
'সিরাপ' বিক্রিতে আরও কড়া হল কেন্দ্র। ১৯৪৫ সালের ড্রাগস রুলস-এ একটি নতুন সংশোধনী এনেছে। যাতে কাশির সিরাপসহ অন্যান্য সিরাপ বিক্রির নিয়মকানুন আরও কঠোর করা হয়েছে। এই সংশোধনী অনুযায়ী, এখন থেকে ফার্মেসি থেকে যে কোনও সিরাপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন লাগবে।
মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানে বিষাক্ত কাশির সিরাপ খাওয়ার কারণে শিশুদের মৃত্যুর ঘটনা সামনে আসার কয়েক মাস পর এই পদক্ষেপটি নেওয়া হল। সিরাপ নিয়ে নিরাপত্তা ও নিয়ন্ত্রণ নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সিরাপ জাতীয় ওষুধের উৎপাদন ও বিক্রির ওপর আরও কঠোর তদারকি এবং কড়া নজরদারির দাবি জোরদার হয়েছে।
গত বছরের ডিসেম্বরে জারি করা একটি খসড়া প্রস্তাবের ওপর জনগণের মতামত বিবেচনার পর ২০২৬ সালের ৯ জুন বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়েছে।
এই সংশোধনীতে ড্রাগস রুলসের এক শ্রেণীর ওষুধ থেকে ‘সিরাপ’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে। যার ফলে কার্যত প্রেসক্রিপশন ছাড়াই এগুলি সহজে পাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। এগুলোকে আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণের অধীনে আনা হয়েছে।
ভোক্তাদের উপর প্রভাব
এই নিয়ন্ত্রক পরিবর্তনের ফলে, বহুল ব্যবহৃত কাশির সিরাপসহ অন্যান্য সিরাপগুলো এখন থেকে ডাক্তারের অনুমোদন ছাড়া সরাসরি দোকান থেকে কেনা যাবে না।
এই পদক্ষেপটি কাশির এবং অন্যান্য সিরাপ যখন তখন কিনে নেওয়াকে প্রভাবিত করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যা ঐতিহ্যগতভাবে সরাসরি ফার্মেসি থেকে পাওয়া যেত।
খসড়া নিয়মাবলী আগেই প্রকাশিত হয়েছিল
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংশোধনী প্রস্তাবকারী খসড়া নিয়মাবলী ৩০ ডিসেম্বর, ২০২৫ তারিখে প্রকাশ করা হয়েছিল। জনসাধারণের কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়া হয়েছিল।
সরকার জানিয়েছে, সংশোধনীটি চূড়ান্ত করার আগে পরামর্শকালীন সময়ে প্রাপ্ত মতামতগুলো বিবেচনা করা হয়েছিল।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব হর্ষ মঙ্গলা এই বিজ্ঞপ্তিটি জারি করেন।
এই সংশোধনী কার্যকর হওয়ায়, সারাদেশের ফার্মেসিগুলোকে সিরাপ এবং সংশ্লিষ্ট ফর্মুলেশন বিক্রির ক্ষেত্রে সংশোধিত নিয়মাবলী মেনে চলতে হবে।