Advertisement

Bihar ICDS Worker: চাকরি চলে যাবে না তো? ভয়ে স্যালাইন চলা অবস্থাতেই কাজে গেলেন অসুস্থ অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী, VIRAL

অসুস্থতার জেরে ছুটি নিয়েছিলেন কাজ থেকে। কিন্তু কর্মস্থলে তাঁর অসুস্থতার প্রমাণ চাওয়া হয়। চাকরি যাওয়ার ভয়ে তাই স্যালাইনের বোতল হাতেই হাজির হলেন অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী।

প্রেমলতা হেমব্রত স্যালাইনের বোতল হাতে হাজির কর্মস্থলেপ্রেমলতা হেমব্রত স্যালাইনের বোতল হাতে হাজির কর্মস্থলে
Aajtak Bangla
  • বিহার,
  • 01 May 2026,
  • अपडेटेड 4:58 PM IST
  • অসুস্থতার জন্য ছুটিতে ছিলেন
  • কর্মস্থলে চাওয়া হল প্রমাণ
  • স্যালাইন হাতে হাজির অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী

অসুস্থ এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মীকে নিজের অসুস্থতা প্রমাণ করার জন্য স্যালাইনের বোতল হাতে নিয়ে কর্মস্থলে হাজির হতে বাধ্য করা হল। ঘটনাটি ঘটেছে বিহারের নারায়ণপুর পঞ্চায়েতের একটি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে। একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। যা ঘিরে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। নিন্দার ঝড় উঠেছে সর্বত্র। যদিও সেই ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি bangla.aajtak.in.

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, প্রেমলতা হেমব্রম নামে এক অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় কর্মস্থলে পৌঁছন। তাঁর হাতে একটি স্যালাইনের ড্রিপ লাগানো। আর তাঁর স্বামী সেই স্যালাইনের বোতলটি ধরে রয়েছেন। প্রেমলতা অত্যন্ত কষ্ট করে বসার চেষ্টা করছেন। 

প্রেমলতা হেমব্রত অসুস্থতার কারণে ছুটিতে ছিলেন। বাড়িতেই চিকিৎসা চলছিল তাঁর। কিন্তু তাঁর কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন শিশু উন্নয়ন প্রকল্পের আধিকারিক বীণা ভারতী। এমনকী, অসুস্থতার প্রমাণ হিসেবে ছবি বা ভিডিও চান। 

চাকরি চলে যাওয়ার আশঙ্কায় নিজের শরীরের পরোয়া না করে প্রেমলতা হেমব্রত ওই অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে হাজির হন। যাতে প্রমাণ করতে পারেন তিনি সত্যিই অসুস্থ। 

এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, ফ্রন্টলাইন কর্মীদের প্রতি এই ধরনের অমানবিক আচরণ কেন করা হচ্ছে। 

কাটিহারের জেলাশাসক আশুতোষ দ্বিবেদী জানিয়েছেন, এই ঘটনায় ২টি ভিন্ন বক্তব্য সামনে এসেছে। তিনি বলেন, 'আধিকারিকের দাবি, তিনি শুধু ছবি চেয়েছিলেন। কিন্তু কর্মীদের অভিযোগ, ওই কর্মীকে কেন্দ্রে ডেকে আনতে বলা হয়েছিল। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।' তিনি আরও জানান, ICDS-এর জেলা প্রোগ্রাম অফিসারকে বিস্তারিত তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং রিপোর্টের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 
 

 

Read more!
Advertisement
Advertisement