Advertisement

Gyanesh Kumar: জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ, 20 বছর পরে খুলছে ফাইল

জ্ঞানেশ কুমার কেরলম ক্যাডারের ১৯৮৮ ব্যাচের অবসরপ্রাপ্ত আইএএস আধিকারিক। ওই সময় তিনি কেরলমের পূর্ত দফতরে কর্মরত ছিলেন। অভিযোগ ঘিরে বিতর্ক শুরু হওয়ার পর বছর শেষ হওয়ার আগেই তাঁকে অন্যত্র বদলি করা হয়েছিল।

জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তে নির্দেশ।জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তে নির্দেশ।
Aajtak Bangla
  • কলকাতা ,
  • 04 Oct 2026,
  • अपडेटेड 8:57 PM IST
  • কেরলমের পূর্ত দফতরে কর্মরত ছিলেন।
  • ২০০৬ সালের ঘটনায় তদন্ত শুরু।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে তদন্তের নির্দেশ দিল কেরলম সরকার। অভিযোগের সূত্রপাত প্রায় ২০ বছর আগে ২০০৬ সালে। সেই সময় কেরলমের পূর্ত দফতর সচিব পদে ছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতি এবং পদের অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। সেই পুরনো অভিযোগই এবার নতুন করে খতিয়ে দেখবে কেরলমের তদন্তকারী দল। গোটা বিষয়টির সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে ২০০৬ সালে মালয়েশীয় সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লি সি বিনের আত্মহত্যার ঘটনাও।

জ্ঞানেশের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়েছে কেরলমের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালারের নির্দেশে। কংগ্রেস নেতা মালয়নকিজু ভেণুগোপালের অভিযোগের ভিত্তিতে এই পদক্ষেপ। ওই অভিযোগে বলা হয়েছে, কেরল স্টেট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের অধীনে রাস্তা নির্মাণের বিভিন্ন কাজের বরাতে অর্থ নয়ছয় করেছিলেন জ্ঞানেশ কুমার। 

২০০৬ সালে ঠিক কী ঘটেছিল?

ঘটনার সূত্রপাত ২০০৬ সালে। সেই সময় মালয়েশিয়ার সিভিল ইঞ্জিনিয়ার লি সি বিন আত্মহত্যা করেন। ইন্দো-মালয়েশিয়ান যৌথ উদ্যোগ PATIBEL-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ওই কনসোর্টিয়াম কেরল স্টেট ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের অধীনে এমসি রোড বানানোর কাজে যুক্ত ছিল। এই রাস্তাটি তিরুঅনন্তপুরম থেকে অঙ্গমালি পর্যন্ত প্রায় ২৪০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য সড়ক।

আত্মহত্যার ঘটনায় জ্ঞানেশের যোগ?

কেরলের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রমেশ চথালা জানিয়েছেন, আত্মহত্যার আগে চিফ প্রজেক্ট ম্যানেজার লি একটি নোট রেখে গিয়েছিলেন। সেই নোটে জ্ঞানেশ কুমারের নাম ছিল। অভিযোগ, ২০০৬ সালে শুরু হওয়া মূল তদন্তটি ইচ্ছাকৃতভাবে ভেস্তে দেওয়া হয়েছিল। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই কংগ্রেস নেতা মালয়ানকিজু ভেণুগোপাল একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। তারপরেই নতুন করে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আগেও হয়েছিল তদন্ত

মালয়েশীয় ইঞ্জিনিয়ারের মৃত্যুর পর ২০০৬ সালেই ভিজিল্যান্স তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল বলে জানা গিয়েছে। সেই তদন্ত আর এগোয়নি বলে দাবি কংগ্রেসের ওই নেতার। এরপর জ্ঞানেশ কুমার ডেপুটেশনে প্রতিরক্ষামন্ত্রকে চলে যান। 

নতুন করে তদন্ত কেন?

অভিযোগকারী কংগ্রেস নেতা এও জানিয়েছেন, আগে ভিজিল্যান্স তদন্ত শুরু হলেও তা আচমকাই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। সেই সময় নিজের প্রভাব কাজে লাগিয়ে জ্ঞানেশ কুমার রেহাই পেয়েছিলেন।

Advertisement

পুরনো ডকুমেন্ট 

ভিজিল্যান্স বিভাগের কাছে মালয়েশীয় ম্যানেজারের মৃত্যু এবং ২০০৬ সালের পূর্ত দফতরের প্রকল্প সংক্রান্ত সমস্ত নথি চেয়েছে কেরলমের স্বরাষ্ট্র দফতর। নতুন তদন্তে দেখা হবে, প্রাথমিক তদন্ত কি বেআইনিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল? লি সি বিন যে অভিযোগ করেছিলেন, তা প্রমাণ করার মতো যথেষ্ট প্রমাণ কি সেই সময় ছিল? থাকলে সেগুলি কেন গুরুত্ব দিয়ে দেখা হয়নি?

রাজনৈতিক প্রতিহিংসা?

জ্ঞানেশ কুমার পূর্ত দফতরের সচিব পদ থেকে বদলি হওয়ার প্রায় ২০ বছর পর এই তদন্ত নতুন করে শুরু হচ্ছে। অভিযোগের প্রমাণও মেলেনি। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, এটা কি রাজনৈতিক প্রতিহিংসা? কেরলমের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী চেন্নিথালারের যুক্তি, 'এই তদন্ত কোনও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে না। একজন মন্ত্রী হিসেবে বিষয়টির খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখা আমার দায়িত্ব। আর যদি কোনও আমলযোগ্য অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়, তা হলে আরও তদন্তের জন্য ভিজিল্যান্স ডিরেক্টরের কাছে পাঠানোও আমার কর্তব্য'।

Read more!
Advertisement
Advertisement