
ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দেবেন না। কেন্দ্রীয় সরকারি সূত্র মারফত এমনটাই জানা যাচ্ছে। এর আগে ককরোচ জনতা পার্টির (CJP) সঙ্গে ম্যারাথন বৈঠক সারেন জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। CJP-র প্রধান দাবি শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা। এদিন আলোচনার পর ২৪ ঘণ্টার সময় চেয়েছিলেন জেপি নাড্ডা ও জিতেন্দ্র সিং। তবে সূত্রের খবর, সম্ভবত ইস্তফা দিচ্ছেন না শিক্ষামন্ত্রী। তবে, আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের একাধিক দাবিতে ইতিমধ্যেই সবুজ সংকেত দিয়েছে মোদী সরকার। নিট কাণ্ডের জেরে যে পড়ুয়ারা আত্মহত্যা করেছেন, তাঁদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান বা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত মিলেছে।
বৈঠক শেষে সিজেপি-র জাতীয় মুখপাত্র আশুতোষ রাঙ্কা জানান, 'আমরা ৩টি মূল দাবি এবং ৫টি শিক্ষাসংস্কারের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করেছি। এর মধ্যে নিহত পড়ুয়াদের পরিবারকে অনুদান এবং আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশি হেনস্থা বন্ধের দাবিতে তাঁদের সায় মিলেছে। কিন্তু শিক্ষামন্ত্রীর ইস্তফা আমাদের প্রধান ও 'নন-নেগোশিয়েবল' দাবি। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে শনিবার দুপুর পর্যন্ত সময় চেয়েছে কেন্দ্র।'
বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে অন্য বিরোধী দলের নেতারাও CJP-র ইস্যুতে সরব হয়েছেন।তাঁরাও ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবি তুলেছেন। তবে কেন্দ্রীয় সূত্রের খবর, ইস্তফা দেওয়াকে দায়িত্ব ঝেড়ে ফেলা বলেই মনে করছেন ধর্মেন্দ্র প্রধান ও সরকার। সেই কারণেই সম্ভবত পদত্যাগ করবেন না তিনি। এখন এই গোটা বিষয়টি কোনদিকে এগোয়, সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।