
গুজরাত বিধানসভা নির্বাচনে (Gujarat Assembly Election 2022) দ্বিতীয় ও শেষ দফার ভোট গ্রহণ আজ শেষ হচ্ছে। ১৪টি জেলায় ৯৩টি আসনে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব। ভোট শেষ হলে গুজরাত ও হিমাচলপ্রদেশ এগজিট পোল (India Today Axis My India Exit Poll) রেজাল্ট বেরবে। একই সঙ্গে দিল্লি নগর নিগম ভোটেরও বুথফেরত সমীক্ষার ফল প্রকাশ হবে। গুজরাত ও হিমাচলপ্রদেশে কারা ক্ষমতায় আসছে, তার একটা আভাস মিলবে এগজিট পোল রেজাল্ট থেকে। গুজরাত ও হিমাচলে রেজাল্ট বেরবে ৮ ডিসেম্বর, দিল্লি নগর নিগমে ভোটের রেজাল্ট ৭ ডিসেম্বর।
কীভাবে করা হয় Exit Poll?
এগজিট পোল হল একটি সার্ভে, যা বেশ কিছু প্রশ্নের ভিত্তিতে করা হয়। ভোটারদের একাংশকে জিগ্গেস করা হয়, কাকে ভোট দিলেন। এই সার্ভে ভোটগ্রহণের দিনই হয়। পোলিং বুথের বাইরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা হয়। তারপর বিশ্লেষণ করা হয়।
তিন ধরনের সার্ভে হয়
১. প্রি পোল সার্ভে: ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণার পরে এবং ভোটি শুরু হওয়ার ঠিক মুখে এই সার্ভে করা হয়। যেরকম গুজরাত ভোটের দিন ঘোষণা হয়েছিল ৩ নভেম্বর, ১ ডিসেম্বর ভোটগ্রহণ শুরু। প্রি-পোল সার্ভে ৩ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বরের মধ্যে হয়েছে।
২. এগজিট পোল: ভোটগ্রহণের দিন এই সার্ভে হয়। বাংলায় একে বুথফেরত সমীক্ষা বলা হয়ে থাকে। ভোট দেওয়ার পর ভোটারদের মন বোঝার চেষ্টা করা হয়। পোলিং বুথের বাইরে ভোটারদের সঙ্গে কথা বলা হয়।
৩. পোস্ট পোল: এই সার্ভেটি করা হয় ভোটগ্রহণের পরে। যেমন, ৫ ডিসেম্বর ভোট শেষ হয়ে যাচ্ছে। এর এক-দুদিন পর পোস্ট পোল সার্ভে শুরু হয়ে যাবে।
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে ওপিনিয়ন পোল এবং এগজিট পোলের উপর নিষেধাজ্ঞা চেয়ে ২০০৪ সালে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের সংশোধনীর প্রস্তাব আনে নির্বাচন কমিশন। এ ব্যাপারে তারা আইন মন্ত্রকের দ্বারস্থ হয়। কমিশনের সঙ্গে একমত ছিল ৬টি জাতীয় দল এবং ১৮টি রাজ্যভিত্তিক দল। এই প্রস্তান আংশিকভাবে গৃহীত হয় ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। জনপ্রতিনিধিত্ব আইনে ১২৬ (এ) ধারা সংযোজনের মাধ্যমে কেবলমাত্র এগজিট পোলের উপর বিধিনিষেধ জারি করা হয়।