
দিল্লির যন্তর মন্তরে এবার থেকে আর বিক্ষোভ প্রদর্শন বা ধর্না দেওয়া যাবে না। নোটিফিকেশন জারি করে সোমবার স্পষ্ট জানিয়ে দিল কেন্দ্রের মোদী সরকার। বদলে বিকল্প ৩টি জমায়েত ও ধর্নার স্থলের নামও জানিয়েছে।
১১ অক্টোবরের একটি নোটিফিকেশনে উল্লেখ করা হয়েছে, এবার থেকে রামলীলা ময়দান, বুরারি গ্রাউন্ড এবং পূর্ব দিল্লির CBD গ্রাউন্ডে প্রতিবাদ করা যাবে, অন্য কোথাও নয়।
দিল্লির পুলিশ কমিশনার অনুরাগ কুমারের স্বাক্ষর করা ওই নির্দেশিকায় ২০২২ সালের ২৮ এপ্রিলের একটি নির্দেশ বদল করা হয়েছে। যেখানে উল্লেখ ছিল যন্তর মন্তর নির্ধারিত প্রতিবাদ-বিক্ষোভ স্থল।
তবে বিকল্প ৩টি জায়গাতেও কীভাবে ধর্না বা বিক্ষোভ প্রদর্শন করা যাবে, কী কী নিয়ম মানতে হবে, তা নিয়ে আরও একটি নির্দেশিকা শীঘ্রই দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
CJP এবং দিল্লি পুলিশের মধ্যে ফেস অফের মাঝেই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হল। ইতিমধ্যেই CJP ফের একবার যন্তর মন্তরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করার জন্য অনুমিত চেয়েছে পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায়। পুলিশের তরফে অনুমতি না-দেওয়া হলে ফের বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়ার কথা আগেই ঘোষণা করেছেন মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা। সেই আবহেই দিল্লি পুলিশের যন্তর মন্তর নিয়ে নির্দেশিকা প্রকাশ্যে এসেছে।
CJP নেতা সৌরভ দাস বলেন, 'আমরা ২৪ ঘণ্টা সময় দিয়েছি, আমাদের একটা দিন ঠিক করে দিতে হবে।' মাস কয়েক আগে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদ থেকে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চেয়ে যন্তর মন্তরে অবস্থান শুরু করেছিল CJP। NEET কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে ছিল সেই প্রতিবাদ। ইস্তফা দিতে বাধ্য হয়েছিলেন শিক্ষামন্ত্রী।