Advertisement

দুই বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে আগুনে পুড়ে ৫ জনের মৃত্যু, আহত অনেকে

স্থানীয় সূত্রে খবর, উভা গ্রামের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি বাসের মধ্যে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই উল্টে যাওয়া বাসটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়।

বাসের সংঘর্ষ বাসের সংঘর্ষ
Aajtak Bangla
  • সুরাত ,
  • 02 Jun 2026,
  • अपडेटेड 6:41 PM IST
  • আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালগুলিতে ভর্তি করা হয়েছে
  • তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর।

গুজরাতের সুরাত জেলার বারদোলি এলাকার উভা গ্রামের কাছে ভয়ঙ্কর দুর্ঘটনা। এর জেরে অন্তত পাঁচ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। তবে মৃতের সংখ্য়া আরও বাড়তে পারে। মহারাষ্ট্রের নম্বরযুক্ত দুটি বিলাসবহুল যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনায় বহু যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। 

স্থানীয় সূত্রে খবর, উভা গ্রামের কাছ দিয়ে যাওয়ার সময় দুটি বাসের মধ্যে ধাক্কা লাগে। সংঘর্ষের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে একটি বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার উপর উল্টে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই উল্টে যাওয়া বাসটিতে ভয়াবহ আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো বাসে ছড়িয়ে পড়ে এবং বাসটিকে আগুনের লেলিহান শিখায় গ্রাস হয়ে যায়।

বাসে আগুন লাগার ফলে ভিতরে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধার করা অত্যন্ত কঠিন হয়ে পড়ে। ঘটনাস্থলে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং চারদিকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু হয়। অন্য বাসটির সামনের অংশও সংঘর্ষে ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

দুর্ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায় বারদোলি ফায়ার ব্রিগেডের একাধিক দল এবং স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন। দমকলকর্মীরা দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হন। এরপর শুরু হয় জোরকদমে উদ্ধার অভিযান। বাসের ভিতরে আটকে পড়া যাত্রীদের বের করে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে।

আহতদের দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালগুলিতে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে খবর। ফলে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন প্রশাসনের আধিকারিকরা।

দুর্ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিক তদন্তে মনে করা হচ্ছে, অতিরিক্ত গতি বা চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণেই এই সংঘর্ষ ঘটতে পারে। পুলিশ ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বয়ান সংগ্রহ করা হচ্ছে।

এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এলাকায়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে মৃতদের পরিচয় শনাক্ত করার পাশাপাশি আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও সহায়তা দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। উদ্ধারকাজ সম্পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত হতাহতের প্রকৃত সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে প্রশাসন।

Advertisement
Read more!
Advertisement
Advertisement