
আশঙ্কা ছিল ককরোচদের, হলও তেমনটাই। দিল্লি বিমানবন্দরে প্লেন ল্যান্ড হতে না হতেই আটক হলেন অভিজিৎ দীপকে। একইসঙ্গে আটক করা হয়েছে সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কাকে।
শনিবার দিল্লি বিমানবন্দরে বিমান অবতরণের পরই এয়ারক্র্যাফ্টের ভিতর ঢুকে পড়ে দিল্লি পুলিশের একটি টিম। সেখান থেকেই আটক করা হয় অভিজিৎ দীপকে সহ ৩ জনকে। পুলিশকে অভিজিৎ বলেন, 'আমি তো এখানে গ্রেফতার হতেই এসেছি। গ্রেফতার করে নিন আমায়।' পুলিশ উত্তরে বলে, 'এটা গ্রেফতারি নয়। আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা করুন দয়া করে।'
চূড়ান্ত নাটকীয় মুহূর্ত তৈরি হয় ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিতরে। এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে অভিজিৎ ও তাঁর দলীয় নেতারা দিল্লি পৌঁছন সকাল ১০টা ১৭ মিনিটে। তারপর সেই এয়ারক্র্যাফ্টের ভিতরে ঢুকে পড়ে দিল্লি পুলিশ। বাকি যাত্রীদের তখন দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আগে থেকেই দিল্লি পুলিশ বিমানবন্দরে অপেক্ষা করছিল। ছিলেন অনেক মহিলা পুলিশকর্মীও। CJP নেতারা বিমানে বসে ইনস্টাগ্রামে ‘লাইভ’ করেন। সরাসরি সম্প্রচারে তাঁদের সঙ্গে পুলিশের কথা কাটাকাটি দেখা যায়।
আটক হওয়ার পর সংবাদমাধ্যমের উদ্দেশে ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা বলেন, 'আমি গ্রেফতারির জন্য প্রস্তুতই ছিলাম। আমি কাউকে ভয় পাই না।' তাঁর আরও বক্তব্য, 'এমন কাণ্ড তো ইন্দিরা গান্ধীও করেননি। এটা একনায়কতন্ত্র।' আটক হওয়ার পর 'ইনকিলাব জিন্দাবাদ' স্লোগান দিতেও শোনা যায় অভিজিতদের।
অভিজিৎ দীপকেদের আটক করার পর CJP একটি বিবৃতি দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, ‘শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ কর্মসূচির নেতৃত্বকে বিক্ষোভস্থলে পৌঁছোনোর আগেই আটকে দেওয়ার জন্য এটা দিল্লি পুলিশের পূর্বপরিকল্পিত পদক্ষেপ। সকলের চলাফেরার স্বাধীনতা রয়েছে। তার এই লঙ্ঘনের তীব্র নিন্দা করছে সিজেপি। অবিলম্বে অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কার নিঃশর্ত মুক্তি দাবি করা হচ্ছে।’