Advertisement

Seema Khanna Election Commission: নির্বাচন কমিশনের DG (IT) সীমা খান্নাকে ঘিরে বিতর্ক, ভোটার সফটওয়্যার নিয়ে ঠিক কী অভিযোগ?

নির্বাচন কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (আইটি) হলেন সীমা খান্না। তার উপর অনেক দায়িত্ব। তিনি মূলত কমিশনের ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত দিক দেখভাল করেন। এখন জ্ঞানেশ কুমারের পর তাঁকে নিয়েই চরম বিতর্ক। ঠিক কী অভিযোগ রয়েছে? জেনে নিন।

নির্বাচন কমিশনের DG (IT) সীমা খান্না (Photo: X/ECISVEEP)নির্বাচন কমিশনের DG (IT) সীমা খান্না (Photo: X/ECISVEEP)
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 25 Sep 2026,
  • अपडेटेड 8:06 AM IST
  • নির্বাচন কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (আইটি) হলেন সীমা খান্না
  • তার উপর অনেক দায়িত্ব
  • এখন জ্ঞানেশ কুমারের পর তাঁকে নিয়েই চরম বিত

এসআইআর নিয়ে বিতর্কের মুখে ভারতের নির্বাচন কমিশন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের দিকে ধেয়ে আসছে একের পর এক আক্রমণ। আর ঠিক তারপরই যাকে নিয়ে সবথেকে বেশি বিতর্ক, তিনি হলেন নির্বাচন কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (আইটি) সীমা খান্না। ভোটার তালিকা সংশোধনের সফটওয়্যার নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ সামনে এসেছে। 

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক তদন্তমূলক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি প্রশ্ন তুলেছেন যে ইআরও-দের অ্যাক্সেস সীমিত করার এবং তাঁদের ক্ষমতা কমানোর অধিকার সীমা খান্নার রয়েছে কি না।
 
আসলে সীমা খান্না নির্বাচন কমিশনের আইটি বিভাগের প্রধান। তিনি কমিশনের ডিজিটাল ও প্রযুক্তিগত দিক দেখভাল করেন। ২০২৫ সালে ন্যাশনাল ইনফরমেটিক্স সেন্টার থেকে ডেপুটেশনে তিনি নির্বাচন কমিশনে যোগ দেন। তারপরই বিতর্কের শীর্ষে উঠে এসেছেন তিনি।

কী নিয়ে বিতর্ক?
এই বিতর্কের কেন্দ্রে রয়েছে ECINet এবং ERONet নামক দু'টি সফটওয়্যার। এই দু'টি সফটওয়্যার ভোটার তালিকা সংক্রান্ত কাজের জন্য নির্বাচন কমিশনের ব্যবহার করে। ২০২৬ সালের ২২ জানুয়ারি নির্বাচন কমিশন ECINet চালু হয়। এর মাধ্যমে ৪০টিরও বেশি অ্যাপ ও পোর্টালকে একটি প্ল্যাটফর্মের আওতায় আনা হয়। সেই সময় নির্বাচন কমিশনের ডিরেক্টর জেনারেল (আইটি) সীমা খান্না জানিয়েছিলেন, এই প্ল্যাটফর্মের জন্য স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়বে। তবে বাস্তবে এর উল্টোটা হয় বলে অভিযোগ।

বিতর্ক তৈরি হয় সফটওয়্যারে কিছু পরিবর্তন নিয়ে। অভিযোগ, সফটওয়্যারে কিছু বদলের ফলে ইআরও-রা তাঁদের দায়িত্ব স্বাধীনভাবে পালন করতে পারছিলেন না।

কোন ঘটনা নিয়ে বিতর্ক?
এই বিতর্কে গোয়ার একটি ঘটনার উল্লেখ করা হয়েছে। সেখানে ইআরও-রা ৯৭ জন নতুন ভোটারের নাম ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার অনুমোদন দিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। কিন্তু ডেটাবেসে অ্যাক্সেস সংক্রান্ত সমস্যার কারণে সেই নামগুলি ভোটার তালিকায় যোগ করা সম্ভব হয়নি।

ওই সময়ে গোয়ার মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) দফতর ১১ থেকে ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে আটবার নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি পাঠায়। চিঠিগুলি সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ ভারতীকে পাঠানো হয়েছিল। প্রতিটি চিঠির কপি দেওয়া হয়েছিল সীমা খান্নাকেও। সেখানে রোলব্যাক ফেসিলিটি চালু করার আবেদন জানানো হয়।

Advertisement

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, পরে ডেপুটি নির্বাচন কমিশনার সঞ্জয় কুমার চিঠি লিখে সীমা খান্নাকে বিষয়টা নিশ্চিত করতে বলেন। যাতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে আইটি সিস্টেম কোনও বাধা তৈরি না করে।

দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গোয়ার এই ঘটনা ঘটার আগেই ২০২৫ সালের ৪ নভেম্বর এবং ২০২৬ সালের ২ জানুয়ারি সঞ্জয় কুমার সীমা খান্নাকে চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে বলা হয়েছিল, আইটি সিস্টেম যেন ইআরও-দের আইনত ক্ষমতা ও কাজের ক্ষেত্রে কোনও বাধা না তৈরি করে।

ভোটার সফটওয়্যার নিয়ে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেই মতবিরোধ
এই বিতর্কের জেরে নির্বাচন কমিশনের অন্দরেও মতপার্থক্য তৈরি হয়েছে বলে খবর। নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক যোশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার এবং ক্যাবিনেট সচিব টি ভি সোমনাথনকে চিঠি লিখে ভোটার তালিকার ডেটাবেসের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। 

তাঁদের অভিযোগ, ডিরেক্টর জেনারেল (আইটি)-এর ইআরও-দের ক্ষমতা ও অ্যাক্সেস নিয়ন্ত্রণ করার আইনগত অধিকার নেই। যাঁরা গ্রাউন্ড লেভেলে কাজ করছেন, সেই সব আধিকারিকদের সম্পূর্ণ ডিজিটাল অ্যাক্সেস ফিরিয়ে দেওয়ার দাবিও তাঁরা জানিয়েছিলেন।

এরপর বিষয়টি রাজনৈতিক বিতর্কের রূপ নেয়। কংগ্রেস, আম আদমি পার্টি (আপ), সমাজবাদী পার্টি এবং তৃণমূল কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি সীমা খান্না এবং জ্ঞানেশ কুমারকে নিশানা করে।

 

Read more!
Advertisement
Advertisement