Advertisement

Neha Bora: মহিলা সাংবাদিকদের যৌন হেনস্থার বিক্ষোভে আটক প্রতিবাদকারীরা, দাবি AISA-র নেহা বোরার

এক্স-এ একটি পোস্টে নেহা বোরা দাবি করেন, বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় আটক করে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আটক হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনজীবীদের একটি দল যোগাযোগ রাখছে।

সাংবাদিকদেরই আটক করা হয়েছে, বললেন নেহা বোরাসাংবাদিকদেরই আটক করা হয়েছে, বললেন নেহা বোরা
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 05 Oct 2026,
  • अपडेटेड 12:52 PM IST
  • এক্স-এ একটি পোস্টে নেহা বোরা দাবি করেন
  • বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় আটক করে রাখা হয়েছে
  • আটক হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনজীবীদের একটি দল যোগাযোগ রাখছে

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের সময় তিন মহিলা সাংবাদিককে পুলিশকর্মীরা যৌন হেনস্থা করেছেন। এই অভিযোগের ভিত্তিতে প্রতিবাদ করায় আটক করা হয়েছে সাংবাদিকদেরই। এমনটাই দাবি করেছেন অল ইন্ডিয়া স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন (AISA)-এর প্রেসিডেন্ট নেহা বোরা। 

৩ অক্টোবর মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC) জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চলছিল। সেই বিক্ষোভে সাংবাদিকদের যৌন হেনস্থার অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার তদন্ত এবং FIR দায়েরের দাবিতে সোমবার পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানার বাইরে বিক্ষোভ দেখাতে জড়ো হন প্রতিবাদকারীরা।

এক্স-এ একটি পোস্টে নেহা বোরা দাবি করেন, বিক্ষোভকারী সাংবাদিকদের দিল্লি ক্যান্টনমেন্ট থানায় আটক করে রাখা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আটক হওয়া সাংবাদিকদের সঙ্গে আইনজীবীদের একটি দল যোগাযোগ রাখছে।

যে সমস্ত আইনজীবী দ্রুত থানায় পৌঁছতে পারবেন, তাঁদেরও অবিলম্বে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করার আবেদন জানান নেহা।

ঠিক কী হয়েছিল যন্তর মন্তরে?
তিন মহিলা সাংবাদিকের মধ্যে একজনের অভিযোগ, বিক্ষোভস্থলে কেন মহিলা পুলিশকর্মী মোতায়েন করা হয়নি, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার জন্য তাঁকে অ্যাসিস্ট্যান্ট কমিশনার অব পুলিশ বিবেক ভগত যৌন হেনস্থা করেন।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পর তিন মহিলা সাংবাদিকের কাছ থেকেই অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। এই সব অভিযোগগুলি ক্রাইম ব্রাঞ্চে পাঠানো হয়েছে সঠিকভাবে তদন্তের জন্য।

পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ক্রাইম ব্রাঞ্চ অভিযোগগুলি খতিয়ে দেখবে। অভিযোগকারীদের বয়ান রেকর্ড করা হবে। সেই সঙ্গে অন্যান্য ব্যক্তিদেরও বয়ান রেকর্ড করবে ক্রাইম ব্রাঞ্চ।

বিক্ষোভ চলাকালীন সাংবাদিকদের সঙ্গে আচরণের ঘটনায় 'হতবাক ও ক্ষুব্ধ' বলে ইতিমধ্যেই বিবৃতি দিয়েছে প্রেস ক্লাব অফ ইন্ডিয়া। তাদের পক্ষ থেকে অবিলম্বে পদক্ষেপের দাবি জানান হয়েছে। বিক্ষোভ কভার করার সময় সাংবাদিকরা যাতে স্বাধীনভাবে এবং কোনও ভয় ছাড়াই কাজ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করার কথাও বলেছে প্রেস ক্লাব।

FIR দায়ের করতে দেরি নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলেছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। তিনি দাবি করেন, দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে। অর্থাৎ তাঁর ইঙ্গিত ছিল মন্ত্রী অমিত শাহের দিকেই। 

Advertisement

কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরাও গোটা ঘটনায় পুলিশের সমালোচনা করেছেন। তাঁর কথায়, 'যেই পুলিশ বাহিনীর দায়িত্ব মহিলাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, সেই পুলিশের বিরুদ্ধেই মহিলারা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে আতঙ্কিত বোধ করছেন।'

ওদিকে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-র অভিযোগ, ACP ভগত ওই মহিলা সাংবাদিকের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং তাঁকে ভুলভাবে স্পর্শ করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে FIR দায়ের করা হোক। তাঁকে সাসপেন্ড করা হোক।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement