Advertisement

Gyanesh Kumar কে না লিখে ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি দুই নির্বাচন কমিশনারের, তাতে কী লেখা?

ভারত সরকারের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক সংস্থা ক্যাবিনেট সচিবালয় সেবা তীর্থ চত্বরে অবস্থিত। একই চত্বরে রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দফতর এবং জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিবালয়ও।

দুই নির্বাচন কমিশনারের চিঠি।দুই নির্বাচন কমিশনারের চিঠি।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 21 Oct 2026,
  • अपडेटेड 9:12 PM IST
  • দুই নির্বাচন কমিশনার তাঁদের চিঠিতে ঠিক কী লিখেছিলেন।
  • চিঠির বিষয়বস্তু প্রকাশ করা হয়নি।

গত ২৯ জুলাই নজিরবিহীন পদক্ষেপ করেছিলেন ভারতের তিন নির্বাচন কমিশনারের মধ্যে দুজন। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে চিঠি না লিখে তাঁরা পাঠিয়েছিলেন ক্যাবিনেট সচিবের কাছে। সেখানে ওই চিঠিগুলির কী হয়েছিল, তা জানা গেল ইন্ডিয়া টুডে-র হাতে আসা তথ্য জানার অধিকার (RTI) সংক্রান্ত জবাব থেকে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর আরটিআইয়ের মাধ্যমে একটি আবেদন করা হয়েছিল। ১৯ অক্টোবর আসে জবাব। তাতে এটা নিশ্চিত হয়েছে, দুই নির্বাচন কমিশনার সুখবীর সিং সান্ধু এবং বিবেক জোশীর লেখা চিঠি ক্যাবিনেট সচিবালয়ে পৌঁছেছিল। দুটি চিঠিরই তারিখ ছিল ২৯ জুলাই।

আরটিআইয়ের জবাবে কী জানা গেল?

ইন্ডিয়া টুডে-র প্রশ্নের উত্তরে দেওয়া আরটিআইয়ের জবাব থেকে স্পষ্ট, এটিই প্রথম সরকারি ডকুমেন্ট, যেখানে চিঠি দুটির অস্তিত্ব, সেগুলি পৌঁছনোর তারিখ এবং ক্যাবিনেট সচিবের দফতর থেকে কোথায় পাঠানো হয়েছিল, তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এত দিন মূলত ফাঁস হওয়া তথ্য এবং প্রেস বিজ্ঞপ্তির উপর নির্ভর করেই বিতর্ক চলছিল।

কেন ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লিখেছিলেন নির্বাচন কমিশনাররা?

বিতর্কের সূত্রপাত ২৮ জুলাইয়ের কমিশনের কাজ সংক্রান্ত নির্দেশকে ঘিরে। একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ওই নির্দেশের বিরোধিতা করেছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার। তাঁদের অভিযোগ ছিল, নির্দেশটি নিয়মবিরুদ্ধ। সেই মর্মেই তাঁরা ক্যাবিনেট সচিবকে চিঠি লেখেন। পরে ওই নতুন কাজের নির্দেশ বাতিল করে দেওয়া হয়। দুই নির্বাচন কমিশনার এও স্পষ্ট করেছিলেন যে, ওই পরিবর্তন সম্পর্কে তাঁদের জানানো হয়নি। এই পদক্ষেপ ছিল 'প্রচলিত রীতির আমূল পরিবর্তন' বলে উল্লেখ করেছিল ওই দৈনিক।

অন্যদিকে, বিষয়টি সম্পর্কে অবহিত এক ব্যক্তির সূত্র উল্লেখ করে আরও একটি সংবাদপত্র আগে জানিয়েছিল, ওই চিঠির বিষয়বস্তু কোনও ভাবেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে ছিল না। বরং নির্বাচন কমিশনের এক সিনিয়র ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারকে নিয়েই আপত্তি জানিয়েছিলেন দুই কমিশনার। 

চিঠিতে কী রয়েছে?

দুটি চিঠিই ৩০ জুলাই প্রাপ্তিস্বীকার করা হয়। তার পর ৫ অগাস্ট ক্যাবিনেট সচিব সেগুলি কর্মিবর্গ ও প্রশিক্ষণ দফতর এবং মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের দফতরে পাঠিয়ে দেন। তবে চিঠিগুলিতে ঠিক কী লেখা ছিল, তা এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। সচিবালয় জানিয়েছে, ২৮ টাকা ফি জমা না পড়া পর্যন্ত মোট ১৪ পাতার ডকুমেন্ট দেওয়া হবে না। এর মধ্যে রয়েছে দুই নির্বাচন কমিশনারের লেখা ১০ পাতার চিঠি, জবাবের দুটি পাতা এবং ফাইলের নোটিংয়ের দুটি পাতা।

Advertisement

নির্বাচন কমিশনের কী বক্তব্য?

২৬ সেপ্টেম্বর একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করে নিজেদের বক্তব্য জানায় নির্বাচন কমিশন। তাতে বলা হয়,'ক্যাবিনেট সচিবকে লেখা চিঠিটি কমিশনের কোনও নীতিগত বিষয় বা তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের সঙ্গে সম্পর্কিত ছিল না। বরং নির্বাচন কমিশনে ডেপুটেশনে কর্মরত এক আধিকারিকের কাজকর্ম নিয়ে ওই চিঠি লেখা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকের জারি করা কাজের নির্দেশ দুই কমিশনারের হস্তক্ষেপের পর বাস্তবায়িত হয়নি। তথ্যপ্রযুক্তি বিভাগের উপর ডেপুটি নির্বাচন কমিশনারের নজরদারিও কখনও বাস্তবে প্রত্যাহার করা হয়নি'।

এর পর কী?

ইন্ডিয়া টুডে জানিয়েছে, তারা ২৮ টাকা ফি জমা দেবে। নথিগুলি হাতে এলে দুই নির্বাচন কমিশনার তাঁদের চিঠিতে কী লিখেছিলেন এবং ক্যাবিনেট সচিব কী জবাব দিয়েছিলেন, তা নিয়ে প্রতিবেদন করা হবে। নথি পাওয়ার জন্য নির্ধারিত ২৮ টাকা ডিমান্ড ড্রাফ্ট, ব্যাঙ্কারের চেক, ইন্ডিয়ান পোস্টাল অর্ডার বা নগদে জমা দেওয়া যায়। এই ফি জমা দেওয়ার জন্য ডিজিটাল পেমেন্টের কোনও ব্যবস্থা নেই বলে জানিয়েছে সচিবালয়।

Read more!
Advertisement
Advertisement