Advertisement

India Nuclear Weapons: ভারতের হাতে ১৯০টি পরমাণু অস্ত্র, বাড়ল কতগুলি? জানলে চমকে যাবেন

এফএএস সংগঠনটি মাঝে মধ্যেই পরমাণু অস্ত্রের হিসেব সামনে আনে। আর সেই হিসেবই গোটা বিশ্ব বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।মাথায় রাখতে হবে, কোন দেশের কাছে কতগুলি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে, তারা সেটা জনসমক্ষে আনে না। ভারতও এই রীতি মেনেই চলেছে। তারা কোনও দিনও নিজের মুখে পরমাণু অস্ত্র সংখ্যা জানায় না। আর সেই শূন্যস্থান পূরণ করে এফএএস-এর মতো সংস্থা। 

ভারতের পরমাণু অস্ত্রভারতের পরমাণু অস্ত্র
Aajtak Bangla
  • কলকাতা,
  • 11 Sep 2026,
  • अपडेटेड 10:12 AM IST
  • এফএএস সংগঠনটি মাঝে মধ্যেই পরমাণু অস্ত্রের হিসেব সামনে আনে
  • সেই হিসেবই গোটা বিশ্ব বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।মাথায় রাখতে হবে, কোন দেশের কাছে কতগুলি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে, তারা সেটা জনসমক্ষে আনে না
  • ভারতও এই রীতি মেনেই চলেছে

নিজের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডার বাড়িয়ে চলেছে ভারত। এমনই তথ্য উঠে এসেছে ফেডারেশন অফ আমেরিকার সায়েন্টিস্ট (এফএএস)-এর প্রতিবেদনে। এই সংস্থার প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ভারতের কাছে রয়েছে প্রায় ১৯০টি পরমাণু অস্ত্র। আর সবথেকে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, এই ১৯০টির মধ্যে ১৬০টি অস্ত্র বর্তমানে সক্রিয় রয়েছে। এগুলি ডেলিভারি সিস্টেমের সঙ্গে যুক্ত। বাকি ৩০টি নতুন। আর এই খবর সামনে আসার পর ভারতের শত্রু রাষ্ট্রগুলির ঘুম উড়ে গিয়েছে।


আসলে এফএএস সংগঠনটি মাঝে মধ্যেই পরমাণু অস্ত্রের হিসেব সামনে আনে। আর সেই হিসেবই গোটা বিশ্ব বিতর্কের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।মাথায় রাখতে হবে, কোন দেশের কাছে কতগুলি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে, তারা সেটা জনসমক্ষে আনে না। ভারতও এই রীতি মেনেই চলেছে। তারা কোনও দিনও নিজের মুখে পরমাণু অস্ত্র সংখ্যা জানায় না। আর সেই শূন্যস্থান পূরণ করে এফএএস-এর মতো সংস্থা। 

এফএএস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারত বর্তমানে অনেক বেশি সংখ্যায় ওয়ারহেড তৈরি করেছে। লঞ্চারের থেকেও সংখ্যাটা অনেক বেশি। বর্তমানে আমাদের দেশের কাছে ১৯০টি ওয়ারহেড মজুত রয়েছে। এর মধ্যে লঞ্চার স্পেসিফিক বা লঞ্চারের জন্য নির্দিষ্ট ওয়ারহেডের সংখ্যা ১৬০টি। বাকি যে ওয়ারহেডগুলি রয়েছে, সেগুলি নতুন করে তৈরি হওয়া মিসাইলের জন্যই রাখা হয়েছে। যেমন ধরুন অগ্নি প্রাইম ও দূরপাল্লার কে ৪-এর মতো ক্ষেপণাস্ত্রও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, এটা কোনও অব্যবস্থার অংশ নয়। বরং এটাই পরমাণু নীতির স্বাভাবিক ধারা। তারা জানাচ্ছেন, অনেক সময় ডেলিভারি সিস্টেম পরিষেবাতে আসার আগেই অস্ত্র উৎপাদন চলতে থাকে। যার মাধ্যমে নতুন সিস্টেম তৈরি হলে দ্রুত অস্ত্র পাওয়া যায়। 

মিসাইল

অতিরিক্ত অস্ত্র কেন বানানো হচ্ছে? 
এফএএস-এর অনুমান, ভারত ভবিষ্যতের জন্য ভাবছে। সেই জন্য অতিরিক্ত ওয়ারহেড সংরক্ষণ করে রাখা রয়েছে। যাতে নতুন সিস্টেম সার্ভিসে আসার সঙ্গে সঙ্গেই সেগুলির জন্য ওয়ারহেড তৈরি থাকে। এই ফর্মুলা অনেক দেশই মেনে চলে। এর ফলে যুদ্ধ বা সঙ্কটের সময় লঞ্চার এবং অস্ত্রের ভারসাম্য রক্ষা করা সহজ হয়। 

Advertisement

আসলে ভারতের পরমাণু নীতিতে বিশ্বাসযোগ্য ন্যূনতম প্রতিরোধের বিষয়ে জোর দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত অস্ত্র তৈরির মাধ্যমে নিজেদের সক্ষমতা বাড়ানো হচ্ছে। 

তবে মাথায় রাখতে হবে, এই রিপোর্ট বহিরাগত সংস্থার। দেশের সংস্থা এই বিষয়ে কোনও কথাই বলে না। তাই দেশের কাছে কতগুলি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে, সেটা নিশ্চিত করে বলা সম্ভব নয়। 

প্রথমে ব্যবহার করবে না ভারত
এই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ভারত অস্ত্রভাণ্ডার বাড়াচ্ছে ঠিকই, তবে এখনও সেই পুরনো 'প্রথম ব্যবহার না করার' নীতিই মেনে চলছে। এক্ষেত্রে কোনও শত্রু আঘাত করলেই আমাদের দেশ পরমাণু অস্ত্র ব্যবহার করবে। 

এছাড়া রিপোর্টে আরও দাবি করা হয়েছে, ভারত এখন পরমাণু পরীক্ষা স্থগিত রেখেছে। ১৯৮৮ সালের পর থেকে এখনও কোনও নতুন পরীক্ষা করা হয়নি। 


 

Read more!
Advertisement
Advertisement