Advertisement

Election Commission: Form 7 নিয়ে কমিশনের নয়া নির্দেশ, জমা পড়লেই নাম বাদ নয়, ঠিক কী বলা হয়েছে? বিস্তারিত

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বলছে, ফর্ম ৭ জমা পড়ার পর সরাসরি অথবা বিএলও-র সুপারিশের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করবেন ERO বা নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক। প্রথমেই যিনি আপত্তি জানিয়েছেন, সেই ব্যক্তিকে নোটিস পাঠাতে হবে।

বিএলও ভোটার তালিকা মেলাচ্ছেন- পিটিআই ফাইল ছবিবিএলও ভোটার তালিকা মেলাচ্ছেন- পিটিআই ফাইল ছবি
সঞ্জয় শর্মা
  • নয়াদিল্লি,
  • 10 Oct 2026,
  • अपडेटेड 12:09 PM IST
  • ব্যক্তিগতভাবে সর্বাধিক ১০টি ফর্ম 7 জমা দিতে পারবেন
  • নির্বাচন কমিশনের ফর্ম ৭ কী?
  • যাঁর বিরুদ্ধে আপত্তি, তাঁকেও শুনানির সুযোগ

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে যখন দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে, SIR-এ কমিশনের ভূমিকা নিয়ে যখন প্রশ্ন উঠছে, তখন  SIR নাম বৈধ নাম বাদ যাওয়াদের নাম তুলতে একেবারে উঠে পড়ে লেগেছে কমিশন। পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশজুড়ে  SIR প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। রাজধানী দিল্লি সহ দেশজুড়ে তীব্র আন্দোলন চলছে। এহেন পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা থেকে কোনও ব্যক্তির নাম বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম 7 জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করল নির্বাচন কমিশন। 

ব্যক্তিগতভাবে সর্বাধিক ১০টি ফর্ম 7 জমা দিতে পারবেন

কমিশন জানিয়েছে, অনলাইন ও অফলাইন, দুই মাধ্যমেই এই ফর্ম জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আবেদনের সর্বোচ্চ সংখ্যা নির্দিষ্ট করা হয়েছে। একই সঙ্গে ফর্ম জমা পড়ার পর আপত্তির শুনানি এবং তা নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া নিয়েও বিস্তারিত নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। দাবি ও আপত্তি জানানোর নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে কোনও ভোটার ব্যক্তিগতভাবে সর্বাধিক ১০টি ফর্ম 7 জমা দিতে পারবেন। অন্যদিকে ভোটার তালিকার ধারাবাহিক সংশোধন প্রক্রিয়া চলাকালীন প্রতি মাসে সর্বাধিক পাঁচটি ফর্ম জমা দেওয়া যাবে। অনলাইন এবং অফলাইন, উভয় ক্ষেত্রেই এই নিয়ম কার্যকর হবে।

নির্বাচন কমিশনের ফর্ম ৭ কী?

ফর্ম ৭ মূলত তিনটি কারণে জমা দেওয়া যায়। প্রথমত, ভোটার তালিকায় অন্য কোনও ব্যক্তির নাম থাকা নিয়ে আপত্তি জানাতে এই ফর্ম ব্যবহার করা যায়। দ্বিতীয়ত, কোনও ভোটার চাইলে ভোটার তালিকা থেকে নিজের নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানাতে পারেন। তৃতীয়ত, কোনও ভোটারের মৃত্যু হলে বা তিনি স্থায়ীভাবে অন্যত্র চলে গেলে, ভোটার তালিকা থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়ার জন্য ফর্ম ৭ জমা দেওয়া যায়। 

ফর্ম জমা পড়লে কী হবে?

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ বলছে, ফর্ম ৭ জমা পড়ার পর সরাসরি অথবা বিএলও-র সুপারিশের ভিত্তিতে পদক্ষেপ করবেন ERO বা নির্বাচনী নিবন্ধন আধিকারিক। প্রথমেই যিনি আপত্তি জানিয়েছেন, সেই ব্যক্তিকে নোটিস পাঠাতে হবে। এরপর তাঁর বক্তব্য শুনতে হবে ব্যক্তিগতভাবে। প্রতিটি ফর্ম ৭-এর ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আপত্তিকারীর বক্তব্য আলাদাভাবে নথিভুক্ত করতে হবে। তাঁর যুক্তি এবং পেশ করা প্রমাণও নথিতে রাখতে হবে। আপত্তির ভিত্তি কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা খতিয়ে দেখে এ বিষয়ে নিজে নিশ্চিত হতে হবে ERO-কে। কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে ফর্ম ৭ জমা পড়লেই তাঁর নাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। সংশ্লিষ্ট আপত্তির গ্রহণযোগ্যতা যাচাই করার পরই পরবর্তী পদক্ষেপ করা যাবে।

Advertisement

যাঁর বিরুদ্ধে আপত্তি, তাঁকেও শুনানির সুযোগ

নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ, আপত্তিকারীর বক্তব্য শোনার পাশাপাশি যাঁর নাম বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে, তাঁকেও নিজের বক্তব্য পেশ করার সুযোগ দিতে হবে। ERO আপত্তির বৈধতা সম্পর্কে নিশ্চিত হলে তবেই ১৯৬০ সালের নির্বাচনী নিবন্ধন বিধির ১৯ ও ২০ নম্বর নিয়ম অনুযায়ী আবেদনটির নিষ্পত্তি করবেন। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট ভোটারের বক্তব্য না শুনে একতরফাভাবে সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় যাতে নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে পদক্ষেপ করা হয় এবং সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ নিজেদের বক্তব্য জানানোর সুযোগ পান, সেই বিষয়টিতেই জোর দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। 

Read more!
Advertisement
Advertisement