Advertisement

SIR নিয়ে জ্ঞানেশ কুমার একতরফা সিদ্ধান্ত নেননি, সুপ্রিম কোর্টে বিরাট দাবি নির্বাচন কমিশনের

SIR নিয়ে সব সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত। এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন। অন্দরে মতবিরোধের সমস্ত অভিযোগও খারিজ করল ECI।  সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। EC-র দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একা-একা কোনও সিদ্ধান্ত নেননি।

EC-র দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একা-একা কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। EC-র দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একা-একা কোনও সিদ্ধান্ত নেননি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 26 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:30 PM IST
  • SIR নিয়ে সব সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত।
  • এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন। 
  •  অন্দরে মতবিরোধের সমস্ত অভিযোগও খারিজ করল ECI। 

SIR নিয়ে সব সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত। এমনটাই জানাল নির্বাচন কমিশন। অন্দরে মতবিরোধের সমস্ত অভিযোগও খারিজ করল ECI। সুপ্রিম কোর্টে হলফনামা দিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করল নির্বাচন কমিশন। EC-র দাবি, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার একা-একা কোনও সিদ্ধান্ত নেননি। ২০২৫ সালের জুন, অক্টোবর এবং ২০২৬ সালের মে মাসে SIR নিয়ে যে তিনটি নির্দেশ জারি হয়েছিল, তার সবক'টিই তিন সদস্যের সর্বসম্মত অনুমোদনের ভিত্তিতেই হয়েছিল। আদালতে এমনটাই জানিয়েছে কমিশন

কমিশনের বক্তব্য, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বা অন্য নির্বাচন কমিশনারদের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় কোনও প্রশ্ন তোলা বা মতামত দেওয়াকেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বলে ধরে নেওয়া যায় না। সেই অভ্যন্তরীণ প্রশ্ন তোলা বা মত প্রকাশ নিয়েই সংবাদ প্রতিবেদন বের হয়েছিল বলেও হলফনামায় দাবি করা হয়েছে। কমিশন জানিয়েছে, আলোচ্য হলফনামাটিও তিন সদস্যের সম্মতিতেই জমা দেওয়া হয়েছে। কোনও অভ্যন্তরীণ নথি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া হয়নি বলেও দাবি তাদের।

ফর্ম ৬ নিয়ে কী জানাল কমিশন?
নতুন ভোটারদের নাম তালিকায় তোলার জন্য যে ফর্ম সিক্স ব্যবহার করা হয়, তাতে বদলের অভিযোগ উঠেছিল। কমিশনের বক্তব্য, মূল ফর্মে কোনও সংশোধন করা হয়নি। ফর্ম বদলানোর ক্ষমতা কেন্দ্রীয় সরকারের। SIR-এর জন্য প্রয়োজনীয় ঘোষণাপত্রটি আলাদা নথি। তবে অনলাইন আবেদনের ধরন দেখে ফর্ম বদলানো হয়েছে বলে আপাতভাবে মনে হতে পারে, স্বীকার করে নিয়েছে কমিশন। ২১ অক্টোবর থেকে অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে ফর্ম ৬ এবং আলাদা করে ঘোষণাপত্র; এই দুই সেকশন রাখা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন।

কমিশন আরও জানিয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের সময় যাঁদের তথ্য মেলানো যায়নি, তাঁদের আর হেরিংয়ে ডাকা হবে না। বরং বুথ স্তরের আধিকারিকরাই (BLO) পৌঁছে যাবেন তাঁদের বাড়িতে। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় নথি সংগ্রহ করবেন। কিছু ব্যতিক্রমী ক্ষেত্রে আগের মতো হেয়ারিং হতে পারে। সম্ভব হলে তা অনলাইনেই করার কথাও বলা হয়েছে।

ECINet নিয়ে কী বলল কমিশন?
কমিশনের দাবি, ERO-দের নির্দেশ ছাড়া ECINet সিস্টেমে কোনও ভোটারের নাম তালিকায় যোগ বা বাদ দেওয়া যাবে না। এই নিয়ম মানা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে IIT এবং IISc-এর বিশেষজ্ঞদের নিয়ে কমিটি গঠনের কথাও জানিয়েছে তারা।

Advertisement

গোয়ায় ৯৭ জন ভোটারের নাম বাদ পড়ার বিষয়েও মুখ খুলেছে কমিশন। তার বক্তব্য, তাঁদের মধ্যে ৮৮ জনের নাম ইতিমধ্যেই তালিকায় উঠেছে। ছ'জন বিদেশে রয়েছেন এবং তিন জনের পর্তুগিজ পাসপোর্ট রয়েছে।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কাজ থেকে বিরত রাখার আবেদনও খারিজের দাবি জানিয়েছে কমিশন। তাদের বক্তব্য, তাঁকে অপসারণের জন্য সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিকে অপসারণের মতো নির্দিষ্ট সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হয়। বিভিন্ন মামলার বিস্তারিত জবাব বা ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্যও আদালতের কাছে সময় চেয়েছে কমিশন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement