
নির্বাচন কমিশনের অন্দরে মতপার্থক্য। তুঙ্গে বিতর্ক। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতে অনড় বিরোধীরা। এমন আবহে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের উত্তরপ্রদেশের মেরঠ এবং কাশীযাত্রা স্থগিত! এ নিয়ে নানা প্রশ্ন ও জল্পনা। নির্বাচন কমিশনের সূত্রের দাবি, এই সফর বাতিলের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিতর্কের কোনও যোগ নেই।
কমিশন সূত্রের বক্তব্য, এই ধরনের সফরের ক্ষেত্রে যাতায়াতের সমস্যা, স্থানীয় পরিস্থিতি এবং মাঝে মধ্যে অন্য কর্মসূচি থাকার কারণে পরিকল্পনায় পরিবর্তন হতেই পারে। এরআগে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং লাদাখের কর্মসূচিতেও রদবদল করা হয়েছিল। আর জ্ঞানেশ কুমারের মেরঠ ও কাশী সফর আচমকা স্থগিত করা হয়নি। এই সফর স্থগিতের সরকারি ঘোষণা ২১ সেপ্টেম্বরই করা হয়েছিল। মেরঠ এবং কাশীর জেলাশাসকদেরও বিষয়টি ইমেলের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
হিমাচল প্রদেশে পর্যটনের মরসুম এবং পরীক্ষা চলার কারণে সফর পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। অন্যদিকে, উত্তরাখণ্ডে এসআইআরের কাজ শেষ হওয়ার পর যুব সংবাদ কর্মসূচি আয়োজন করা হবে। লাদাখের কর্মসূচিও মানস সরোবরের বিপর্যয়ের কারণে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
কমিশন সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, এই ধরনের কর্মসূচিতে প্রায় ১,০০০ জন পর্যন্ত যুবক-যুবতী অংশ নেন। ফলে স্থানীয় আবহাওয়া, পরিস্থিতি, প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনা করতে হয়। এর পাশাপাশি মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অন্যান্য সরকারি সফরের কারণেও কর্মসূচির দিনক্ষণে পরিবর্তন হতে পারে।
ভুটান সফরের কারণে এর আগে কয়েকটি কর্মসূচি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানিয়েছে কমিশন। এই ধরনের কর্মসূচির জন্য প্রায় দেড় কোটি টাকা পর্যন্ত খরচ হওয়ার কথা বলা হয়েছিল। তবে কমিশন সূত্রের দাবি, কোনও অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হওয়ার পরই সেই খরচ হয়। তাই সময় থাকতেই কর্মসূচিতে প্রয়োজনীয় রদবদল করা হয়, যাতে অপ্রয়োজনীয় খরচ এড়ানো যায়।