Advertisement

Delhi Protest Supreme Court: দিল্লিতে আন্দোলন, ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতির অভিযোগ, কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?

দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে দোকানপাট বন্ধ রাখতে হয়েছে। তাতে কোটি কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি ব্যবসায়ী সংগঠন মামলা দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতেই দিল্লি পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাইল শীর্ষ আদালত।

দিল্লির আন্দোলন নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?দিল্লির আন্দোলন নিয়ে কী বলল সুপ্রিম কোর্ট?
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Nov 2026,
  • अपडेटेड 3:28 PM IST
  • দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে দোকানপাট বন্ধ রাখতে হয়েছে
  • কোটি কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে
  • এমন পরিস্থিতিতে একটি ব্যবসায়ী সংগঠন মামলা দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতেই দিল্লি পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাইল শীর্ষ আদালত

দিল্লিতে প্রায় রোজই হচ্ছে আন্দোলন। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছে। তবে দিল্লিতে প্রতিবাদের সুবাদে অনির্দিষ্টকালের জন্য কোনও জায়গা দখল করে রাখা যাবে না। মঙ্গলবার এমনই স্পষ্ট বার্তা দিল সুপ্রিম কোর্ট। 

আসলে দিল্লিতে নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের জেরে দোকানপাট বন্ধ রাখতে হয়েছে। তাতে কোটি কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতির অভিযোগ উঠেছে। এমন পরিস্থিতিতে একটি ব্যবসায়ী সংগঠন মামলা দায়ের করেছে। তার ভিত্তিতেই দিল্লি পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জবাব চাইল শীর্ষ আদালত।

এ দিন প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চ জানায়, অন্যদেরও নিজেদের অভিযোগ ও দাবিদাওয়া জানানোর সুযোগ দিতে হবে।

আর এই মামলার শুনানিতে আরও একাধিক বিষয় উঠে আসে। যেমন ধরুন, গণহারে আটক, পুলিশের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ, দিল্লি মেট্রোর একাধিক স্টেশন বন্ধ রাখা এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার মতো বিষয়গুলি। এরপর কোর্ট স্পষ্ট জানায়, বিক্ষোভ দেখানোর অধিকার রয়েছে। আবার সাধারণ মানুষের জীবিকা নির্বাহের অধিকারও রয়েছে। এই দুইয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার উপর জোর দেয় আদালত।

প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, 'কোনও জায়গা সব সময়ের জন্য দখল করে রাখা যায় না। কৃষকরা কোথায় যাবেন? সাংবাদিকরাই বা কোথায় যাবেন? প্রত্যেকেরই প্রতিবাদ জানানোর অধিকার রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য নির্দিষ্ট সময়সীমা বরাদ্দ করতে হবে।'

তিনি আরও জানান, কোনও বিক্ষোভের অনুমতি দেওয়ার সময় তার শর্তাবলি এবং নিয়মকানুন স্পষ্ট করে দিতে হবে। প্রধান বিচারপতির কথায়, 'আমি এখন বিক্ষোভ দেখাচ্ছি বলে অন্যদের আটকাতে পারি না। অন্যদেরও নিজেদের বক্তব্য জানানোর অধিকার রয়েছে।'

আসলে দিল্লিতে একের পর এক বিক্ষোভ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে। যার জেরে ব্যবসায়িক ক্ষতির অভিযোগ তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। তাঁদের দাবি, বারবার দোকানপাট বন্ধ রাখতে হচ্ছে। যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। তাতে স্বাভাবিক ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়তে হচ্ছে ব্যবসায়ীদের।

Advertisement

চেম্বার অফ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (সিটিআই)-র দাবি, গত ১ নভেম্বর রামলীলা ময়দানে INDIA জোটের বিশাল সমাবেশ ছিল। সেই কারণে দিল্লিতে প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসায়িক ক্ষতি হয়েছে। 

ব্যবসায়ী সংগঠনটির দাবি, এই পরিস্থিতির প্রভাব পড়েছে খুচরো ও পাইকারি বাজার, পরিবহণ, হোটেল-রেস্তোরাঁ ব্যবসা এবং পর্যটন ক্ষেত্রে। ওই দিন প্রায় আড়াই লক্ষ দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছিল বলেও দাবি করেছে তারা।

এমন পরিস্থিতিতে মঙ্গলবার দিল্লির পুলিশ কমিশনারকে চিঠি লিখেছে সিটিআই। আগামী ১১ নভেম্বর পর্যন্ত সমস্ত মিছিল, রাজনৈতিক সমাবেশ এবং অবস্থান বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করার দাবি জানিয়েছে তারা।

সংগঠনটির আরও দাবি, গত এক মাসে বারবার রাজনৈতিক সমাবেশ ও বিক্ষোভ কর্মসূচির কারণে রাজধানীর ব্যবসায়ীদের প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement