Advertisement

Dhirendra Shastri: রাম-কৃষ্ণের তুলনা টেনে বিপাকে বাগেশ্বর ধামের ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী! আইনি পদক্ষেপ?

রাম ও কৃষ্ণকে নিয়ে মন্তব্যে তীব্র বিতর্কে বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধুসন্ত থেকে রাজনৈতিক মহল।

বাবা বাগেশ্বরের নামে থানায় নালিশ করতে গেলেন পাপ্পু যাদব।বাবা বাগেশ্বরের নামে থানায় নালিশ করতে গেলেন পাপ্পু যাদব।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 03 Nov 2026,
  • अपडेटेड 12:44 PM IST
  • রাম ও কৃষ্ণকে নিয়ে মন্তব্যে তীব্র বিতর্কে বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী।
  • বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধুসন্ত থেকে রাজনৈতিক মহল।
  • ধীরেন্দ্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।  

রাম ও কৃষ্ণকে নিয়ে মন্তব্যে তীব্র বিতর্কে বাগেশ্বর ধামের প্রধান ধীরেন্দ্র কৃষ্ণ শাস্ত্রী। তাঁর বক্তব্যে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন সাধুসন্ত থেকে রাজনৈতিক মহল। বিতর্কের মুখে ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি। কিন্তু তাতেও পরিস্থিতি শান্ত হয়নি। এবার তাঁর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে পৌঁছলেন সাংসদ পাপ্পু যাদব। ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে ধীরেন্দ্রের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন তিনি।  

কী বলেছিলেন ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী?
মধ্যপ্রদেশের শিবপুরী জেলার করেরা এলাকায় একটি রামকথার অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন বাগেশ্বর ধামের প্রধান। সেখানেই ভগবান রাম ও কৃষ্ণের তুলনা করতে গিয়ে এমন মন্তব্য করেন, যা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তাঁর বক্তব্যের ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। আপত্তি জানান বহু মানুষ। বিশেষ করে যাদব সমাজের একাংশ রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ জানান। সাধুসন্তদের একাংশও তাঁর বক্তব্যের বিরোধিতা করেন। পরে ধীরেন্দ্র জানান, রাম ও কৃষ্ণের মধ্যে কোনও ভেদাভেদ তৈরি করা তাঁর উদ্দেশ্য ছিল না।

রাজনৈতিক মহলেও বিতর্ক তুঙ্গে
সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করেছেন। তাঁর বক্তব্য, এটি ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত। বিষয়টি একেবারেই হালকা করে দেখা উচিত নয়। ধীরেন্দ্রের সমস্ত অনুষ্ঠান বাতিল এবং ভবিষ্যতে নতুন করে অনুমতি না দেওয়ার দাবিও তুলেছেন তিনি।

কংগ্রেস নেতা দিগ্বিজয় সিং তাঁকে 'মূর্খ' বলে কটাক্ষ করেছেন। আরজেডি নেতা তেজস্বী যাদবের বক্তব্য, রাম ও কৃষ্ণ একে অপরের পরিপূরক। রাজনৈতিক স্বার্থে দেবদেবীদের মধ্যেও বিভাজন তৈরির চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ তাঁর। 

ধীরেন্দ্র শাস্ত্রী ক্ষমা চাইলেও আপাতত বিতর্কের আঁচ কমছে না। এবার আইনি পদক্ষেপের পর পরিস্থিতি কোনদিকে এগোয়, সে দিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের। 

Read more!
Advertisement
Advertisement