন। অথচ এখন প্রধানমন্ত্রীকে সন্ত্রাসবাদী বলছে।
এদিকে বি. এস. ইয়েদুরাপ্পা সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, 'প্রধানমন্ত্রী মোদীকে সন্ত্রাসবাদী বলা অত্যন্ত ঘৃণ্য। এর থেকেই পরিষ্কার কংগ্রেস কতটা বিষাক্ত দল।'
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পীযূষ গোয়েল আবার বলেন, 'কংগ্রেস ও ডিএমকে এতটাই নিচে নেমে গেছে যে, তারা গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীকে অপমান করছে।' এই ঘটনার জন্য রাহুল গান্ধী এবং এম. কে. স্টালিনকেও ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান।
শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, 'কংগ্রেস যখনই কোনও ইস্যুতে চাপে পড়ে, তখনই তাঁদের নেতাদের ভাষার মাধ্যমে আসল চেহারা সামনে চলে আসে।'
বিজেপি নেতা অমিত মালব্য সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে আবারও প্রধানমন্ত্রীকে আতঙ্কবাদী বলে জনসমাজে বিতর্ক তৈরি করেছেন। এটি প্রথমবার নয়।'