Advertisement

Vegetarian Fish: 'পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রান্না করলেই মাছ নিরামিষ!' উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রীর আজব যুক্তি ঘিরে বিতর্ক

শ্রাবণ মাসে কংগ্রেসের ইভেন্টে অযোধ্যায় মাছ খাওয়া হয়। তা নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। এরপরই উত্তরপ্রদেশের এক ক্যাবিনেট মন্ত্রী দাবি করে বসেন, পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রান্না করলে মাছ নিরামিষ হয়ে যায়।

প্রতীকী ছবি প্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • উত্তরপ্রদেশ,
  • 24 Aug 2026,
  • अपडेटेड 1:00 PM IST
  • পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রাঁধলেই নিরামিষ
  • পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রাঁধলেই নিরামিষ
  • উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রীর আজব যুক্তি

পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রান্না করলেই মাছ নিরামিষ হয়ে যায়! এমন অভিনব কথা জানালেন উত্তরপ্রদেশ সরকারের ক্যাবিনেট মন্ত্রী এবং সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টির (SBSP) সভাপতি ওমপ্রকাশ রাজভর। কিন্তু আচমকা কেন এমনটা বললেন যোগী রাজ্যের এই মন্ত্রী? 

জানা গিয়েছে, সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশের অপর এক ক্যাবিনেট মন্ত্রী সঞ্জয় নিষাদের মাছ নিয়ে করা বক্তব্যের সমর্থনে ওমপ্রকাশ রাজভর বলেন, 'পেঁয়াজ ও রসুন দিয়ে মাছ রান্না করলে সেটা আমিষ হয় কিন্তু পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া মাছের ঝোল বা কালিয়া নিরামিষ।'

সঞ্জয় নিষাদের প্রশ্ন ছিল, মাছকে কি কোনও ভাবে নিরামিষ বলা যেতে পারে? এর জবাবে ওমপ্রকাশ রাজভর পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ টানেন। নির্বাচনের আগে BJP নেতাদের বাংলায় গিয়ে মাছ কেনা এবং মাছ খাওয়া নিয়ে তিনি বলেন, 'বিভিন্ন রাজ্যের পরিস্থিতি আলাদা। বাংলায় ধর্মীয় অনুষ্ঠানেও মাছ খাওয়ার প্রচলন রয়েছে। কিন্তু উত্তরপ্রদেশে তেমনটা হয় না। বাংলায় এখন BJP সরকার চলছে, সে কারণে সেখানকার অবস্থা ভিন্ন।'

শ্রাবণ মাসে অযোধ্যায় কংগ্রেসের একটি ইভেন্টে মাছ দেওয়া হয়। সেই থেকেই বিতর্কের সূত্রপাত। আর তাতেই মন্ত্রী সঞ্জয় নিষাদ বলেন, 'মাছ নিরামিষ খাবার।'

সঞ্জয় নিষাদের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে ওমপ্রকাশ রাজভর বলেন, 'উনি এ কথা বলে থাকলে ঠিকই বলেছেন। মাছ পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রান্না করলে তা আর আমিষ থাকে না, নিরামিষ হয়ে যায়। আমাদের এটা মানতেই হবে। কংগ্রেসকে প্রশ্ন করা উচিত, ওদের ইভেন্টে দেওয়া মাছ পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রান্না হয়েছিল কি না।'জানা গিয়েছে, সঞ্জয় নিষাদ এমনকী এ-ও বলেছেন, সমস্ত মহারাজজিরাও মেনে নিয়েছেন পেঁয়াজ-রসুন ছাড়া রান্না করলে মাছ নিরামিষ হয়ে যায়। যদিও BJP-র উত্তরপ্রদেশের রাজ্য সভাপতি পঙ্কজ চৌধুরী কংগ্রেসের সমালোচনা করে বলেন, 'সনাতন ধর্মকে অসম্মান করা হয়েছে। এটাই ওদের জাত। শ্রাবণের পবিত্র মাসে অযোধ্যায় কংগ্রেসের প্রদেশ সভাপতিকে স্বাগত জানানো হচ্ছে মাছের উৎসব করে! এটা ক্ষমার অযোগ্য কাজ। হিন্দু বিশ্বাস, সংস্কৃতি এবং সনাতনী ভাবাবেদ আঘাত করাই ওদের স্বভাব।'

Advertisement

 

Read more!
Advertisement
Advertisement