Advertisement

LoC পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা, ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে নিহত লস্কর কমান্ডার-সহ ৪ জঙ্গি

পরে সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে মাইন দু’টি নিষ্ক্রিয় করেন। গত এক সপ্তাহে ওই এলাকায় প্রায় এক ডজন স্থলমাইন খুঁজে পাওয়া এবং নিষ্ক্রিয় করার খবরও সামনে এসেছে।

প্রতীকী ছবিপ্রতীকী ছবি
Aajtak Bangla
  • দিল্লি,
  • 12 Oct 2026,
  • अपडेटेड 10:07 PM IST
  • এই ঘটনার পরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় সতর্কতা জারি করে নিরাপত্তাবাহিনী
  • নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানো হয়, যাতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা যায় এবং কোনও ধরনের নিরাপত্তার ফাঁক না থাকে

জমিতে পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মৃত্যু হল চার জঙ্গির। জম্মু ও কাশ্মীরের পুঞ্চ জেলার কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরে নিয়ন্ত্রণরেখা (LoC) পেরিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিল ওই জঙ্গিরা। সেই সময়ই মাইন বিস্ফোরণ ঘটে। নিহতদের মধ্যে লস্কর-ই-তইবার শীর্ষ কমান্ডার মহম্মদ ফৈজান রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। বাকি তিন জঙ্গির নাম ওয়াকাস, ইশতিয়াক এবং আসিম।

নাঙ্গি টেকরির কাছে কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরে অনুপ্রবেশ রুখতে নিরাপত্তাব্যবস্থার অংশ হিসেবে মাইন পুঁতে রাখা হয়েছিল। অনুপ্রবেশের চেষ্টা করার সময় সেই মাইন বিস্ফোরিত হয়। ঘটনাস্থলেই চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে ওই এলাকায় নজরদারি আরও জোরদার করেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

বিস্ফোরণের পর নিরাপত্তায় কড়াকড়ি

সোমবার কৃষ্ণা ঘাঁটি সেক্টরের জিরো লাইনের কাছে সাতওয়াল-নাকি এলাকায় আরও একটি বিস্ফোরণের খবর সামনে আসে। আধিকারিকদের সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়ন্ত্রণরেখার পাকিস্তান দিক দিয়ে একদল লোক চলাচল করার সময় সন্দেহভাজন একটি আইইডি বিস্ফোরিত হয়।

প্রাথমিকভাবে হতাহতের খবর পাওয়া গেলেও, ঠিক কত জনের মৃত্যু হয়েছে বা কত জন আহত হয়েছেন, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। ওই দলের সদস্যরা ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করা জঙ্গি, নাকি পাকিস্তানের নিরাপত্তাবাহিনীর টহলদার সদস্য, তা নিয়েও সংশয় ছিল। পরে ৪ জনের মৃত্যুর খবর সামনে আসে। 

এই ঘটনার পরই সংশ্লিষ্ট এলাকায় সতর্কতা জারি করে নিরাপত্তাবাহিনী। নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর নজরদারি বাড়ানো হয়, যাতে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা যায় এবং কোনও ধরনের নিরাপত্তার ফাঁক না থাকে।

মেন্ধরেও উদ্ধার দুটি স্থলমাইন

এদিকে, সোমবার পুঞ্চ জেলার মেন্ধর সেক্টরের বাসোনি এলাকায় সীমান্তের বেড়ার কাছে দুটি পুরনো, মরচে ধরা স্থলমাইনের সন্ধান পান সেনা জওয়ানরা। ট্র্যাক নির্মাণের কাজ চলার সময় সকাল ৮টা ২৫ মিনিট এবং দুপুর ১২টা ১০ মিনিটে বিস্ফোরক দু’টি নজরে আসে।

পরে সেনাবাহিনীর বিস্ফোরক বিশেষজ্ঞরা নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে মাইন দু’টি নিষ্ক্রিয় করেন। গত এক সপ্তাহে ওই এলাকায় প্রায় এক ডজন ল্যান্ডমাইন খুঁজে পাওয়া এবং নিষ্ক্রিয় করার খবরও সামনে এসেছে।

Advertisement

নিয়ন্ত্রণরেখায় কেন বিপজ্জনক ল্যান্ডমাইন?

নিয়ন্ত্রণরেখার সামনের এলাকাগুলিতে অনুপ্রবেশ ঠেকানোর ব্যবস্থার অংশ হিসেবে বহু জায়গায়  রাখা রয়েছে। সীমান্ত পেরিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা রুখতেই এই বিস্ফোরক ব্যবহার করা হয়।

তবে ভারী বৃষ্টিতে মাটি সরে গেলে বা জলের স্রোতে মাইন অন্য জায়গায় চলে এলে সেগুলি মাটির উপরে উঠে আসতে পারে। এর ফলে নিরাপত্তাবাহিনীর পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের জন্যও বিপদের আশঙ্কা তৈরি হয়। 

Read more!
Advertisement
Advertisement